মালয়েশিয়ায় ২৯০ বাংলাদেশিসহ পাঁচ শতাধিক বিদেশি আটক

অভিবাসন আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে ২৯০ বাংলাদেশিসহ ৫০৩ জন বিদেশি নাগরিককে আটক করেছে মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগ। একই সঙ্গে দেশটিতে ২০০টিরও বেশি ‘হটস্পট’ চিহ্নিত করা হয়েছে, যেখানে অবৈধ অভিবাসীদের উপস্থিতি বেশি বলে মনে করছে কর্তৃপক্ষ। সোমবার (১৩ জুলাই) রাজধানী কুয়ালালামপুরের জালান কেনাঙ্গায় অভিযান শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান ইমিগ্রেশন বিভাগের মহাপরিচালক দাতুক জাকারিয়া শাবান। মালয়েশিয়াভিত্তিক অনলাইন সংবাদমাধ্যম স্টার নিউজ এক প্রতিবেদনে বিষয়টি তুলে ধরেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, রোববার (১২ জুলাই) শুরু হওয়া ‘অপস মেগা’  নামে এই অভিযানে ইমিগ্রেশন বিভাগ, জাতীয় নিবন্ধন বিভাগ, অভ্যন্তরীণ বাণিজ্য ও জীবনযাত্রার ব্যয় মন্ত্রণালয়, স্থানীয় কর্তৃপক্ষ এবং রয়্যাল মালয়েশিয়া পুলিশের মোট ৮৭৬ জন সদস্য অংশ নেন। ইমিগ্রেশন বিভাগের মহাপরিচালক জাকারিয়া জানান, অভিযানে বিদেশি নাগরিক ও নিয়োগকর্তাসহ মোট ২ হাজার ২৬০ জনকে তল্লাশি ও যাচাই করা হয়। এর মধ্যে অভিবাসন আইনের বিভিন্ন ধারা লঙ্ঘনের অভিযোগে ৫০৩ বিদেশিকে আটক করা হয়েছে। আটকদের মধ্যে ৪০৮ জন পুরুষ এবং ৯৫ জন নারী। আটকদের মধ্যে রয়েছেন ২৯০ জন বাংলাদেশি, ১০১ জন মিয়ানমারের নাগ

মালয়েশিয়ায় ২৯০ বাংলাদেশিসহ পাঁচ শতাধিক বিদেশি আটক
অভিবাসন আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে ২৯০ বাংলাদেশিসহ ৫০৩ জন বিদেশি নাগরিককে আটক করেছে মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগ। একই সঙ্গে দেশটিতে ২০০টিরও বেশি ‘হটস্পট’ চিহ্নিত করা হয়েছে, যেখানে অবৈধ অভিবাসীদের উপস্থিতি বেশি বলে মনে করছে কর্তৃপক্ষ। সোমবার (১৩ জুলাই) রাজধানী কুয়ালালামপুরের জালান কেনাঙ্গায় অভিযান শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান ইমিগ্রেশন বিভাগের মহাপরিচালক দাতুক জাকারিয়া শাবান। মালয়েশিয়াভিত্তিক অনলাইন সংবাদমাধ্যম স্টার নিউজ এক প্রতিবেদনে বিষয়টি তুলে ধরেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, রোববার (১২ জুলাই) শুরু হওয়া ‘অপস মেগা’  নামে এই অভিযানে ইমিগ্রেশন বিভাগ, জাতীয় নিবন্ধন বিভাগ, অভ্যন্তরীণ বাণিজ্য ও জীবনযাত্রার ব্যয় মন্ত্রণালয়, স্থানীয় কর্তৃপক্ষ এবং রয়্যাল মালয়েশিয়া পুলিশের মোট ৮৭৬ জন সদস্য অংশ নেন। ইমিগ্রেশন বিভাগের মহাপরিচালক জাকারিয়া জানান, অভিযানে বিদেশি নাগরিক ও নিয়োগকর্তাসহ মোট ২ হাজার ২৬০ জনকে তল্লাশি ও যাচাই করা হয়। এর মধ্যে অভিবাসন আইনের বিভিন্ন ধারা লঙ্ঘনের অভিযোগে ৫০৩ বিদেশিকে আটক করা হয়েছে। আটকদের মধ্যে ৪০৮ জন পুরুষ এবং ৯৫ জন নারী। আটকদের মধ্যে রয়েছেন ২৯০ জন বাংলাদেশি, ১০১ জন মিয়ানমারের নাগরিক, ৬৬ জন ইন্দোনেশীয়, ৩৮ জন নেপালি, ৩৬ জন ভারতীয় এবং বিভিন্ন দেশের আরও ১০ জন নাগরিক। এ ছাড়া তদন্তে সাক্ষী হিসেবে সহযোগিতার জন্য ১২০ জনকে ফর্ম-২৯ নোটিশ দেওয়া হয়েছে। জাকারিয়া বলেন, ‘আটকদের বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ পাওয়া গেছে তার মধ্যে রয়েছে—বৈধ ভ্রমণ বা পরিচয়পত্র ছাড়া মালয়েশিয়ায় অবস্থান, ভিসা বা অনুমোদিত সময়সীমা অতিক্রম করে থাকা, কর্মসংস্থানের অনুমতিপত্র (পাস)-এর শর্ত ভঙ্গ, কর্তৃপক্ষের স্বীকৃত নয় এমন পরিচয়পত্র বহন।’ তিনি বলেন, ‘সবচেয়ে বেশি পাওয়া গেছে ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও অবস্থান করা এবং কর্মপাসের শর্ত লঙ্ঘনের ঘটনা।’ তার ভাষায়, ‘এমন অনেক ঘটনা পাওয়া গেছে যেখানে নির্মাণ খাতে কাজের অনুমতি (ওয়ার্ক পাস) থাকা ব্যক্তিরা টেক্সটাইল বা পোশাকের দোকানে কাজ করছিলেন।’ এদিকে কুয়ালালামপুর ইমিগ্রেশন বিভাগের পরিচালক হামশা ইনজাউ জানান, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত বিভিন্ন অভিবাসন আইন লঙ্ঘনের ঘটনায় ৮০১ বিদেশি নাগরিকের বিরুদ্ধে মোট ৮৪৫টি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow