মায়ের ইচ্ছে পূরণ করতে হেলিকপ্টারে বাড়িতে এলেন প্রবাসী ২ ভাই
জামালপুরের মাদারগঞ্জে মায়ের ইচ্ছে পূরণ করতে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে হেলিকপ্টার দিয়ে বাড়িতে এসেছেন প্রবাসী ২ ভাই আল আমিন ও সোলাইমান। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) বেলা ১১টার দিকে তাদের বহন করা হেলিকপ্টারটি উপজেলার চরগোলাবাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অবতরণ করে। জানা যায়, মালয়েশিয়া প্রবাসী দুই ভাই আল আমিন মণ্ডল ও সোলাইমান মণ্ডলের মা মারা যান ৩ বছর আগে। মা বেঁচে থাকতে ইচ্ছে পোষণ করেছিলেন তার প্রবাসী দুই ছেলে হেলিকপ্টার দিয়ে বাড়িতে আসবেন। মৃত মায়ের ইচ্ছে বাস্তবে রূপ দিতেই বিমানবন্দর থেকে হেলিকপ্টার দিয়ে নিজ বাড়িতে ফিরবেন তারা। এসময় উৎসুক জনতার একনজর দেখতে ভিড় করেন। এর আগে বিমানযোগে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নামেন আল আমিন ও সোলাইমান। হেলিকপ্টারের ভিতরে ছিলেন বাবা গিয়াসউদ্দিন মন্ডল, ফুপাতো ভাই জরিপ মিয়াসহ আত্মীয়স্বজন। হেলিকপ্টার থেকে দুই ভাইকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান আত্মীয় ও স্থানীয়রা। প্রথমবারের মতো হেলিকপ্টারের আগমনে চরগোলাবাড়ি এলাকায় উৎসবের আমেজ তৈরি হয়। নারী, পুরুষ শিশুসহ হাজারো মানুষের ভিড় জমে। প্রবাসী সোলাইমান বলেন, আমরা ৫ ভাই। এরমধ্যে ৪ ভাই মালয়েশিয়া থাক
জামালপুরের মাদারগঞ্জে মায়ের ইচ্ছে পূরণ করতে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে হেলিকপ্টার দিয়ে বাড়িতে এসেছেন প্রবাসী ২ ভাই আল আমিন ও সোলাইমান।
বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) বেলা ১১টার দিকে তাদের বহন করা হেলিকপ্টারটি উপজেলার চরগোলাবাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অবতরণ করে।
জানা যায়, মালয়েশিয়া প্রবাসী দুই ভাই আল আমিন মণ্ডল ও সোলাইমান মণ্ডলের মা মারা যান ৩ বছর আগে। মা বেঁচে থাকতে ইচ্ছে পোষণ করেছিলেন তার প্রবাসী দুই ছেলে হেলিকপ্টার দিয়ে বাড়িতে আসবেন। মৃত মায়ের ইচ্ছে বাস্তবে রূপ দিতেই বিমানবন্দর থেকে হেলিকপ্টার দিয়ে নিজ বাড়িতে ফিরবেন তারা।
এসময় উৎসুক জনতার একনজর দেখতে ভিড় করেন। এর আগে বিমানযোগে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নামেন আল আমিন ও সোলাইমান। হেলিকপ্টারের ভিতরে ছিলেন বাবা গিয়াসউদ্দিন মন্ডল, ফুপাতো ভাই জরিপ মিয়াসহ আত্মীয়স্বজন। হেলিকপ্টার থেকে দুই ভাইকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান আত্মীয় ও স্থানীয়রা। প্রথমবারের মতো হেলিকপ্টারের আগমনে চরগোলাবাড়ি এলাকায় উৎসবের আমেজ তৈরি হয়। নারী, পুরুষ শিশুসহ হাজারো মানুষের ভিড় জমে।
প্রবাসী সোলাইমান বলেন, আমরা ৫ ভাই। এরমধ্যে ৪ ভাই মালয়েশিয়া থাকি। আলহামদুলিল্লাহ আমরা অনেক ভালো অবস্থানে আছি। আমার মায়ের ইচ্ছে ছিল আমরা যেন হেলিকপ্টার দিয়ে বাড়িতে আছি। মা মারা গিয়েছে ৩ বছর আগে। মৃত মায়ের ইচ্ছে পূরণ করতেই আমরা দুই ভাই বিমানবন্দর থেকে হেলিকপ্টারে এসেছি। সবাই আমার মা ও আমাদের জন্য দোয়া করবেন।
তাদের খালাতো ভাই আনিস শেখ বলেন, আমার খালাতো দুই ভাই হেলিকপ্টার দিয়ে বাড়িতে আসবে৷ তাই আমরা সপরিবারে এসেছি। হেলিকপ্টার দেখতে হাজারো মানুষ এসেছে, বিষয়টি আনন্দের।
হেলিকপ্টার দেখতে আসা এক বৃদ্ধা নছিমন বেগম বলেন, শুনছি আমাদের চরগোলাবাড়ি দক্ষিণপাড়া গিয়াস উদ্দিন মণ্ডলের দুই ছেলে আল আমিন ও সোলাইমান হেলিকপ্টার দিয়ে আসছে। হেলিকপ্টারের নাম শুনছি, কিন্তু কোনোদিন দেখিনি। আজকে প্রথমবারের মতো দেখলাম। খুব ভালো লাগছে।
সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী হৃদয় বলেন, জীবনের প্রথম কাছ থেকে হেলিকপ্টার দেখলাম। খুব খুশি ও আনন্দ লাগছে। আমার সব বন্ধুরাও খুশি।
What's Your Reaction?