মোবাইল ফোন কিনে না দেওয়ায় তরুণীর আত্মহত্যা
নাটোরের বাগাতিপাড়ায় মোবাইল ফোন কিনে না দেওয়ায় মায়ের সঙ্গে অভিমান করে জিনিয়া সুলতানা জুই (২০) নামে এক তরুণী আত্মহত্যা করেছেন।
বৃহস্পতিবার (৭ মে) বিকেলে উপজেলার দয়ারামপুর ইউনিয়নের ডুমরাই সামজানপাড়া গ্রামের বাড়ি থেকে ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
নিহত জিনিয়া সুলতানা জুই ওই গ্রামের মো. জহুরুল ইসলাম ও মোছা. বীনা খাতুনের মেয়ে।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার দুপুরে খাওয়াদাওয়া শেষে জিনিয়া নিজ ঘরে অবস্থান করছিলেন। এ সময় তার মা পাশের ঘরে বিশ্রাম নিচ্ছিলেন। বিকেল আনুমানিক ৫টার দিকে বাড়ির মূল গেটের সিলিংয়ের ওপর রাখা রসুন আনতে গিয়ে তিনি ঘরের কাঠের তীরের সঙ্গে ওড়না পেঁচানো অবস্থায় মেয়েকে ঝুলতে দেখেন। পরে তার চিৎকারে স্থানীয়রা ছুটে এসে মরদেহ নিচে নামান।
খবর পেয়ে বাগাতিপাড়া মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে।
প্রাথমিকভাবে আত্মহত্যার সুনির্দিষ্ট কারণ জানা না গেলেও পরিবারের ধারণা, মোবাইল ফোন কিনে না দেওয়াকে কেন্দ্র করে মায়ের প্রতি অভিমান থেকেই এ ঘটনা ঘটতে পারে।
বাগাতিপাড়া মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আব্দুল হান্নান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, খবর পেয়ে তিনি সঙ্গী
নাটোরের বাগাতিপাড়ায় মোবাইল ফোন কিনে না দেওয়ায় মায়ের সঙ্গে অভিমান করে জিনিয়া সুলতানা জুই (২০) নামে এক তরুণী আত্মহত্যা করেছেন।
বৃহস্পতিবার (৭ মে) বিকেলে উপজেলার দয়ারামপুর ইউনিয়নের ডুমরাই সামজানপাড়া গ্রামের বাড়ি থেকে ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
নিহত জিনিয়া সুলতানা জুই ওই গ্রামের মো. জহুরুল ইসলাম ও মোছা. বীনা খাতুনের মেয়ে।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার দুপুরে খাওয়াদাওয়া শেষে জিনিয়া নিজ ঘরে অবস্থান করছিলেন। এ সময় তার মা পাশের ঘরে বিশ্রাম নিচ্ছিলেন। বিকেল আনুমানিক ৫টার দিকে বাড়ির মূল গেটের সিলিংয়ের ওপর রাখা রসুন আনতে গিয়ে তিনি ঘরের কাঠের তীরের সঙ্গে ওড়না পেঁচানো অবস্থায় মেয়েকে ঝুলতে দেখেন। পরে তার চিৎকারে স্থানীয়রা ছুটে এসে মরদেহ নিচে নামান।
খবর পেয়ে বাগাতিপাড়া মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে।
প্রাথমিকভাবে আত্মহত্যার সুনির্দিষ্ট কারণ জানা না গেলেও পরিবারের ধারণা, মোবাইল ফোন কিনে না দেওয়াকে কেন্দ্র করে মায়ের প্রতি অভিমান থেকেই এ ঘটনা ঘটতে পারে।
বাগাতিপাড়া মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আব্দুল হান্নান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, খবর পেয়ে তিনি সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে যান এবং মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করা হয়। পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ না থাকায় বিনা ময়নাতদন্তে মরদেহ দাফনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়েছে।