মেসেজ লেখার ধরন বলে দেবে আপনি কেমন মানুষ

  ডিজিটাল যুগে মানুষের মনের ভাষা শুধু কথায় নয়, ধরা পড়ে মেসেজ লেখার ধরনেও। কেউ লম্বা করে লেখেন, কেউ ছোট ছোট কথায় ভাব প্রকাশ করেন; কেউ দ্রুত রিপ্লাই দেন, কেউ আবার দেখেও অপেক্ষা করান এই ছোট ছোট আচরণই অনেক সময় ব্যক্তিত্বের ইঙ্গিত দেয়। মনোবিজ্ঞান বলছে, কী লিখলেন তার চেয়েও বেশি গুরুত্বপূর্ণ কীভাবে লিখলেন। অনেকেই কথার শেষে ফুলস্টপ ব্যবহার করেন, আবার কেউ একেবারেই দেন না। যারা নিয়ম মেনে পূর্ণচ্ছেদ ব্যবহার করেন, তারা সাধারণত গুছিয়ে কথা বলতে পছন্দ করেন এবং অনেক সময় একটু সংযত বা গম্ভীর স্বভাবের হন। অন্যদিকে, ভাঙা ভাঙা বাক্য বা অসম্পূর্ণ লাইনে লেখা অনেক সময় তাড়াহুড়া, অস্থিরতা বা স্বাভাবিক স্বতঃস্ফূর্ততার ইঙ্গিত দেয়। তিনটি ডট আবার তিনটি ডট (…) ব্যবহারও বেশ তাৎপর্যপূর্ণ। এটি অনেক সময় অসম্পূর্ণ ভাব, দ্বিধা বা কথার মাঝপথে থেমে যাওয়ার অনুভূতি প্রকাশ করে। কেউ কেউ ইচ্ছাকৃতভাবেই এমনভাবে লেখেন, যাতে কথোপকথনে একটা রহস্য বা আগ্রহ তৈরি থাকে। দ্রুত রিপ্লাই রিপ্লাই দেওয়ার অভ্যাসও মানুষের মন বোঝার একটি বড় সূত্র। যারা খুব দ্রুত উত্তর দেন, তারা সাধারণত আবেগপ্রবণ, সংবেদনশীল বা যোগাযোগে আগ্রহী হয়ে থাকেন। আর যারা দেরি

মেসেজ লেখার ধরন বলে দেবে আপনি কেমন মানুষ

 

ডিজিটাল যুগে মানুষের মনের ভাষা শুধু কথায় নয়, ধরা পড়ে মেসেজ লেখার ধরনেও। কেউ লম্বা করে লেখেন, কেউ ছোট ছোট কথায় ভাব প্রকাশ করেন; কেউ দ্রুত রিপ্লাই দেন, কেউ আবার দেখেও অপেক্ষা করান এই ছোট ছোট আচরণই অনেক সময় ব্যক্তিত্বের ইঙ্গিত দেয়। মনোবিজ্ঞান বলছে, কী লিখলেন তার চেয়েও বেশি গুরুত্বপূর্ণ কীভাবে লিখলেন।

অনেকেই কথার শেষে ফুলস্টপ ব্যবহার করেন, আবার কেউ একেবারেই দেন না। যারা নিয়ম মেনে পূর্ণচ্ছেদ ব্যবহার করেন, তারা সাধারণত গুছিয়ে কথা বলতে পছন্দ করেন এবং অনেক সময় একটু সংযত বা গম্ভীর স্বভাবের হন। অন্যদিকে, ভাঙা ভাঙা বাক্য বা অসম্পূর্ণ লাইনে লেখা অনেক সময় তাড়াহুড়া, অস্থিরতা বা স্বাভাবিক স্বতঃস্ফূর্ততার ইঙ্গিত দেয়।

তিনটি ডট

আবার তিনটি ডট (…) ব্যবহারও বেশ তাৎপর্যপূর্ণ। এটি অনেক সময় অসম্পূর্ণ ভাব, দ্বিধা বা কথার মাঝপথে থেমে যাওয়ার অনুভূতি প্রকাশ করে। কেউ কেউ ইচ্ছাকৃতভাবেই এমনভাবে লেখেন, যাতে কথোপকথনে একটা রহস্য বা আগ্রহ তৈরি থাকে।

দ্রুত রিপ্লাই

রিপ্লাই দেওয়ার অভ্যাসও মানুষের মন বোঝার একটি বড় সূত্র। যারা খুব দ্রুত উত্তর দেন, তারা সাধারণত আবেগপ্রবণ, সংবেদনশীল বা যোগাযোগে আগ্রহী হয়ে থাকেন। আর যারা দেরি করেন, তারা হয়তো ব্যস্ত, নির্লিপ্ত বা নিজের সময় নিয়ে চলতে পছন্দ করেন। তবে এটি সব সময় একরকম নয় কথোপকথনের গুরুত্ব ও সম্পর্কের গভীরতার ওপরও নির্ভর করে।

বড় হাতের অক্ষর

লেখার সময় ব্যাকরণ ও বড় হাতের অক্ষরের ব্যবহারও গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত দেয়। স্বচ্ছন্দ সম্পর্কের ক্ষেত্রে মানুষ সাধারণত নিয়মকানুন না মেনে ছোট হাতের অক্ষরে বা এলোমেলোভাবে লিখে থাকে। কিন্তু রাগ, উত্তেজনা বা জোর দিয়ে কিছু বোঝাতে গেলে হঠাৎ করেই বড় হাতের অক্ষর, সঠিক বানান ও যতিচিহ্নের ব্যবহার বেড়ে যায়।

কেএসকে

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow