মা ও ভাগনের পর জাবি শিক্ষার্থী রাইয়ানের মরদেহ উদ্ধার

রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ঘাটে সংঘটিত মর্মান্তিক বাস দুর্ঘটনায় নিখোঁজ জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) শিক্ষার্থী আহনাফ তাহমিদ খান রাইয়ানের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) ভোর ৫টার দিকে রাজবাড়ী সদর হাসপাতালে তার মরদেহ শনাক্ত করা হয়। নিহত রাইয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের ৪৯তম ব্যাচের শিক্ষার্থী এবং রাজবাড়ী জেলা ছাত্রকল্যাণ সমিতির (২০২৫-২৬ সেশন) সাবেক সভাপতি ছিলেন। এর আগে বুধবার (২৫ মার্চ) কুষ্টিয়া থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী ‘সৌহার্দ্য’ পরিবহনের বাসটি দৌলতদিয়া ঘাটে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নদীতে তলিয়ে যায়। এসময় বাসে রাইয়ানের মা, বড় বোন ও ভাগনেসহ অন্তত ৫০ যাত্রী ছিলেন বলে জানা যায়। দুর্ঘটনার পর থেকে রাইয়ান ও তার ভাগনে দীর্ঘ সময় নিখোঁজ ছিলেন। তার মায়ের মরদেহ উদ্ধার করা হয় এবং গুরুতর আহত অবস্থায় বড় বোনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরবর্তীতে আজ বৃহস্পতিবার রাইয়ান ও তার ভাগনের মরদেহ উদ্ধার করা হয় বলে জানায় তার মামা আওয়াল আনোয়ার। আওয়াল আনোয়ার জানান, বুধবার ফেরিতে ওঠার সময় বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নদীতে পড়ে যায়। এ সময় জীবন বাঁচাতে হুড়োহুড়ির মধ্যে কোনোভাবে বাস থেকে বের হতে পারেন রাইয়ানের বোন ডা

মা ও ভাগনের পর জাবি শিক্ষার্থী রাইয়ানের মরদেহ উদ্ধার

রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ঘাটে সংঘটিত মর্মান্তিক বাস দুর্ঘটনায় নিখোঁজ জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) শিক্ষার্থী আহনাফ তাহমিদ খান রাইয়ানের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) ভোর ৫টার দিকে রাজবাড়ী সদর হাসপাতালে তার মরদেহ শনাক্ত করা হয়।

নিহত রাইয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের ৪৯তম ব্যাচের শিক্ষার্থী এবং রাজবাড়ী জেলা ছাত্রকল্যাণ সমিতির (২০২৫-২৬ সেশন) সাবেক সভাপতি ছিলেন।

এর আগে বুধবার (২৫ মার্চ) কুষ্টিয়া থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী ‘সৌহার্দ্য’ পরিবহনের বাসটি দৌলতদিয়া ঘাটে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নদীতে তলিয়ে যায়। এসময় বাসে রাইয়ানের মা, বড় বোন ও ভাগনেসহ অন্তত ৫০ যাত্রী ছিলেন বলে জানা যায়। দুর্ঘটনার পর থেকে রাইয়ান ও তার ভাগনে দীর্ঘ সময় নিখোঁজ ছিলেন। তার মায়ের মরদেহ উদ্ধার করা হয় এবং গুরুতর আহত অবস্থায় বড় বোনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরবর্তীতে আজ বৃহস্পতিবার রাইয়ান ও তার ভাগনের মরদেহ উদ্ধার করা হয় বলে জানায় তার মামা আওয়াল আনোয়ার।

আওয়াল আনোয়ার জানান, বুধবার ফেরিতে ওঠার সময় বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নদীতে পড়ে যায়। এ সময় জীবন বাঁচাতে হুড়োহুড়ির মধ্যে কোনোভাবে বাস থেকে বের হতে পারেন রাইয়ানের বোন ডা. সাবা। তবে রাইয়ান, তার মা এবং ছোট্ট ভাগনে বের হতে পারেননি।

এ বিষয়ে অর্থনীতি বিভাগের সভাপতি ড. মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম বলেন, আমার সন্তানতুল্য ৪৯তম ব্যাচের শিক্ষার্থী রাইয়ানের এমন মর্মান্তিক মৃত্যু কোনোভাবেই মেনে নিতে পারছি না। এটি অত্যন্ত বেদনাদায়ক, ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়। সে বিভাগের সবার সঙ্গে খুবই ঘনিষ্ঠ ছিল। বিভিন্ন সাংস্কৃতিক কার্যক্রম ও ব্যাচের কার্যক্রমে সে সক্রিয়ভাবে অংশ নিত। তার সঙ্গে আমাদের অসংখ্য স্মৃতি জড়িয়ে আছে। আমরা সবাই গভীরভাবে শোকাহত।

মো. রকিব হাসান প্রান্ত/কেএইচকে/এমএস

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow