মুক্তিযুদ্ধে জিয়াউর রহমানের অবদান অনন্য : সিসিক প্রশাসক
মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসে বীর শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন, স্বাধীনতার ইতিহাসে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের অবদান অনন্য ও অবিস্মরণীয়। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সকালে সিলেট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, আজ পুরো জাতি নতুন আঙ্গিকে স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপন করছে। দীর্ঘদিনের লড়াই-সংগ্রামের মধ্য দিয়ে দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এ সময়ে অনেকেই নির্যাতন-নিপীড়নের শিকার হয়েছেন, অনেকে গুম হয়েছেন, অনেককে প্রাণ দিতে হয়েছে। এমনকি শহীদ মিনারে এসে শ্রদ্ধা জানানোর সুযোগও অনেক সময় বাধাগ্রস্ত ছিল। স্বাধীনতার প্রেক্ষাপট তুলে ধরে সিসিক প্রশাসক বলেন, ১৯৭০ সালের নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়া নেতৃত্বের ব্যর্থতার কারণে ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে দেশজুড়ে গণহত্যা চালানো হয়। সেই সংকটময় মুহূর্তে জিয়াউর রহমান মুক্তিযুদ্ধের ঘোষণা দিয়ে জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করেন। আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, শুধু ঘোষণা নয়, জিয়াউর রহমান সরাসরি সম্মুখযুদ্ধে অংশ নেন এবং সিলেট অঞ্
মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসে বীর শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন, স্বাধীনতার ইতিহাসে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের অবদান অনন্য ও অবিস্মরণীয়।
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সকালে সিলেট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, আজ পুরো জাতি নতুন আঙ্গিকে স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপন করছে। দীর্ঘদিনের লড়াই-সংগ্রামের মধ্য দিয়ে দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এ সময়ে অনেকেই নির্যাতন-নিপীড়নের শিকার হয়েছেন, অনেকে গুম হয়েছেন, অনেককে প্রাণ দিতে হয়েছে। এমনকি শহীদ মিনারে এসে শ্রদ্ধা জানানোর সুযোগও অনেক সময় বাধাগ্রস্ত ছিল।
স্বাধীনতার প্রেক্ষাপট তুলে ধরে সিসিক প্রশাসক বলেন, ১৯৭০ সালের নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়া নেতৃত্বের ব্যর্থতার কারণে ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে দেশজুড়ে গণহত্যা চালানো হয়। সেই সংকটময় মুহূর্তে জিয়াউর রহমান মুক্তিযুদ্ধের ঘোষণা দিয়ে জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করেন।
আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, শুধু ঘোষণা নয়, জিয়াউর রহমান সরাসরি সম্মুখযুদ্ধে অংশ নেন এবং সিলেট অঞ্চলে সক্রিয়ভাবে যুদ্ধ পরিচালনা করেন। জকিগঞ্জ-কানাইঘাট এলাকা থেকে শুরু করে এমসি কলেজ পর্যন্ত সম্মুখসমরে অংশ নিয়ে ১৫ ডিসেম্বর সিলেট অঞ্চলকে শত্রুমুক্ত করেন, যা তার গুরুত্বপূর্ণ অবদানের একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।
মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী উন্নয়ন প্রসঙ্গে জেলা বিএনপির সভাপতি বলেন, দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি ও ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় তারেক রহমানের নেতৃত্বে রাজনৈতিক কার্যক্রম এগিয়ে চলছে।
এর আগে, সকালে তিনি সিলেট সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে নিয়ে শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে বীর শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান।
What's Your Reaction?