মেহেরপুরে চোর সন্দেহে গণপিটুনি, যুবক নিহত
মেহেরপুরের গাংনীতে চোর সন্দেহে গণপিটুনিতে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার (২ জুন) ভোরে উপজেলার বামুন্দী বাজারে এ ঘটনা ঘটে। মৃত্যুর আগে তার বাড়ি পাবনা বলে জানালেও এখনও পরিচয় নিশ্চিত করতে পারেনি পুলিশ। স্থানীয়রা জানান, বামুন্দী বাজারের তুষার টায়ার হাউজে অজ্ঞাত ৫-৬ জন হানা দেয়। এসময় তারা ঘর থেকে টায়ার বের করে সড়কে থাকা পিকআপে তুলছিল। দোকান মালিক টের পেয়ে চিৎকার দিলে আশপাশের লোকজন হাজির হয়। এসময় কয়েকজন পালিয়ে গেলেও ধরা পড়ে অজ্ঞাত ওই যুবক। পরে তাকে বেঁধে বেধড়ক মারপিঠ করে গুরুতর অবস্থায় দোকানের পাশে ফেলে রাখা হয়। এক পর্যায়ে তিনি মারা যান। মৃত্যুর আগে ওই যুবক বাঁধা ছিল। গুরুতর আহত অবস্থায় তার কথা বের হচ্ছিল না। সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এক ভিডিওতে দেখা যায়- বেঁধে রেখে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করছেন উৎসুক জনতা। জিজ্ঞাসাবাদে সে স্বীকার করে তারা ৫/৬ জন পাবনা সদর থেকে পিকআপযোগে চুরি করতে বামুন্দি এসেছিল। গাংনী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) উত্তম কুমার দাস বলেন, তদন্তের পাশাপাশি নিহতের পরিচয় নিশ্চিতের চেষ্টা চলছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হবে বলেও জানান তিনি। আসিফ
মেহেরপুরের গাংনীতে চোর সন্দেহে গণপিটুনিতে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে।
মঙ্গলবার (২ জুন) ভোরে উপজেলার বামুন্দী বাজারে এ ঘটনা ঘটে। মৃত্যুর আগে তার বাড়ি পাবনা বলে জানালেও এখনও পরিচয় নিশ্চিত করতে পারেনি পুলিশ।
স্থানীয়রা জানান, বামুন্দী বাজারের তুষার টায়ার হাউজে অজ্ঞাত ৫-৬ জন হানা দেয়। এসময় তারা ঘর থেকে টায়ার বের করে সড়কে থাকা পিকআপে তুলছিল। দোকান মালিক টের পেয়ে চিৎকার দিলে আশপাশের লোকজন হাজির হয়। এসময় কয়েকজন পালিয়ে গেলেও ধরা পড়ে অজ্ঞাত ওই যুবক। পরে তাকে বেঁধে বেধড়ক মারপিঠ করে গুরুতর অবস্থায় দোকানের পাশে ফেলে রাখা হয়। এক পর্যায়ে তিনি মারা যান। মৃত্যুর আগে ওই যুবক বাঁধা ছিল। গুরুতর আহত অবস্থায় তার কথা বের হচ্ছিল না।
সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এক ভিডিওতে দেখা যায়- বেঁধে রেখে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করছেন উৎসুক জনতা। জিজ্ঞাসাবাদে সে স্বীকার করে তারা ৫/৬ জন পাবনা সদর থেকে পিকআপযোগে চুরি করতে বামুন্দি এসেছিল।
গাংনী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) উত্তম কুমার দাস বলেন, তদন্তের পাশাপাশি নিহতের পরিচয় নিশ্চিতের চেষ্টা চলছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হবে বলেও জানান তিনি।
আসিফ ইকবাল/এএইচ/এমএস
What's Your Reaction?