মেহেন্দিগঞ্জ হাসপাতালে তালা, স্বাস্থ্য কর্মকর্তাকে ফোন করে ক্ষোভ প্রতিমন্ত্রীর

দায়িত্ব পালন করতে না চাইলে চলে যান। হয় কাজ করবেন, না হয় চলে যাবেন। আমাদের বিব্রত করে লাভ নেই-এমনটাই হুঁশিয়ারি দিয়েছেন নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী রাজীব আহসান। তিনি বলেন, "আমি গত তিন মাসে সাত থেকে আটবার হাসপাতালে এসেছি। কিন্তু একদিনও আপনাকে কর্মস্থলে পাইনি"।  শনিবার (১৩ জুন) নিজ নির্বাচনী এলাকা বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আকস্মিক পরিদর্শনে গিয়ে চিকিৎসকদের অনুপস্থিতি, হাসপাতালের মূল ফটক তালাবদ্ধ থাকা এবং হাজিরা খাতায় বিভিন্ন অসঙ্গতি দেখে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি। একইসঙ্গে মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. এমরানুর রহমানকে মোবাইল ফোনে হুঁশিয়ারি দেন তিনি। জানা যায়, পরিদর্শনের সময় হাসপাতালের মূল ফটক বন্ধ দেখতে পান প্রতিমন্ত্রী। পরে ভেতরে প্রবেশ করে দায়িত্বরত চিকিৎসকদের একটি বড় অংশকে কর্মস্থলে অনুপস্থিত অবস্থায় দেখতে পান। এ সময় তিনি চিকিৎসকদের হাজিরা রেজিস্টার পর্যালোচনা করেন। পর্যালোচনায় স্বাক্ষর ও উপস্থিতি সংক্রান্ত বিভিন্ন অসঙ্গতি ও অনিয়ম ধরা পড়ে। এক পর্যায়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. এমরানুর রহমানকে কর্মস্থলে না পেয়ে মোবাইল

মেহেন্দিগঞ্জ হাসপাতালে তালা, স্বাস্থ্য কর্মকর্তাকে ফোন করে ক্ষোভ প্রতিমন্ত্রীর

দায়িত্ব পালন করতে না চাইলে চলে যান। হয় কাজ করবেন, না হয় চলে যাবেন। আমাদের বিব্রত করে লাভ নেই-এমনটাই হুঁশিয়ারি দিয়েছেন নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী রাজীব আহসান।

তিনি বলেন, "আমি গত তিন মাসে সাত থেকে আটবার হাসপাতালে এসেছি। কিন্তু একদিনও আপনাকে কর্মস্থলে পাইনি"। 

শনিবার (১৩ জুন) নিজ নির্বাচনী এলাকা বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আকস্মিক পরিদর্শনে গিয়ে চিকিৎসকদের অনুপস্থিতি, হাসপাতালের মূল ফটক তালাবদ্ধ থাকা এবং হাজিরা খাতায় বিভিন্ন অসঙ্গতি দেখে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি। একইসঙ্গে মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. এমরানুর রহমানকে মোবাইল ফোনে হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

জানা যায়, পরিদর্শনের সময় হাসপাতালের মূল ফটক বন্ধ দেখতে পান প্রতিমন্ত্রী। পরে ভেতরে প্রবেশ করে দায়িত্বরত চিকিৎসকদের একটি বড় অংশকে কর্মস্থলে অনুপস্থিত অবস্থায় দেখতে পান। এ সময় তিনি চিকিৎসকদের হাজিরা রেজিস্টার পর্যালোচনা করেন। পর্যালোচনায় স্বাক্ষর ও উপস্থিতি সংক্রান্ত বিভিন্ন অসঙ্গতি ও অনিয়ম ধরা পড়ে।

এক পর্যায়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. এমরানুর রহমানকে কর্মস্থলে না পেয়ে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করেন প্রতিমন্ত্রী। হাসপাতালের সার্বিক পরিস্থিতিতে অসন্তোষ প্রকাশ করে তিনি দায়িত্ব পালনে অবহেলার বিষয়ে কঠোর সতর্কবার্তা দেন।

এ সময় চিকিৎসাসেবায় অবহেলা কোনোভাবেই সহ্য করা হবে না উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, হাসপাতালের প্রশাসনিক অব্যবস্থাপনা দূর করতে আগামী মঙ্গলবার সকালে একটি জরুরি পর্যালোচনা সভা আহ্বান করার নির্দেশ দেন।

জানা যায়, হাসপাতাল পরিদর্শনের সময় রোগী ও তাদের স্বজনরা চিকিৎসকদের অনুপস্থিতি, সেবার মানহীনতা এবং বিভিন্ন ধরনের ভোগান্তির অভিযোগ করেন। এসব অভিযোগ শুনে প্রতিমন্ত্রী দ্রুততম সময়ের মধ্যে হাসপাতালের সার্বিক পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং জবাবদিহি নিশ্চিত করার আশ্বাস দেন।

তিনি বলেন, জনগণের স্বাস্থ্যসেবা নিয়ে কোনো ধরনের অবহেলা সহ্য করা হবে না। দায়িত্ব পালনে গাফিলতির প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এসময় পরিদর্শনকালে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, রাজনৈতিক নেতাকর্মী, হাসপাতালের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও সাধারণ রোগীরা উপস্থিত ছিলেন।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow