মা-বাবা মারা গেলেও অলৌকিকভাবে বেঁচে গেল শিশু আবরার

কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে এক ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় একই পরিবারের চার সদস্যসহ মোট পাঁচজন নিহত হয়েছেন। এ মর্মান্তিক ঘটনায় মা-বাবাসহ পরিবারের সবাইকে হারিয়ে অলৌকিকভাবে বেঁচে গেছে ১২ বছর বয়সী মাদ্রাসাছাত্র আবরার।বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় উপজেলার কালাকচুয়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা ফয়সাল আহমেদের ভগ্নিপতি মুফতি আব্দুল মমিন তার পরিবার নিয়ে নোয়াখালী থেকে ঢাকার মোহাম্মদপুরে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে তারা কালাকচুয়া এলাকার ‘হোটেল মিয়ামি’তে রাতের খাবারের জন্য বিরতি নেন।খাবার শেষে পুনরায় মহাসড়কে ওঠার সময় ঢাকা থেকে নোয়াখালীগামী দ্রুতগতির ‘স্টার লাইন পরিবহন’-এর একটি বাস তাদের প্রাইভেটকারকে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে গাড়িটির এক পাশ দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই প্রাইভেটকারের চালক জামাল হোসেন (৫২) নিহত হন।দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হন মুফতি আব্দুল মমিন, তার স্ত্রী ঝর্ণা বেগম, দুই ছেলে আবরার ও এরশাদ এবং মেয়ে লাবিবা। স্থানীয়রা দ্রুত তাদের উদ্ধার করে ময়নামতি আর্মি জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক চারজন

মা-বাবা মারা গেলেও অলৌকিকভাবে বেঁচে গেল শিশু আবরার

কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে এক ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় একই পরিবারের চার সদস্যসহ মোট পাঁচজন নিহত হয়েছেন। এ মর্মান্তিক ঘটনায় মা-বাবাসহ পরিবারের সবাইকে হারিয়ে অলৌকিকভাবে বেঁচে গেছে ১২ বছর বয়সী মাদ্রাসাছাত্র আবরার।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় উপজেলার কালাকচুয়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা ফয়সাল আহমেদের ভগ্নিপতি মুফতি আব্দুল মমিন তার পরিবার নিয়ে নোয়াখালী থেকে ঢাকার মোহাম্মদপুরে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে তারা কালাকচুয়া এলাকার ‘হোটেল মিয়ামি’তে রাতের খাবারের জন্য বিরতি নেন।

খাবার শেষে পুনরায় মহাসড়কে ওঠার সময় ঢাকা থেকে নোয়াখালীগামী দ্রুতগতির ‘স্টার লাইন পরিবহন’-এর একটি বাস তাদের প্রাইভেটকারকে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে গাড়িটির এক পাশ দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই প্রাইভেটকারের চালক জামাল হোসেন (৫২) নিহত হন।

দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হন মুফতি আব্দুল মমিন, তার স্ত্রী ঝর্ণা বেগম, দুই ছেলে আবরার ও এরশাদ এবং মেয়ে লাবিবা। স্থানীয়রা দ্রুত তাদের উদ্ধার করে ময়নামতি আর্মি জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক চারজনকে মৃত ঘোষণা করেন।

এই ভয়াবহ দুর্ঘটনা থেকে অলৌকিকভাবে বেঁচে যায় শিশু আবরার। সামান্য আহত অবস্থায় বর্তমানে সে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। আবরার জানায়, হোটেলে খাবার শেষে তারা সড়কে ওঠার সঙ্গে সঙ্গেই দ্রুতগামী বাসটি তাদের গাড়িকে চাপা দেয়। পরিবারের সবাইকে হারিয়ে সে এখন গভীর শোক ও নীরবতায় আচ্ছন্ন।

ময়নামতি হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল মমিন জানান, দুর্ঘটনার পরপরই ঘাতক বাসের চালক পালিয়ে গেছে। পুলিশ বাস ও প্রাইভেটকারটি জব্দ করেছে। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে এবং আইনি প্রক্রিয়া শেষে নিহতদের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow