মালয়েশিয়ায় মর্যাদার সাথে স্বাধীনতা দিবস পালন
যথাযোগ্য মর্যাদা ও উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশ হাইকমিশনের মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সকাল সোয়া ১০টায় হাইকমিশনার মনজুরুল করিম খাঁন চৌধুরীর জাতীয় পতাকা উত্তোলন করার মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু হয়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ কমিউনিটির নেতারা, আদলুর রহমান খান, সভাপতি মালয়েশিয়া বিএনপি, এছাড়াও গণঅধিকার পরিষদ, জামায়াতে ইসলামী, এনসিপি ও অন্যান্য রাজনৈতিক দলের নেতা ও প্রবাসীরা।
পতাকা উত্তোলন শেষে অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদের আত্মার মাগফেরাত কামনায় মোনাজাত করা হয়। এ সময় অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর বাণী পাঠ করেন দূতাবাসের কর্মকর্তারা।
অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে হাইকমিশনার মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদ ও বীরাঙ্গনাদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে বক্তব্য শুরু করেন। তিনি স্বাধীনতার ৫৫ বছরের বাংলাদেশের অর্জনের প্রশংসা করেন।
তিনি বলেন, স্বাধীনতার পরে ধ্বংস স্তূপ একটা রাষ্ট্র, যার মাথাপিছু আয় ছিলো মাত্র ১০০ মার্কিন ডলার, তা এখন দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার মার্কিন ডলারের উপরে, গড় আয়ু বেড়েছে প্রায়
যথাযোগ্য মর্যাদা ও উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশ হাইকমিশনের মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সকাল সোয়া ১০টায় হাইকমিশনার মনজুরুল করিম খাঁন চৌধুরীর জাতীয় পতাকা উত্তোলন করার মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু হয়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ কমিউনিটির নেতারা, আদলুর রহমান খান, সভাপতি মালয়েশিয়া বিএনপি, এছাড়াও গণঅধিকার পরিষদ, জামায়াতে ইসলামী, এনসিপি ও অন্যান্য রাজনৈতিক দলের নেতা ও প্রবাসীরা।
পতাকা উত্তোলন শেষে অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদের আত্মার মাগফেরাত কামনায় মোনাজাত করা হয়। এ সময় অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর বাণী পাঠ করেন দূতাবাসের কর্মকর্তারা।
অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে হাইকমিশনার মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদ ও বীরাঙ্গনাদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে বক্তব্য শুরু করেন। তিনি স্বাধীনতার ৫৫ বছরের বাংলাদেশের অর্জনের প্রশংসা করেন।
তিনি বলেন, স্বাধীনতার পরে ধ্বংস স্তূপ একটা রাষ্ট্র, যার মাথাপিছু আয় ছিলো মাত্র ১০০ মার্কিন ডলার, তা এখন দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার মার্কিন ডলারের উপরে, গড় আয়ু বেড়েছে প্রায় দ্বিগুণ, পৃথিবীর সব থেকে দরিদ্র দেশের তালিকায় থাকা দেশ এখন পৃথিবীর ৩৫তম অর্থনৈতিক দেশ।
তিনি আরও বলেন, অর্জনের পাশাপাশি আমাদের ব্যর্থতা কম নয়, বিভিন্ন বাধা প্রতিকূলতা ডিঙিয়েও এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধে ক্ষতিগ্রস্ত প্রবাসীদের কথাও তিনি উল্লেখ করেন।
প্রকৌশলী আদলুর রহমান খান বলেন, স্বাধীনতার পরে প্রথমে বিদেশে কর্মী প্রেরণ শুরু করেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান, পরবর্তীতে প্রবাসীদের কথা মাথায় রেখে বেগম খালেদা জিয়া ২০০১ সালে ক্ষমতায় এসে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় গঠন করেন। তিনি আরও বলেন, আমরা ১ কোটির বেশী প্রবাসী, আজ স্বাধীনতা দিবসে সকল রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের শুভেচ্ছা।
এ সময় আরো বক্তব্য রাখেন মাহবুব আলম শাহ, বাংলাদেশ চেম্বারকমার্স অ্যান্ড মালয়েশিয়া, প্রবাসী, আমিনুল ইসলাম রতন, নারী উদ্যোক্তাসহ অনেক।
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর কাছে একসাথে বাংলাদেশ গড়া ও সিন্ডিকেট মুক্ত শ্রম বাজার গড়ে তুলতে আহ্বান করা হয়।
অনুষ্ঠানের শেষে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে গান ও কবিতা আবৃত্তি করেন দূতাবাসের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও মালয়েশিয়ায় পড়াশোনা করা বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়েরের বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা।