মুঠোফোনে হুমকি পাওয়ার অভিযোগ কোয়াব সভাপতি মিঠুনের
বাংলাদেশ জাতীয় দলের ক্রিকেটার ও ক্রিকেটার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (কোয়াব)-এর সভাপতি মোহাম্মদ মিঠুন মুঠোফোনে হুমকি পাওয়ার অভিযোগ তুলেছেন। দেশি ও বিদেশি কয়েকটি অচেনা নম্বর থেকে ফোনকল এবং হোয়াটসঅ্যাপ বার্তার মাধ্যমে তাকে এসব হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তিনি। মিঠুনের অভিযোগ, ওই নম্বরগুলো থেকে অশালীন ভাষায় গালাগাল করার পাশাপাশি ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে। বার্তাগুলোতে ক্রিকেটারদের ‘দালালি’ করার অভিযোগ তুলে দেশে ‘অস্থিতিশীলতা’ তৈরির দায় চাপানো হচ্ছে। এমনকি ‘আজকের পর কোনো ক্রিকেটার বাংলাদেশের মাটিতে সুস্থভাবে চলাফেরা করতে পারবে না’—এমন ধরনের হুমকিও দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি। এ বিষয়ে জানতে চাইলে মিঠুন হুমকি পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেন দেশের একটি গণমাধ্যমকে। তিনি বলেন, ‘রাত ৯টার পর থেকে হুমকির মাত্রা আরও বেড়েছে। আমরা তো দেশের বিরুদ্ধে কোনো কথা বলিনি। ক্রিকেটার হিসেবে নিজেদের অধিকার নিয়ে কথা বলাই কি অপরাধ? কেন এভাবে ভয় দেখানো হচ্ছে, সেটাই বুঝতে পারছি না।’ আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে কোয়াব সভাপতি জানান, এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো অভিযোগ দায়ের করা হয়নি। তবে পরিস্থিতি বিবেচন
বাংলাদেশ জাতীয় দলের ক্রিকেটার ও ক্রিকেটার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (কোয়াব)-এর সভাপতি মোহাম্মদ মিঠুন মুঠোফোনে হুমকি পাওয়ার অভিযোগ তুলেছেন। দেশি ও বিদেশি কয়েকটি অচেনা নম্বর থেকে ফোনকল এবং হোয়াটসঅ্যাপ বার্তার মাধ্যমে তাকে এসব হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তিনি।
মিঠুনের অভিযোগ, ওই নম্বরগুলো থেকে অশালীন ভাষায় গালাগাল করার পাশাপাশি ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে। বার্তাগুলোতে ক্রিকেটারদের ‘দালালি’ করার অভিযোগ তুলে দেশে ‘অস্থিতিশীলতা’ তৈরির দায় চাপানো হচ্ছে। এমনকি ‘আজকের পর কোনো ক্রিকেটার বাংলাদেশের মাটিতে সুস্থভাবে চলাফেরা করতে পারবে না’—এমন ধরনের হুমকিও দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে মিঠুন হুমকি পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেন দেশের একটি গণমাধ্যমকে। তিনি বলেন, ‘রাত ৯টার পর থেকে হুমকির মাত্রা আরও বেড়েছে। আমরা তো দেশের বিরুদ্ধে কোনো কথা বলিনি। ক্রিকেটার হিসেবে নিজেদের অধিকার নিয়ে কথা বলাই কি অপরাধ? কেন এভাবে ভয় দেখানো হচ্ছে, সেটাই বুঝতে পারছি না।’
আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে কোয়াব সভাপতি জানান, এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো অভিযোগ দায়ের করা হয়নি। তবে পরিস্থিতি বিবেচনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়টি ভাবা হচ্ছে বলে জানান তিনি।
দেশের ক্রিকেট অঙ্গনে চলমান উত্তেজনাকর পরিস্থিতির মধ্যেই এই হুমকির অভিযোগ সামনে এলো। বিসিবি পরিচালক এম নাজমুল ইসলামের ক্রিকেটারদের নিয়ে করা বিতর্কিত মন্তব্যের প্রতিবাদে কোয়াবের নেতৃত্বে বুধবার রাতে তার পদত্যাগের দাবিতে খেলা বয়কটের আলটিমেটাম দেওয়া হয়। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পদত্যাগ না হওয়ায় বৃহস্পতিবার বিপিএলের ম্যাচ বয়কট করেন ক্রিকেটাররা।
এর আগে বিকেলে রাজধানীর একটি হোটেলে সংবাদ সম্মেলন করে নিজেদের দাবিতে অনড় থাকার কথা জানান মিঠুন ও অন্যান্য ক্রিকেটাররা। পরে বিসিবি নাজমুল ইসলামকে অর্থ কমিটির চেয়ারম্যানের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দিলে কোয়াব কিছুটা নমনীয় অবস্থান নেয়। সংগঠনটি জানায়, নাজমুল প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইলে এবং পরিচালক পদ থেকে তাকে সরানোর প্রক্রিয়া আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হলে ক্রিকেটাররা মাঠে ফেরার বিষয়টি বিবেচনা করবেন।
উল্লেখ্য, চলতি বিপিএলে ঢাকা ক্যাপিটালসের অধিনায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন মোহাম্মদ মিঠুন। বর্তমান সংকটকালে বিসিবির সঙ্গে আলোচনায় এবং ক্রিকেটারদের দাবিদাওয়া তুলে ধরার ক্ষেত্রে তিনিই কোয়াবের প্রধান মুখ হিসেবে নেতৃত্ব দিচ্ছেন।
What's Your Reaction?