মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশিসহ ২১ অবৈধ প্রবাসী আটক

মালিকপক্ষ ও কিছু স্থানীয় ব্যক্তি তাদের ভাড়া দেওয়া স্থাপনায় বসবাসরত অবৈধ প্রবাসীদের পরিচয় গোপন করার চেষ্টা করলেও শেষ পর্যন্ত তা ফাঁস হয়ে যায়। শনিবার (৪ এপ্রিল) পরিচালিত এক অভিযানে বিভিন্ন অপরাধে ২১ জন বিদেশিকে আটক করে ইমিগ্রেশন বিভাগ। মালয়েশিয়ার জোহর রাজ্যের ইমিগ্রেশন বিভাগের পরিচালক দাতুক মোহদ রুসদি মোহদ দারুস মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) এক বিবৃতিতে জানান, মেরসিং এলাকার নির্মাণস্থল, আবাসিক ঘরবাড়ি এবং ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে লক্ষ্য করে এই অভিযান চালানো হয়। তিনি বলেন, অভিযানে জোহর রাজ্যের মেরসিং শাখার এনফোর্সমেন্ট বিভাগের নয়জন কর্মকর্তা অংশ নেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, জনসাধারণের তথ্য ও গোয়েন্দা নজরদারির ভিত্তিতে পরিচালিত এই অভিযানে কয়েকটি বাসাবাড়ি ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে অবৈধ অভিবাসীদের উপস্থিতি শনাক্ত করা হয়। অভিযানে দেখা যায়, কিছু মালিক ও স্থানীয় ব্যক্তি ভাড়ার মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করে ভাড়াটিয়াদের প্রকৃত পরিচয় গোপন করার চেষ্টা করছিলেন। প্রাথমিক তদন্তে ২১ জন বিদেশিকে বিভিন্ন ইমিগ্রেশন আইনের লঙ্ঘনের অভিযোগে আটক করা হয়। এদের মধ্যে ১৪ জন ইন্দোনেশিয়ার এবং সাতজন বাংলাদেশের নাগরিক, যাদের বয়স ২১ থেকে ৩৫ বছর

মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশিসহ ২১ অবৈধ প্রবাসী আটক

মালিকপক্ষ ও কিছু স্থানীয় ব্যক্তি তাদের ভাড়া দেওয়া স্থাপনায় বসবাসরত অবৈধ প্রবাসীদের পরিচয় গোপন করার চেষ্টা করলেও শেষ পর্যন্ত তা ফাঁস হয়ে যায়। শনিবার (৪ এপ্রিল) পরিচালিত এক অভিযানে বিভিন্ন অপরাধে ২১ জন বিদেশিকে আটক করে ইমিগ্রেশন বিভাগ।

মালয়েশিয়ার জোহর রাজ্যের ইমিগ্রেশন বিভাগের পরিচালক দাতুক মোহদ রুসদি মোহদ দারুস মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) এক বিবৃতিতে জানান, মেরসিং এলাকার নির্মাণস্থল, আবাসিক ঘরবাড়ি এবং ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে লক্ষ্য করে এই অভিযান চালানো হয়।

তিনি বলেন, অভিযানে জোহর রাজ্যের মেরসিং শাখার এনফোর্সমেন্ট বিভাগের নয়জন কর্মকর্তা অংশ নেন।

তার ভাষ্য অনুযায়ী, জনসাধারণের তথ্য ও গোয়েন্দা নজরদারির ভিত্তিতে পরিচালিত এই অভিযানে কয়েকটি বাসাবাড়ি ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে অবৈধ অভিবাসীদের উপস্থিতি শনাক্ত করা হয়।

অভিযানে দেখা যায়, কিছু মালিক ও স্থানীয় ব্যক্তি ভাড়ার মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করে ভাড়াটিয়াদের প্রকৃত পরিচয় গোপন করার চেষ্টা করছিলেন।

প্রাথমিক তদন্তে ২১ জন বিদেশিকে বিভিন্ন ইমিগ্রেশন আইনের লঙ্ঘনের অভিযোগে আটক করা হয়। এদের মধ্যে ১৪ জন ইন্দোনেশিয়ার এবং সাতজন বাংলাদেশের নাগরিক, যাদের বয়স ২১ থেকে ৩৫ বছরের মধ্যে।

তিনি আরও জানান, আটকদের বিরুদ্ধে ইমিগ্রেশন আইন ১৯৫৯/৬৩ এবং ইমিগ্রেশন বিধিমালা ১৯৬৩ অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সব আটক ব্যক্তিকে পরবর্তী তদন্ত ও আইনি পদক্ষেপের জন্য সেতিয়া ট্রপিকা ইমিগ্রেশন ডিপোতে রাখা হয়েছে।

এমআরএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow