মুরগির খামারে মিলল ৫ লাখ ইয়াবা
কক্সবাজারের টেকনাফে একটি মুরগির খামার থেকে প্রায় ৫ লাখ পিস ইয়াবা উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় খামারের মালিক নুরুল হোসাইন (৩০) পলাতক রয়েছেন। শুক্রবার (১০ এপ্রিল) দুপুরে গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন টেকনাফ মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সাইফুল ইসলাম। এর আগে বৃহস্পতিবার রাত প্রায় ১১টার দিকে উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের রঙ্গিখালী এলাকায় নুরুল হোসাইনের মুরগির খামার থেকে এসব মাদক উদ্ধার করা হয়। জানা গেছে, বৃহস্পতিবার রাতে টেকনাফ মডেল থানা পুলিশের একটি দল উখিয়া-টেকনাফ সার্কেলের নেতৃত্বে হ্নীলা ইউনিয়নের রঙ্গিখালী ৭ নম্বর ওয়ার্ড এলাকায় অবস্থিত নুরুল হোসাইনের মুরগির খামারে অভিযান চালায়। অভিযানকালে খামারের একটি ছোট কক্ষের ভেতরে কাঠের নিচে লুকানো অবস্থায় দুটি বস্তা উদ্ধার করা হয়। পরে বস্তা দুটি খুলে গণনা করে ৫০টি ইট সদৃশ ইয়াবার প্যাকেট পাওয়া যায়, যার মোট পরিমাণ প্রায় ৫ লাখ পিস। টেকনাফ মডেল থানার ওসি মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, মিয়ানমার থেকে মাদকের একটি বড় চালান দেশে প্রবেশ করেছে। এমন সংবাদের ভিত্তিতেই নুরুল হোসাইনের মুরগির খামারে অভিযান পরিচালনা করা হয়। পরে নুরুল হোসাইনকে পলাতক
কক্সবাজারের টেকনাফে একটি মুরগির খামার থেকে প্রায় ৫ লাখ পিস ইয়াবা উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় খামারের মালিক নুরুল হোসাইন (৩০) পলাতক রয়েছেন।
শুক্রবার (১০ এপ্রিল) দুপুরে গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন টেকনাফ মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সাইফুল ইসলাম। এর আগে বৃহস্পতিবার রাত প্রায় ১১টার দিকে উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের রঙ্গিখালী এলাকায় নুরুল হোসাইনের মুরগির খামার থেকে এসব মাদক উদ্ধার করা হয়।
জানা গেছে, বৃহস্পতিবার রাতে টেকনাফ মডেল থানা পুলিশের একটি দল উখিয়া-টেকনাফ সার্কেলের নেতৃত্বে হ্নীলা ইউনিয়নের রঙ্গিখালী ৭ নম্বর ওয়ার্ড এলাকায় অবস্থিত নুরুল হোসাইনের মুরগির খামারে অভিযান চালায়। অভিযানকালে খামারের একটি ছোট কক্ষের ভেতরে কাঠের নিচে লুকানো অবস্থায় দুটি বস্তা উদ্ধার করা হয়। পরে বস্তা দুটি খুলে গণনা করে ৫০টি ইট সদৃশ ইয়াবার প্যাকেট পাওয়া যায়, যার মোট পরিমাণ প্রায় ৫ লাখ পিস।
টেকনাফ মডেল থানার ওসি মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, মিয়ানমার থেকে মাদকের একটি বড় চালান দেশে প্রবেশ করেছে। এমন সংবাদের ভিত্তিতেই নুরুল হোসাইনের মুরগির খামারে অভিযান পরিচালনা করা হয়। পরে নুরুল হোসাইনকে পলাতক আসামি করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা রুজু করা হয়েছে। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যান্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
What's Your Reaction?