মুসলিম দেশগুলোকে তেহরানের পক্ষে অবস্থান নেওয়ার আহ্বান লারিজানির
ইরানের শীর্ষ নিরাপত্তা কর্মকর্তা মুসলিম দেশগুলোকে তেহরানের পক্ষে অবস্থান নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। সোমবার (১৭ মার্চ) এক বিবৃতিতে ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সচিব আলি লারিজানি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশগুলোকে তাদের অবস্থান পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানানো হচ্ছে। আরবি ভাষায় লেখা এক চিঠিতে বিভিন্ন দেশের নেতাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ইসলামি বিশ্বের ভবিষ্যৎ নিয়ে গভীরভাবে ভাবার সময় এসেছে। লারিজানি বলেন, বর্তমান সংঘাত একদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল, অন্যদিকে প্রতিরোধ শক্তির মধ্যে চলছে। তার মতে, যুক্তরাষ্ট্র কারও প্রতি বিশ্বস্ত নয় এবং ইসরায়েল মুসলিম দেশগুলোর শত্রু। তাই মুসলিম দেশগুলোর নেতাদের কিছু সময় নিয়ে নিজেদের ও পুরো অঞ্চলের ভবিষ্যৎ নিয়ে ভাবার আহ্বান জানান তিনি। তিনি আরও বলেন, ইরান মুসলিম দেশগুলোর প্রতি আন্তরিক এবং তাদের ওপর আধিপত্য বিস্তারের কোনো উদ্দেশ্য নেই। লারিজানির দাবি, ইরান তথাকথিত ‘আমেরিকান-জায়নিস্ট আগ্রাসনের’ শিকার, যার লক্ষ্য দেশটিকে দুর্বল করে দেওয়া। একই সঙ্গে চলমান সংকটের সময় মুসলিম দেশগুলোর সীমিত সমর্থনের বিষয়েও
ইরানের শীর্ষ নিরাপত্তা কর্মকর্তা মুসলিম দেশগুলোকে তেহরানের পক্ষে অবস্থান নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
সোমবার (১৭ মার্চ) এক বিবৃতিতে ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সচিব আলি লারিজানি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশগুলোকে তাদের অবস্থান পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানানো হচ্ছে।
আরবি ভাষায় লেখা এক চিঠিতে বিভিন্ন দেশের নেতাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ইসলামি বিশ্বের ভবিষ্যৎ নিয়ে গভীরভাবে ভাবার সময় এসেছে।
লারিজানি বলেন, বর্তমান সংঘাত একদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল, অন্যদিকে প্রতিরোধ শক্তির মধ্যে চলছে। তার মতে, যুক্তরাষ্ট্র কারও প্রতি বিশ্বস্ত নয় এবং ইসরায়েল মুসলিম দেশগুলোর শত্রু। তাই মুসলিম দেশগুলোর নেতাদের কিছু সময় নিয়ে নিজেদের ও পুরো অঞ্চলের ভবিষ্যৎ নিয়ে ভাবার আহ্বান জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, ইরান মুসলিম দেশগুলোর প্রতি আন্তরিক এবং তাদের ওপর আধিপত্য বিস্তারের কোনো উদ্দেশ্য নেই।
লারিজানির দাবি, ইরান তথাকথিত ‘আমেরিকান-জায়নিস্ট আগ্রাসনের’ শিকার, যার লক্ষ্য দেশটিকে দুর্বল করে দেওয়া। একই সঙ্গে চলমান সংকটের সময় মুসলিম দেশগুলোর সীমিত সমর্থনের বিষয়েও তিনি সমালোচনা করেন।
হামলার মধ্যেও ইরানের জনগণ শক্তিশালী জাতীয় ও ইসলামি প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে বলেও দাবি করেন তিনি।
এই চিঠি এমন সময় প্রকাশিত হলো, যখন সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার এবং বাহরাইনসহ কয়েকটি মুসলিম দেশ তাদের ভূখণ্ডে ইরানের হামলার নিন্দা জানিয়েছে।
অন্যদিকে ইরান বারবার বলেছে, তারা যুক্তরাষ্ট্রের আঞ্চলিক ঘাঁটির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে হামলা অব্যাহত রাখবে।
What's Your Reaction?