‘মিড ডে মিলে’ অনিয়মের অভিযোগ

হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলায় প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের পুষ্টি নিশ্চিত করতে চালু হওয়া মিড ডে মিল কর্মসূচিতে ভয়াবহ অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। নির্ধারিত দিনে ডিম ও রুটি সরবরাহের কথা থাকলেও উপজেলার অর্ধেকের বেশি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা কোনো কিছুই পায়নি। শনিবার (৪ এপ্রিল) বাহুবল উপজেলার ১০৪টি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য সিদ্ধ ডিম ও রুটি বিতরণের কথা ছিল। বাস্তবে দেখা গেছে, প্রধান সড়কের পাশের কয়েকটি বিদ্যালয়ে শুধুমাত্র ডিম দিয়ে দায়সারা কাজ করেছে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার। অধিকাংশ বিদ্যালয়ে রুটি তো দেওয়া হয়নি, এমনকি অনেক শিক্ষার্থী ডিমও পায়নি। মিড ডে মিল কর্মসূচীতে দুধ ও বিস্কুট দেওয়ার কথা থাকলেও সেই বিস্কুট দুধ পায়নি সকল বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। রুটি চোঁখে দেখেনি উপজেলার অনেক স্কুলের শিক্ষার্থীরা। অভিযোগ রয়েছে, সপ্তাহে একদিনের এই মিড ডে মিল কর্মসূচিতে অনেক সময় বিস্কুট দিয়ে দায়িত্ব শেষ করা হয়, যা শিক্ষার্থীদের পুষ্টির চাহিদা পূরণে একেবারেই অপ্রতুল। এমন অনিয়মে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অভিভাবক ও স্থানীয়রা। তাদের দাবি, সরকারের ভালো উদ্যোগ মাঠপর্যায়ে বাস্তবায়নের সময় ঠিকাদারি অনিয়ম ও দুর্বল তদারকির কারণে ভেস্তে যাচ্ছ

‘মিড ডে মিলে’ অনিয়মের অভিযোগ

হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলায় প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের পুষ্টি নিশ্চিত করতে চালু হওয়া মিড ডে মিল কর্মসূচিতে ভয়াবহ অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। নির্ধারিত দিনে ডিম ও রুটি সরবরাহের কথা থাকলেও উপজেলার অর্ধেকের বেশি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা কোনো কিছুই পায়নি।

শনিবার (৪ এপ্রিল) বাহুবল উপজেলার ১০৪টি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য সিদ্ধ ডিম ও রুটি বিতরণের কথা ছিল। বাস্তবে দেখা গেছে, প্রধান সড়কের পাশের কয়েকটি বিদ্যালয়ে শুধুমাত্র ডিম দিয়ে দায়সারা কাজ করেছে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার। অধিকাংশ বিদ্যালয়ে রুটি তো দেওয়া হয়নি, এমনকি অনেক শিক্ষার্থী ডিমও পায়নি।

মিড ডে মিল কর্মসূচীতে দুধ ও বিস্কুট দেওয়ার কথা থাকলেও সেই বিস্কুট দুধ পায়নি সকল বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। রুটি চোঁখে দেখেনি উপজেলার অনেক স্কুলের শিক্ষার্থীরা।

অভিযোগ রয়েছে, সপ্তাহে একদিনের এই মিড ডে মিল কর্মসূচিতে অনেক সময় বিস্কুট দিয়ে দায়িত্ব শেষ করা হয়, যা শিক্ষার্থীদের পুষ্টির চাহিদা পূরণে একেবারেই অপ্রতুল।

এমন অনিয়মে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অভিভাবক ও স্থানীয়রা। তাদের দাবি, সরকারের ভালো উদ্যোগ মাঠপর্যায়ে বাস্তবায়নের সময় ঠিকাদারি অনিয়ম ও দুর্বল তদারকির কারণে ভেস্তে যাচ্ছে।

লাকুড়ীপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক উজ্বল মিয়া বলেন, দুই মাস আগে পেয়েছে শুধু বিস্কুট, এ ছাড়া তাদের ভাগ্যে কিছু জুটেনি।

বড়গাও সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক বলেন, আজকে শুধু একটি ডিম দিয়েছে। তাও ভাঙ্গা নষ্ট ডিম।

গোলগাও সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক বলেন, তাদের শিক্ষার্থীদের ভাগ্য নেই মিড ডে মিলের কিছুই। তাদের নামে বরাদ্ধ থাকলে তারা কিছু পায়নি।

বিহারীপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সাহেনা আক্তার বলেন, আজ একজন এসে শুধু ডিম দিয়ে গেছে।

এ বিষয়ে বাহুবল উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলী বলেন, “আমি বর্তমানে সিলেটে আছি। ডিম-রুটি পাওয়ার কথা, কেন পায়নি বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখছি।”

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) উজ্বল রায় বলেন, “বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।”

তবে প্রশ্ন উঠেছে, কি করছে প্রাথমিক শিক্ষা অফিস, নাকি এমন অনিয়মের সাথে জড়িত তারাও। এমন বড় ধরনের অনিয়মের পরও প্রশাসনের কার্যকর নজরদারি না থাকায় ক্ষোভ বাড়ছে জনমনে। সংশ্লিষ্টদের দ্রুত তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow