মির্জা আব্বাসের শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিতে এভারকেয়ারে যুবদল সভাপতি
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসের শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিতে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে যান যুবদলের সভাপতি আব্দুল মোনায়েম মুন্না ও সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম নয়ন।
শুক্রবার (১৩ মার্চ) রাতে বসুন্ধরার এই হাসপাতালটিতে যান তারা। মির্জা আব্বাস যুবদলের সাবেক সভাপতি।
শুক্রবার মির্জা আব্বাসের মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচার করা হয়। বিকেল সোয়া ৩টা থেকে রাত ৭টা পর্যন্ত পৌনে চার ঘন্টা ধরে এভারকেয়ার হাসপাতালে তার এই অস্ত্রোপচার হয়। তিনি হাসপাতালের নিউরো আইসিইউতে চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রয়েছেন।
বিএনপির স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক ডা. রফিকূল ইসলাম জানান, প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা মির্জা আব্বাসের স্টোক হয়েছিল। তার ব্রেনের ইনট্রাক্রেনিয়াল প্রেসার বেড়ে গিয়েছিল। এ অবস্থায় বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের নিয়ে গঠিত মেডিকেল বোর্ড সবকিছু পর্যালোচনা করে তার মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্ত নেয়। সেই অনুযায়ী, তার অপারেশন সম্পন্ন হয়েছে।
তিনি আরও জানান, এর আগে সকালে উনার (মির্জা আব্বাস) সিটিস্ক্যান করা হয়েছিল। সেই রিপোর্টে অবস্থার অবনতি দেখা দিলে দ্রুত একটি ভার্চুয়াল মেডিকে
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসের শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিতে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে যান যুবদলের সভাপতি আব্দুল মোনায়েম মুন্না ও সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম নয়ন।
শুক্রবার (১৩ মার্চ) রাতে বসুন্ধরার এই হাসপাতালটিতে যান তারা। মির্জা আব্বাস যুবদলের সাবেক সভাপতি।
শুক্রবার মির্জা আব্বাসের মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচার করা হয়। বিকেল সোয়া ৩টা থেকে রাত ৭টা পর্যন্ত পৌনে চার ঘন্টা ধরে এভারকেয়ার হাসপাতালে তার এই অস্ত্রোপচার হয়। তিনি হাসপাতালের নিউরো আইসিইউতে চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রয়েছেন।
বিএনপির স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক ডা. রফিকূল ইসলাম জানান, প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা মির্জা আব্বাসের স্টোক হয়েছিল। তার ব্রেনের ইনট্রাক্রেনিয়াল প্রেসার বেড়ে গিয়েছিল। এ অবস্থায় বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের নিয়ে গঠিত মেডিকেল বোর্ড সবকিছু পর্যালোচনা করে তার মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্ত নেয়। সেই অনুযায়ী, তার অপারেশন সম্পন্ন হয়েছে।
তিনি আরও জানান, এর আগে সকালে উনার (মির্জা আব্বাস) সিটিস্ক্যান করা হয়েছিল। সেই রিপোর্টে অবস্থার অবনতি দেখা দিলে দ্রুত একটি ভার্চুয়াল মেডিকেল বোর্ড বসে এবং সব কিছু পর্যালোচনা করে এই অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্ত নেয়। এ বিষয়ে পরিবারের সদস্যদের সম্মতিও নেওয়া হয়।