ভুটানের গিলেফু সিটিতে দক্ষ জনবল পাঠাতে ও বিনিয়োগে আগ্রহী বাংলাদেশ
ভুটানের গিলেফু মাইন্ডফুলনেস সিটিতে (জিএমসি) বাংলাদেশি দক্ষ জনবল নিয়োগ এবং বিনিয়োগের সম্ভাবনা নিয়ে দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতা জোরদারে আগ্রহ প্রকাশ করেছে ঢাকা। একই সঙ্গে এই উদ্ভাবনী অর্থনৈতিক উদ্যোগে অংশগ্রহণের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে বাংলাদেশ। সোমবার (৪ মে) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন ভুটানের গিলেফু মাইন্ডফুলনেস সিটির আন্তর্জাতিক বিষয়াবলির প্রধান অ্যাম্বাসেডর জোনাথন টো। সাক্ষাতে তিনি ভুটানের রাজা জিগমে খেসার নামগিয়েল ওয়াংচুকের দূরদর্শী পরিকল্পনায় গড়ে ওঠা জিএমসি উদ্যোগের বিস্তারিত তুলে ধরেন। তিনি জানান, ‘ওয়ান কান্ট্রি, টু সিস্টেমস’ ধারণার ভিত্তিতে গড়ে ওঠা এই প্রকল্পটি একটি টেকসই, আধুনিক এবং প্রণোদনামূলক ব্যবসায়িক পরিবেশ তৈরির লক্ষ্য নিয়ে এগোচ্ছে। ভবিষ্যতে যা একটি গুরুত্বপূর্ণ আঞ্চলিক অর্থনৈতিক হাবে পরিণত হতে পারে। আরও পড়ুনপশ্চিমবঙ্গে সরকার বদল হলেও বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্কে প্রভাব পড়বে না পশ্চিমবঙ্গে গেরুয়া উত্থান: বাংলাদেশের জন্য সুযোগ, না নতুন চাপ? সোমবার রাতে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায
ভুটানের গিলেফু মাইন্ডফুলনেস সিটিতে (জিএমসি) বাংলাদেশি দক্ষ জনবল নিয়োগ এবং বিনিয়োগের সম্ভাবনা নিয়ে দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতা জোরদারে আগ্রহ প্রকাশ করেছে ঢাকা। একই সঙ্গে এই উদ্ভাবনী অর্থনৈতিক উদ্যোগে অংশগ্রহণের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে বাংলাদেশ।
সোমবার (৪ মে) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন ভুটানের গিলেফু মাইন্ডফুলনেস সিটির আন্তর্জাতিক বিষয়াবলির প্রধান অ্যাম্বাসেডর জোনাথন টো। সাক্ষাতে তিনি ভুটানের রাজা জিগমে খেসার নামগিয়েল ওয়াংচুকের দূরদর্শী পরিকল্পনায় গড়ে ওঠা জিএমসি উদ্যোগের বিস্তারিত তুলে ধরেন।
তিনি জানান, ‘ওয়ান কান্ট্রি, টু সিস্টেমস’ ধারণার ভিত্তিতে গড়ে ওঠা এই প্রকল্পটি একটি টেকসই, আধুনিক এবং প্রণোদনামূলক ব্যবসায়িক পরিবেশ তৈরির লক্ষ্য নিয়ে এগোচ্ছে। ভবিষ্যতে যা একটি গুরুত্বপূর্ণ আঞ্চলিক অর্থনৈতিক হাবে পরিণত হতে পারে।
আরও পড়ুন
পশ্চিমবঙ্গে সরকার বদল হলেও বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্কে প্রভাব পড়বে না
পশ্চিমবঙ্গে গেরুয়া উত্থান: বাংলাদেশের জন্য সুযোগ, না নতুন চাপ?
সোমবার রাতে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, সাক্ষাতে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ভুটানের রাজার দূরদর্শী নেতৃত্বের প্রশংসা করেন এবং জিএমসির সামগ্রিক উন্নয়ন ধারণাকে ইতিবাচক হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, এই ধরনের উদ্যোগ আঞ্চলিক অর্থনৈতিক সহযোগিতাকে আরও গতিশীল করতে পারে।
বাংলাদেশের পক্ষ থেকে জিএমসি উদ্যোগে অংশগ্রহণের আগ্রহ প্রকাশ করা হয়। পাশাপাশি দক্ষ জনবল প্রেরণ এবং সম্ভাব্য বিনিয়োগের ক্ষেত্র নিয়েও দুই পক্ষ প্রাথমিক আলোচনা করে। উভয় পক্ষ ভবিষ্যতে এই বিষয়ে আরও বিস্তারিত ও বাস্তবসম্মত সহযোগিতার রূপরেখা তৈরির বিষয়ে একমত হয়।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বাংলাদেশ ও ভুটানের মধ্যে উদ্ভাবনী এই উদ্যোগে সহযোগিতার সম্ভাবনা খতিয়ে দেখা হবে।
জেপিআই/কেএসআর
What's Your Reaction?