মেহেরপুরে শিশু ধর্ষণ মামলায় একজনের যাবজ্জীবন
মেহেরপুরে ১১ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের দায়ে দাউদ আলী নামে এক ব্যক্তিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে এক লাখ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। রোববার (৩ মে) দুপুরে মেহেরপুর শিশু সহিংসতা ট্রাইবুনালের বিচারক মো. তাজুল ইসলাম এই রায় দেন। দণ্ডপ্রাপ্ত দাউদ আলী মেহেরপুর শহরের কাছেদ আলীর ছেলে। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মোস্তাফিজুর রহমান তুহিন রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। মামলার এজহার সূত্রে জানা যায়, ১০১৮ সালের ১৮ জুন শিশুটি পার্শ্ববর্তী চাচার বাড়িতে ঘুমানোর জন্য রাত ১০টার সময় বাড়ি থেকে রওনা দেয়। পথিমধ্যে শিশুটিকে একা পেয়ে দাউদ আলী নানা প্রলোভন দেখিয়ে তার বাড়িতে নিয়ে যায়। একপর্যায়ে শিশুটিকে ধর্ষণ করে। শিশুটি চাচার বাড়িতে পৌঁছিয়েছে কিনা পরিবার থেকে রাতেই খবর নেওয়া হয়। কিন্তু তারপর থেকেই তার আর কোনো সন্ধান মেলে না। পরে অনেক খোঁজাখুঁজির পর পরদিন সকাল ৭টার দিকে অসুস্থ অবস্থায় শিশুটি দাউদের বাড়িতে সন্ধান পাওয়া যায়। তার শারীরিক অবস্থা খারাপ দেখে স্বজনরা জিজ্ঞাসাবাদ করে। এক পর্যায়ে শিশুটি বলে তাকে দাউদ আলী বাড়িতে নিয়ে গিয়ে তাকে ধর্ষণ করেছে। এ ঘটনায় ওই বছরের ১৯ জুন
মেহেরপুরে ১১ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের দায়ে দাউদ আলী নামে এক ব্যক্তিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে এক লাখ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
রোববার (৩ মে) দুপুরে মেহেরপুর শিশু সহিংসতা ট্রাইবুনালের বিচারক মো. তাজুল ইসলাম এই রায় দেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত দাউদ আলী মেহেরপুর শহরের কাছেদ আলীর ছেলে। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মোস্তাফিজুর রহমান তুহিন রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মামলার এজহার সূত্রে জানা যায়, ১০১৮ সালের ১৮ জুন শিশুটি পার্শ্ববর্তী চাচার বাড়িতে ঘুমানোর জন্য রাত ১০টার সময় বাড়ি থেকে রওনা দেয়। পথিমধ্যে শিশুটিকে একা পেয়ে দাউদ আলী নানা প্রলোভন দেখিয়ে তার বাড়িতে নিয়ে যায়। একপর্যায়ে শিশুটিকে ধর্ষণ করে। শিশুটি চাচার বাড়িতে পৌঁছিয়েছে কিনা পরিবার থেকে রাতেই খবর নেওয়া হয়। কিন্তু তারপর থেকেই তার আর কোনো সন্ধান মেলে না।
পরে অনেক খোঁজাখুঁজির পর পরদিন সকাল ৭টার দিকে অসুস্থ অবস্থায় শিশুটি দাউদের বাড়িতে সন্ধান পাওয়া যায়। তার শারীরিক অবস্থা খারাপ দেখে স্বজনরা জিজ্ঞাসাবাদ করে। এক পর্যায়ে শিশুটি বলে তাকে দাউদ আলী বাড়িতে নিয়ে গিয়ে তাকে ধর্ষণ করেছে।
এ ঘটনায় ওই বছরের ১৯ জুন শিশুটির বাবা মেহেরপুর সদর থানায় মামলা দায়ের করেন। পুলিশ তদন্ত শেষে ১৩ আগস্ট দাউদকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট জমা দেয়। মোট ১১ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আদালত আজ এই চূড়ান্ত রায় প্রদান করেন।
আসিফ ইকবাল/কেএইচকে/এমএস
What's Your Reaction?