মৌলভীবাজারে দায়ের কোপে নারীর পা বিচ্ছিন্ন
মৌলভীবাজারের জুড়ীতে জমিসংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে দুই নারীর মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় একজনের দায়ের কোপে অপর নারীর একটি পা বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। শনিবার (২৫ জুলাই) উপজেলার কচুরগুল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পা বিচ্ছিন্ন হওয়া ওই নারী একই গ্রামের দুবাই প্রবাসী ছলিম উদ্দিনের স্ত্রী। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জায়গাসংক্রান্ত বিরোধের জেরে রোজি বেগম ও হালিমা নামে ওই দুই নারীর মধ্যে কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে মারামারি শুরু হয়। এ সময় রোজি বেগম দা দিয়ে হালিমা বেগমকে কোপ দিলে তার একটি পা বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। গুরুতর আহত হালিমাকে স্বজনরা উদ্ধার করে প্রথমে জুড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। স্থানীয় সূত্র জানায়, দীর্ঘদিন ধরে তাদের মধ্যে জমি নিয়ে বিরোধ চলছিল। সেই বিরোধের জের ধরেই এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জুড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সমরজিৎ সিংহ জানান, গুরুতর আহত ওই রোগীকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেটে রেফার করা হয়েছে। জুড়ী
মৌলভীবাজারের জুড়ীতে জমিসংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে দুই নারীর মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় একজনের দায়ের কোপে অপর নারীর একটি পা বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। শনিবার (২৫ জুলাই) উপজেলার কচুরগুল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
পা বিচ্ছিন্ন হওয়া ওই নারী একই গ্রামের দুবাই প্রবাসী ছলিম উদ্দিনের স্ত্রী।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জায়গাসংক্রান্ত বিরোধের জেরে রোজি বেগম ও হালিমা নামে ওই দুই নারীর মধ্যে কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে মারামারি শুরু হয়। এ সময় রোজি বেগম দা দিয়ে হালিমা বেগমকে কোপ দিলে তার একটি পা বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। গুরুতর আহত হালিমাকে স্বজনরা উদ্ধার করে প্রথমে জুড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
স্থানীয় সূত্র জানায়, দীর্ঘদিন ধরে তাদের মধ্যে জমি নিয়ে বিরোধ চলছিল। সেই বিরোধের জের ধরেই এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জুড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সমরজিৎ সিংহ জানান, গুরুতর আহত ওই রোগীকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেটে রেফার করা হয়েছে।
জুড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, এ বিষয়ে অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
What's Your Reaction?