মিথ্যা সাক্ষী দেওয়ায় ৩৬ বছর পর ৪ জনের কারাদণ্ড

সিরাজগঞ্জে সাজানো অপহরণ মামলায় মিথ্যা সাক্ষী দেওয়ার ৩৬ বছর পর চারজনকে ১০ বছর করে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।  মঙ্গলবার (০৫ মে) দুপুরে সিরাজগঞ্জ সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ ইকবাল হোসেন এ আদেশ দেন। একই সঙ্গে প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা অনাদায়ে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।  সাজাপ্রাপ্তরা হলেন, শাহজাদপুর উপজেলার চিতুলিয়া গ্রামের কাশেম আলী, আকবর আলী, আছের উদ্দিন ও বছিরুন্নেছা। আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর হাদীউজ্জামান শেখ হাদী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।  মামলা সূত্রে জানা গেছে, ১৯৯০ সালের জুলাই মাসের ১৮ তারিখে শাহজাদপুর উপজেলার পোতাজিয়া ইউনিয়নের ইউনিয়নের চিথুলিয়া গ্রামের আমির হোসেনের ছেলে হিমু ও কাশীনাথপুর গ্রামের দেলবার খন্দকারের ছেলে আরমানের মধ্যে তুচ্ছ একটি ঘটনা নিয়ে মারামারি হয়। ওই মারামারিকে কেন্দ্র করে দুই পরিবারের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল। আর সেই বিরোধের জের ধরে প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে ছেলে আরমানকে আত্মীয় বাড়িতে রেখে ছয়জনের বিরুদ্ধে অপহরণ মামলা করেন দেলবার খন্দকার।  এপিপি হাদীউজ্জামান শেখ বলেন, ওই অপহরণ মামলায় আমির হোসেন মণ্ডল তার দুই ছেলে হিমু মণ্ডল, বাবু মণ্ডল, ও তার ভাই ইম

মিথ্যা সাক্ষী দেওয়ায় ৩৬ বছর পর ৪ জনের কারাদণ্ড
সিরাজগঞ্জে সাজানো অপহরণ মামলায় মিথ্যা সাক্ষী দেওয়ার ৩৬ বছর পর চারজনকে ১০ বছর করে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।  মঙ্গলবার (০৫ মে) দুপুরে সিরাজগঞ্জ সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ ইকবাল হোসেন এ আদেশ দেন। একই সঙ্গে প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা অনাদায়ে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।  সাজাপ্রাপ্তরা হলেন, শাহজাদপুর উপজেলার চিতুলিয়া গ্রামের কাশেম আলী, আকবর আলী, আছের উদ্দিন ও বছিরুন্নেছা। আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর হাদীউজ্জামান শেখ হাদী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।  মামলা সূত্রে জানা গেছে, ১৯৯০ সালের জুলাই মাসের ১৮ তারিখে শাহজাদপুর উপজেলার পোতাজিয়া ইউনিয়নের ইউনিয়নের চিথুলিয়া গ্রামের আমির হোসেনের ছেলে হিমু ও কাশীনাথপুর গ্রামের দেলবার খন্দকারের ছেলে আরমানের মধ্যে তুচ্ছ একটি ঘটনা নিয়ে মারামারি হয়। ওই মারামারিকে কেন্দ্র করে দুই পরিবারের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল। আর সেই বিরোধের জের ধরে প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে ছেলে আরমানকে আত্মীয় বাড়িতে রেখে ছয়জনের বিরুদ্ধে অপহরণ মামলা করেন দেলবার খন্দকার।  এপিপি হাদীউজ্জামান শেখ বলেন, ওই অপহরণ মামলায় আমির হোসেন মণ্ডল তার দুই ছেলে হিমু মণ্ডল, বাবু মণ্ডল, ও তার ভাই ইমাম মণ্ডল আদালতের রায়ে ১০ বছর করে কারাদণ্ড ভোগ করেন।  তিনি আরও বলেন, কারাভোগ শেষে তারা ভিকটিম আরমানকে খুঁজতে থাকেন। ১৯ বছর পর ২০০৯ সালে পাবনা জেলার চাটমোহরে তার সন্ধান পেয়ে র‌্যাবকে জানান তারা। র‌্যাব সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে আরমানকে আটক করে।  হাদীউজ্জামান শেখ বলেন, বাবু মণ্ডল বাদী হয়ে মিথ্যা অপহরণ মামলার বাদী ও সাক্ষীসহ ১১ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা করেন। সেই মামলার বাদী ও ভিকটিম মারা ইতোমধ্যে মারা গেছেন। শুনানি শেষে ১৭ বছর পর মিথ্যা সাক্ষীদের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow