মোমিন মেহেদী-শান্তা ফারজানাসহ ৬ জন আদালতের হাজতখানায়

নতুন ধারা বাংলাদেশের চেয়ারম্যান মোমিন মেহেদী, জ্যেষ্ঠ ভাইস চেয়ারম্যান শান্তা ফারজানা ও দলটির আরও চার নেতাকে আদালতে পাঠিয়েছে পুলিশ। রাজধানীর শাহবাগ থানায় দায়ের করা মামলায় গ্রেফতারের পর তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে। বুধবার (৫ আগস্ট) দুপুরে আদালত সূত্রে জানা গেছে, তাদের আদালতের হাজতখানায় রাখা হয়েছে। তবে তাদের বিরুদ্ধে পুলিশ কী ধরনের আবেদন করেছে, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিক জানা যায়নি। আদালতে পাঠানো অন্যরা হলেন- দলের ভাইস চেয়ারম্যান ডা. নুরজাহান নীরা, যুগ্ম মহাসচিব মনির জামান, সাংগঠনিক সম্পাদক আতাপ মণ্ডল ও হরিদাস সরকার। আরও পড়ুন নতুন ধারা বাংলাদেশের মোমিন মেহেদী ও শান্তা ফারজানাসহ গ্রেফতার ৬ রমনা বিভাগের রমনা জোনের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি) রব্বানী হোসেন জানান, মঙ্গলবার রাতে বাবুল সরকার নামের এক ব্যক্তি শাহবাগ থানায় মামলা দায়ের করেন। সেই মামলায় ছয়জনকে গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে। মামলার এজাহারে ছয়জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতপরিচয় আরও ৫০-৬০ জনকে আসামি করা হয়েছে। অভিযোগে বলা হয়, জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে সরকারবিরোধী কর্মসূচির সময় উসকানিমূলক স্লোগান ও মিছিলের মাধ্যমে বিশৃঙ্খলা সৃষ

মোমিন মেহেদী-শান্তা ফারজানাসহ ৬ জন আদালতের হাজতখানায়

নতুন ধারা বাংলাদেশের চেয়ারম্যান মোমিন মেহেদী, জ্যেষ্ঠ ভাইস চেয়ারম্যান শান্তা ফারজানা ও দলটির আরও চার নেতাকে আদালতে পাঠিয়েছে পুলিশ। রাজধানীর শাহবাগ থানায় দায়ের করা মামলায় গ্রেফতারের পর তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।

বুধবার (৫ আগস্ট) দুপুরে আদালত সূত্রে জানা গেছে, তাদের আদালতের হাজতখানায় রাখা হয়েছে। তবে তাদের বিরুদ্ধে পুলিশ কী ধরনের আবেদন করেছে, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিক জানা যায়নি।

আদালতে পাঠানো অন্যরা হলেন- দলের ভাইস চেয়ারম্যান ডা. নুরজাহান নীরা, যুগ্ম মহাসচিব মনির জামান, সাংগঠনিক সম্পাদক আতাপ মণ্ডল ও হরিদাস সরকার।

রমনা বিভাগের রমনা জোনের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি) রব্বানী হোসেন জানান, মঙ্গলবার রাতে বাবুল সরকার নামের এক ব্যক্তি শাহবাগ থানায় মামলা দায়ের করেন। সেই মামলায় ছয়জনকে গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

মামলার এজাহারে ছয়জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতপরিচয় আরও ৫০-৬০ জনকে আসামি করা হয়েছে। অভিযোগে বলা হয়, জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে সরকারবিরোধী কর্মসূচির সময় উসকানিমূলক স্লোগান ও মিছিলের মাধ্যমে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা হয়। প্রতিবাদ করতে গেলে বাদী বাবুল সরকার, এসডিএফের সদস্য সচিব আল নুর মোহাম্মদ আয়াস ও জুলাই আন্দোলনের কয়েকজনের ওপর হামলা চালানো হয়। এতে আয়াসসহ কয়েকজন আহত হন। গুরুতর আহত আয়াসকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, এ মামলার অন্য আসামিদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে অভিযান চলছে।

এর আগে মঙ্গলবার রাতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে কয়েক ঘণ্টার উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির পর অতিরিক্ত পুলিশি নিরাপত্তার মধ্যে শান্তা ফারজানাসহ ছয়জনকে হাসপাতাল থেকে হেফাজতে নিয়ে শাহবাগ থানায় নেওয়া হয়। পরে তাদের আদালতে সোপর্দ করা হয়।  

এমডিএএ/কেএসআর

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow