মৌলভীবাজার সীমান্তে ১০ বাংলাদেশিকে পুশইনের চেষ্টা, স্থানীয়দের দাবি ভিন্ন
মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলার কচুরগুল-লাঠিটিলা সীমান্ত দিয়ে বিএসএফ ১০ বাংলাদেশিকে পুশইনের চেষ্টা করেছে। তবে এ ঘটনায় বিজিবির বক্তব্যের সঙ্গে স্থানীয়দের তথ্যের মিল পাওয়া যায়নি। বিজিবির দাবি, কঠোর অবস্থানের মুখে তারা বাংলাদেশে ঢুকতে না পেরে ভারতে ফিরে যায়। কিন্তু স্থানীয়দের অভিযোগ, দিনভর আটকে রাখার পর রাতে তাদের বড়লেখা সীমান্ত দিয়ে ভারতে ফেরত পাঠানো হয়েছে। স্থানীয়রা জানান, বৃহস্পতিবার ভোরে সীমান্ত এলাকায় নারী, পুরুষ ও শিশুসহ ১০ জনকে দেখতে পেয়ে বিজিবিকে খবর দেওয়া হয়। বিজিবি তাদের পরিচয় যাচাই করে স্বজনদের কাছ থেকে জাতীয় পরিচয়পত্রসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংগ্রহ করে। এরপর দিনভর স্থানীয় একটি বাড়িতে রাখা হয়। সরেজমিনে দেখা যায়, রাতে সিএনজি অটোরিকশায় করে বিজিবি সদস্যরা তাদের নিয়ে বের হন। শিলুয়া এলাকায় সাংবাদিকদের উপস্থিতি টের পেয়ে ফিরে গেলেও পরে বড়লেখা সীমান্তের দিকে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর বিজিবি জানায়, তাদের ভারতে ফেরত পাঠানো হয়েছে। তবে এ দাবির পক্ষে কোনো ছবি বা ভিডিও প্রকাশ করা হয়নি। অন্যদিকে, ৫২ বিজিবির সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বিএসএফ দুই পুরুষ, সাত নারী ও এক শিশুকে বাংলাদেশে প্রবেশ করানোর চেষ্টা
মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলার কচুরগুল-লাঠিটিলা সীমান্ত দিয়ে বিএসএফ ১০ বাংলাদেশিকে পুশইনের চেষ্টা করেছে। তবে এ ঘটনায় বিজিবির বক্তব্যের সঙ্গে স্থানীয়দের তথ্যের মিল পাওয়া যায়নি। বিজিবির দাবি, কঠোর অবস্থানের মুখে তারা বাংলাদেশে ঢুকতে না পেরে ভারতে ফিরে যায়। কিন্তু স্থানীয়দের অভিযোগ, দিনভর আটকে রাখার পর রাতে তাদের বড়লেখা সীমান্ত দিয়ে ভারতে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, বৃহস্পতিবার ভোরে সীমান্ত এলাকায় নারী, পুরুষ ও শিশুসহ ১০ জনকে দেখতে পেয়ে বিজিবিকে খবর দেওয়া হয়। বিজিবি তাদের পরিচয় যাচাই করে স্বজনদের কাছ থেকে জাতীয় পরিচয়পত্রসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংগ্রহ করে। এরপর দিনভর স্থানীয় একটি বাড়িতে রাখা হয়।
সরেজমিনে দেখা যায়, রাতে সিএনজি অটোরিকশায় করে বিজিবি সদস্যরা তাদের নিয়ে বের হন। শিলুয়া এলাকায় সাংবাদিকদের উপস্থিতি টের পেয়ে ফিরে গেলেও পরে বড়লেখা সীমান্তের দিকে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর বিজিবি জানায়, তাদের ভারতে ফেরত পাঠানো হয়েছে। তবে এ দাবির পক্ষে কোনো ছবি বা ভিডিও প্রকাশ করা হয়নি।
অন্যদিকে, ৫২ বিজিবির সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বিএসএফ দুই পুরুষ, সাত নারী ও এক শিশুকে বাংলাদেশে প্রবেশ করানোর চেষ্টা করেছিল। কিন্তু বিজিবির বাধার মুখে তারা ভারতীয় ভূখণ্ডে ফিরে যেতে বাধ্য হয়।
বিয়ানীবাজার ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আতাউর রহমান বলেন, বিজিবির বাধার মুখে তারা ভারতীয় ভূখণ্ডে ফিরে গেছে। সীমান্তে অবৈধ অনুপ্রবেশ ঠেকাতে আমরা জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছি।
পুশইনের শিকার ব্যক্তিরা জানান, তাদের বাড়ি নড়াইল ও সাতক্ষীরায়। তারা দীর্ঘদিন ভারতে বসবাস করছিলেন। ভারতীয় পুলিশের হাতে আটক হওয়ার পর বিএসএফ তাদের কচুরগুল সীমান্তে নিয়ে আসে।
এ ঘটনায় তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে স্থানীয় সাংবাদিক খোরশেদ আলম হেনস্তার অভিযোগ তুলেছেন। তার দাবি, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট মুছে ফেলতে চাপ দেওয়া হয়। পরে তাকে না পেয়ে তার ছোট ভাইকে লাঠিটিলা বিজিবি ক্যাম্পে নিয়ে যাওয়া হয়। তবে এ অভিযোগের বিষয়ে বিজিবির কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
What's Your Reaction?