মুম্বাইয়ে বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশনে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন

যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগম্ভীর পরিবেশে ভারতের মুম্বাইয়ে বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশন প্রাঙ্গণে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন করা হয়েছে। দিবসটি পালনের অংশ হিসেবে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিতকরণ, অস্থায়ী শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ, বাণী পাঠ, বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত, আলোচনাসভা এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সরকারি এক তথ্য বিবরণীতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এতে জানানো হয়, দিবসের শুরুতে মুম্বাইয়ে নিযুক্ত বাংলাদেশের উপ-হাইকমিশনার ফারহানা আহমেদ চৌধুরী জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত করেন। অমর ভাষা সংগীত ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি, আমি কী ভুলিতে পারি’ গানের সঙ্গে অস্থায়ী শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। এরপর ভাষা শহীদদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয় এবং তাদের আত্মার মাগফেরাত কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। এ উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী থেকে পাঠানো বাণী পাঠ করা হয়। আলোচনা সভায় উপ-হাইকমিশনার তার বক্তব্যে বাংলাদেশের ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও জাতীয় মননে মহান ভাষা আন্দোলনের তাৎপর্য ও গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি উল্

মুম্বাইয়ে বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশনে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন

যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগম্ভীর পরিবেশে ভারতের মুম্বাইয়ে বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশন প্রাঙ্গণে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন করা হয়েছে। দিবসটি পালনের অংশ হিসেবে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিতকরণ, অস্থায়ী শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ, বাণী পাঠ, বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত, আলোচনাসভা এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সরকারি এক তথ্য বিবরণীতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে জানানো হয়, দিবসের শুরুতে মুম্বাইয়ে নিযুক্ত বাংলাদেশের উপ-হাইকমিশনার ফারহানা আহমেদ চৌধুরী জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত করেন। অমর ভাষা সংগীত ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি, আমি কী ভুলিতে পারি’ গানের সঙ্গে অস্থায়ী শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। এরপর ভাষা শহীদদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয় এবং তাদের আত্মার মাগফেরাত কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।

এ উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী থেকে পাঠানো বাণী পাঠ করা হয়। আলোচনা সভায় উপ-হাইকমিশনার তার বক্তব্যে বাংলাদেশের ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও জাতীয় মননে মহান ভাষা আন্দোলনের তাৎপর্য ও গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি উল্লেখ করেন, কীভাবে এ জনপদের মানুষ নিজেদের অস্তিত্ব, কৃষ্টি, সংস্কৃতি, স্বকীয়তা ও মর্যাদা রক্ষায় বারবার জীবন উৎসর্গ করেছে।

বক্তারা বাংলাদেশের মহান ভাষা সংগ্রামের ইতিহাস, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য এবং সর্বোপরি বিশ্বব্যাপী সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য উদযাপনের লক্ষ্যে ইউনেস্কো থেকে ১৯৯৯ সালে বাংলাদেশের ভাষা শহীদ দিবসকে ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ হিসেবে ঘোষণার প্রেক্ষাপটের ওপর আলোকপাত করেন।

দিবসটি পালনের শেষ ভাগে উপ-হাইকমিশন প্রাঙ্গণে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে বাংলাসহ বিভিন্ন ভাষায় দেশাত্মবোধক সংগীত ও কবিতা পরিবেশন করা হয়।

এমএএস/এমআইএইচএস/

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow