মুক্তি পেলেন সেই সোনা মিয়া
কক্সবাজারে এক লাখ ৯০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হিসেবে কারাগারে থাকা সোনা মিয়া ওই মামলার আসামি নন- পুলিশের তদন্তে এমন তথ্য পাওয়ার পর তাকে চার শর্তে মুক্তি দিয়েছেন আদালত। শুক্রবার (১৪ আগস্ট) সকাল ১১টার দিকে কক্সবাজার জেলা কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন তিনি। কক্সবাজার জেলা কারাগারের জেলার মো. দেলোয়ার জাহান জানান, কারান্তরিণ সোনা মিয়াকে মুক্তি দিতে কিছু নির্দেশনাসহ আদালতের আদেশ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় কারাগারে আসে। শুক্রবার (১৪ আগস্ট) সকালে সকল আইনী প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে বেলা ১১টার দিকে তাকে মুক্তি দেয়া হয়। জেলার জানান, সবার সহযোগিতায় একজন নিরপরাধ ব্যক্তিকে নিশ্চিত মৃত্যুদণ্ড থেকে বাঁচাতে পারলাম আমরা। সোনামিয়া যখন কারাগারে এলেন, তখন রোলকলে তিনি জানতে চান কি অপরাধে তাকে কারাগারে আনা হয়েছে? তখন তাকে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হিসেবে গ্রেফতারের কথা জানানো হলে তিনি বিস্মিত হন। পরে পুরোনো নথিতে থাকা ছবি, পরিচয় ও অন্যান্য তথ্যের সঙ্গে তার তথ্য মিলিয়ে গরমিল পাওয়া যায়। বিষয়টি আদালতকে জানানো হলে শুরু হয় তদন্ত। এদিকে সোনামিয়াকে মুক্তি দেওয়ার ক্ষেত্রে আদালত চারটি শর্ত দিয়েছেন। এর মধ্য
কক্সবাজারে এক লাখ ৯০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হিসেবে কারাগারে থাকা সোনা মিয়া ওই মামলার আসামি নন- পুলিশের তদন্তে এমন তথ্য পাওয়ার পর তাকে চার শর্তে মুক্তি দিয়েছেন আদালত।
শুক্রবার (১৪ আগস্ট) সকাল ১১টার দিকে কক্সবাজার জেলা কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন তিনি।
কক্সবাজার জেলা কারাগারের জেলার মো. দেলোয়ার জাহান জানান, কারান্তরিণ সোনা মিয়াকে মুক্তি দিতে কিছু নির্দেশনাসহ আদালতের আদেশ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় কারাগারে আসে। শুক্রবার (১৪ আগস্ট) সকালে সকল আইনী প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে বেলা ১১টার দিকে তাকে মুক্তি দেয়া হয়।
জেলার জানান, সবার সহযোগিতায় একজন নিরপরাধ ব্যক্তিকে নিশ্চিত মৃত্যুদণ্ড থেকে বাঁচাতে পারলাম আমরা। সোনামিয়া যখন কারাগারে এলেন, তখন রোলকলে তিনি জানতে চান কি অপরাধে তাকে কারাগারে আনা হয়েছে? তখন তাকে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হিসেবে গ্রেফতারের কথা জানানো হলে তিনি বিস্মিত হন। পরে পুরোনো নথিতে থাকা ছবি, পরিচয় ও অন্যান্য তথ্যের সঙ্গে তার তথ্য মিলিয়ে গরমিল পাওয়া যায়। বিষয়টি আদালতকে জানানো হলে শুরু হয় তদন্ত।
এদিকে সোনামিয়াকে মুক্তি দেওয়ার ক্ষেত্রে আদালত চারটি শর্ত দিয়েছেন। এর মধ্যে রয়েছে—সোনা মিয়াকে তার জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) ও পাসপোর্ট আদালতে জমা দিতে হবে, নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত বিদেশ যেতে পারবেন না এবং প্রতি মাসের প্রথম মঙ্গলবার কক্সবাজার সদর থানায় হাজির হয়ে নিজের অবস্থান নিশ্চিত করতে হবে। এছাড়া প্রতি তিন মাস পর সোনা মিয়ার উপস্থিতি ও অবস্থান সম্পর্কে প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করতে সদর থানাকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের নাজির মো. বেদারুল আলম এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
জানা গেছে, কক্সবাজারে এক লাখ ৯০ হাজার ইয়াবা উদ্ধারের মামলায় ২০২০ সালে গ্রেফতার হওয়া এক ব্যক্তি নিজেকে ‘সোনা মিয়া’ পরিচয় দেন। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে ওই মামলায় পাঁচ আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। তাদের মধ্যে কক্সবাজার পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা সোনা মিয়াও ছিলেন। তবে চলতি বছর মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হিসেবে প্রকৃত সোনা মিয়া গ্রেফতার হয়ে কারাগারে যাওয়ার পর বিষয়টি নতুন মোড় নেয়। তার দেওয়া তথ্য এবং কারা নথি যাচাই করে দেখা যায়, কারাগারে থাকা সোনা মিয়া ওই মামলার সাজাপ্রাপ্ত আসামি নন।
কারা কর্তৃপক্ষ ২০২০ সালে ইয়াবাসহ গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তির ছবি, মায়ের নামসহ বিভিন্ন তথ্যের সঙ্গে বর্তমানে কারাগারে থাকা সোনা মিয়ার তথ্যের অমিল দেখতে পেয়ে বিষয়টি আদালতকে অবহিত করে। এরপর জেলা ও দায়রা জজ বিষয়টি তদন্ত করে প্রতিবেদন দিতে পুলিশ সুপারকে নির্দেশ দেন। আদালতের নির্দেশে কক্সবাজার সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মোহাম্মদ আলী তদন্ত করে প্রতিবেদন দেন, কারাগারে থাকা সোনা মিয়া মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ওই মামলার আসামি নন।
পুলিশের প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২০ সালে ইয়াবাসহ গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তি প্রকৃত সোনা মিয়া নন। তিনি সোনা মিয়ার জন্মনিবন্ধন ব্যবহার করে তার পরিচয় ধারণ করেছিলেন। পরে ওই ব্যক্তি জামিনে বেরিয়ে আত্মগোপনে চলে যান। অন্যদিকে, চলতি বছর ওয়ারেন্টমূলে গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তি প্রকৃত সোনা মিয়া এবং তিনিই তার জন্মনিবন্ধনের বৈধ মালিক। ২০২০ সালে সোনা মিয়ার পরিচয় ব্যবহার করা ব্যক্তির প্রকৃত নাম রমজান। তিনি রোহিঙ্গা নাগরিক।
পুলিশের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, রমজানের সঙ্গে সোনা মিয়ার পরিচয় ও বন্ধুত্ব ছিল। সেই সুযোগে সোনা মিয়ার জন্মনিবন্ধন তার কাছে থেকে যায়। পরে ওই জন্মনিবন্ধন ব্যবহার করে রমজান নিজেকে সোনা মিয়া পরিচয় দেন এবং ইয়াবা উদ্ধারের মামলায় ওই পরিচয়েই গ্রেফতার হন।
আদালত পুলিশের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মামলার তৎকালীন তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের পরিদর্শক মানস বড়ুয়াকে তলব করেন। তিনিও লিখিতভাবে জানান, ২০২০ সালে গ্রেফতার হওয়া সোনা মিয়া পরিচয়দানকারী ব্যক্তি এবং বর্তমানে কারাগারে থাকা সোনা মিয়া একই ব্যক্তি নন। একই মামলায় কারাগারে থাকা অন্য এক সাজাপ্রাপ্ত আসামির জবানবন্দিতেও বিষয়টি উঠে আসে।
পুলিশ ও তদন্ত কর্মকর্তার প্রতিবেদনসহ সংশ্লিষ্ট নথিপত্র পর্যালোচনা এবং উচ্চ আদালতের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে পরামর্শের পর আদালত সিদ্ধান্তে পৌঁছান, কারাগারে থাকা সোনা মিয়া ওই মামলার মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি নন। এরপর তাকে মুক্তির সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়।
জানা গেছে, কক্সবাজারে এক লাখ ৯০ হাজার ইয়াবা উদ্ধারের মামলায় ২০২০ সালে গ্রেফতার হওয়া এক ব্যক্তি নিজেকে ‘সোনা মিয়া’ পরিচয় দেন। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে ওই মামলায় পাঁচ আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। তাদের মধ্যে কক্সবাজার পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা সোনা মিয়াও ছিলেন। তবে চলতি বছর মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হিসেবে প্রকৃত সোনা মিয়া গ্রেফতার হয়ে কারাগারে যাওয়ার পর বিষয়টি নতুন মোড় নেয়। তার দেওয়া তথ্য এবং কারা নথি যাচাই করে দেখা যায়, কারাগারে থাকা সোনা মিয়া ওই মামলার সাজাপ্রাপ্ত আসামি নন।
কারা কর্তৃপক্ষ ২০২০ সালে ইয়াবাসহ গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তির ছবি, মায়ের নামসহ বিভিন্ন তথ্যের সঙ্গে বর্তমানে কারাগারে থাকা সোনা মিয়ার তথ্যের অমিল দেখতে পেয়ে বিষয়টি আদালতকে অবহিত করে। এরপর জেলা ও দায়রা জজ বিষয়টি তদন্ত করে প্রতিবেদন দিতে পুলিশ সুপারকে নির্দেশ দেন। আদালতের নির্দেশে কক্সবাজার সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মোহাম্মদ আলী তদন্ত করে প্রতিবেদন দেন, কারাগারে থাকা সোনা মিয়া মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ওই মামলার আসামি নন।
পুলিশের প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২০ সালে ইয়াবাসহ গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তি প্রকৃত সোনা মিয়া নন। তিনি সোনা মিয়ার জন্মনিবন্ধন ব্যবহার করে তার পরিচয় ধারণ করেছিলেন। পরে ওই ব্যক্তি জামিনে বেরিয়ে আত্মগোপনে চলে যান। অন্যদিকে, চলতি বছর ওয়ারেন্টমূলে গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তি প্রকৃত সোনা মিয়া এবং তিনিই তার জন্মনিবন্ধনের বৈধ মালিক। ২০২০ সালে সোনা মিয়ার পরিচয় ব্যবহার করা ব্যক্তির প্রকৃত নাম রমজান। তিনি রোহিঙ্গা নাগরিক।
পুলিশের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, রমজানের সঙ্গে সোনা মিয়ার পরিচয় ও বন্ধুত্ব ছিল। সেই সুযোগে সোনা মিয়ার জন্মনিবন্ধন তার কাছে থেকে যায়। পরে ওই জন্মনিবন্ধন ব্যবহার করে রমজান নিজেকে সোনা মিয়া পরিচয় দেন এবং ইয়াবা উদ্ধারের মামলায় ওই পরিচয়েই গ্রেফতার হন।
আদালত পুলিশের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মামলার তৎকালীন তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের পরিদর্শক মানস বড়ুয়াকে তলব করেন। তিনিও লিখিতভাবে জানান, ২০২০ সালে গ্রেফতার হওয়া সোনা মিয়া পরিচয়দানকারী ব্যক্তি এবং বর্তমানে কারাগারে থাকা সোনা মিয়া একই ব্যক্তি নন। একই মামলায় কারাগারে থাকা অন্য এক সাজাপ্রাপ্ত আসামির জবানবন্দিতেও বিষয়টি উঠে আসে।
পুলিশ ও তদন্ত কর্মকর্তার প্রতিবেদনসহ সংশ্লিষ্ট নথিপত্র পর্যালোচনা এবং উচ্চ আদালতের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে পরামর্শের পর আদালত সিদ্ধান্তে পৌঁছান, কারাগারে থাকা সোনা মিয়া ওই মামলার মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি নন। এরপর তাকে মুক্তির সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়।
সায়ীদ আলমগীর/কেএইচকে/জেআইএম
What's Your Reaction?