মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃতির অপশক্তি রুখতে হবে : টুকু
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেছেন, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত ইতিহাসকে ভুলিয়ে দেওয়ার জন্য একটি অপশক্তির উত্থান হয়েছে। অথচ বাংলাদেশ কোনো ধর্মীয় রাষ্ট্র হওয়ার জন্য স্বাধীন হয়নি। ধর্মের ভিত্তিতে হওয়া একটি রাষ্ট্রের (পাকিস্তান) সঙ্গে আমাদের হাজার মাইলের ভৌগোলিক দূরত্ব ছাড়াও ভাষা, সংস্কৃতি ও জীবনযাত্রায় কোনো মিল ছিল না। শোষণের হাত থেকে মুক্তি এবং নিজস্ব অস্তিত্ব রক্ষার তাগিদেই আমরা স্বাধীন হয়েছি।
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) দুপুরে সিরাজগঞ্জ শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে আয়োজিত বীর মুক্তিযোদ্ধা সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু আক্ষেপ করে বলেন, দুর্ভাগ্যজনক বিষয় হলো, আজ সেই অপশক্তি যারা স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছিল, তারা মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে সমালোচনা করে। যে মানচিত্র ও পতাকার নিচে দাঁড়িয়ে তারা শিক্ষিত হয়েছেন, আজ টেলিভিশনের টকশোতে বসে তারাই মুক্তিযুদ্ধের অস্তিত্ব ও নাগরিকত্ব নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। এমনকি কিছু বড় বড় ব্যারিস্টারকেও মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করতে দেখা যায়, যা অত্য
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেছেন, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত ইতিহাসকে ভুলিয়ে দেওয়ার জন্য একটি অপশক্তির উত্থান হয়েছে। অথচ বাংলাদেশ কোনো ধর্মীয় রাষ্ট্র হওয়ার জন্য স্বাধীন হয়নি। ধর্মের ভিত্তিতে হওয়া একটি রাষ্ট্রের (পাকিস্তান) সঙ্গে আমাদের হাজার মাইলের ভৌগোলিক দূরত্ব ছাড়াও ভাষা, সংস্কৃতি ও জীবনযাত্রায় কোনো মিল ছিল না। শোষণের হাত থেকে মুক্তি এবং নিজস্ব অস্তিত্ব রক্ষার তাগিদেই আমরা স্বাধীন হয়েছি।
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) দুপুরে সিরাজগঞ্জ শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে আয়োজিত বীর মুক্তিযোদ্ধা সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু আক্ষেপ করে বলেন, দুর্ভাগ্যজনক বিষয় হলো, আজ সেই অপশক্তি যারা স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছিল, তারা মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে সমালোচনা করে। যে মানচিত্র ও পতাকার নিচে দাঁড়িয়ে তারা শিক্ষিত হয়েছেন, আজ টেলিভিশনের টকশোতে বসে তারাই মুক্তিযুদ্ধের অস্তিত্ব ও নাগরিকত্ব নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। এমনকি কিছু বড় বড় ব্যারিস্টারকেও মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করতে দেখা যায়, যা অত্যন্ত বেদনাদায়ক।
তিনি বলেন, কোনো দেশের ষড়যন্ত্রে বাংলাদেশ সৃষ্টি হয়নি; বরং মানুষের আত্মার দাবি এবং নিজেদের অস্তিত্ব ও মাটির টানেই এ দেশের জন্ম। যারা এই সত্য নিয়ে বিতর্ক করে, তারা প্রকৃতপক্ষে বাংলাদেশকে বিশ্বাস করে না।
তিনি আরও বলেন, মুক্তিযুদ্ধ ছিল সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষের নিরন্তর ত্যাগের ফসল। কোনো প্রাপ্তির আশা না করেই তারা যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন, কারণ যুদ্ধ সবসময় নিঃস্বার্থ হয়।
আওয়ামী লীগের সমালোচনা করে ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেন, গত ১৭ বছরে একটি দল মুক্তিযুদ্ধকে নিজেদের একমাত্র সম্পদ হিসেবে দাবি করে একচ্ছত্র শাসন চালিয়েছে। অথচ এটি ছিল একটি ‘জনযুদ্ধ’।
তিনি বলেন, আমি নিজে ভাসানী ন্যাপের হয়ে যুদ্ধ করেছি। লাখো মানুষ দলমত নির্বিশেষে যুদ্ধ করেছে। কিন্তু আওয়ামী লীগ এর মালিকানা কুক্ষিগত করতে চেয়েছে।
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের অবদান স্মরণ করে তিনি বলেন, ১৯৭১ সালের ২৭ মার্চ যখন চারদিকে হতাশা, তখন ট্রানজিস্টারে জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণা মানুষের মাঝে আশার সঞ্চার করেছিল। সেটিই ছিল আমাদের সাহসের কেন্দ্রবিন্দু।
জেলা প্রশাসক মো. আমিনুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে আরও বক্তব্য রাখেন, পুলিশ সুপার মো. সাইফুল ইসলাম সানতু এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা আজিজুর রহমান দুলালসহ স্থানীয় নেতারা।