ময়মনসিংহে শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যা: ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড
ময়মনসিংহের ধোবাউড়ায় শিশুকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় তিন আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে তাদের প্রত্যেককে দুই লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। মামলার অপ্রাপ্তবয়স্ক এক আসামিকে ১১ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) দুপুরে সংশ্লিষ্ট আদালত বহুল আলোচিত এ মামলার রায় ঘোষণা করেন। রায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন আরিফ, রাকিব ও সিয়াম। এছাড়া অপ্রাপ্তবয়স্ক আসামি মারুফের বয়স বিবেচনায় তাকে ১১ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। মামলার বিবরণে জানা যায়, গত ১৪ জুন বিকেলে ধোবাউড়া উপজেলার একটি এলাকায় শিশুকে অপহরণের পর সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণ করা হয়। পরে অপরাধের আলামত গোপন করতে তাকে নদীতে ফেলে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। পরদিন ১৫ জুন নিহত শিশুর বাবা বাদী হয়ে ধোবাউড়া থানায় একটি মামলা করেন। ঘটনার পরপরই পুলিশ তদন্ত শুরু করে। তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহ, আলামত বিশ্লেষণ এবং অভিযান চালিয়ে চার আসামিকে গ্রেফতার করা হয়। দ্রুত তদন্ত শেষে ঘটনার মাত্র নয় দিনের মাথায়, গত ২৩ জুন চার আসামির বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করে পুলিশ। মামলাটি গুরুত্বের সঙ্গে বিচারিক ক
ময়মনসিংহের ধোবাউড়ায় শিশুকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় তিন আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে তাদের প্রত্যেককে দুই লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। মামলার অপ্রাপ্তবয়স্ক এক আসামিকে ১১ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) দুপুরে সংশ্লিষ্ট আদালত বহুল আলোচিত এ মামলার রায় ঘোষণা করেন।
রায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন আরিফ, রাকিব ও সিয়াম। এছাড়া অপ্রাপ্তবয়স্ক আসামি মারুফের বয়স বিবেচনায় তাকে ১১ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
মামলার বিবরণে জানা যায়, গত ১৪ জুন বিকেলে ধোবাউড়া উপজেলার একটি এলাকায় শিশুকে অপহরণের পর সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণ করা হয়। পরে অপরাধের আলামত গোপন করতে তাকে নদীতে ফেলে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।
পরদিন ১৫ জুন নিহত শিশুর বাবা বাদী হয়ে ধোবাউড়া থানায় একটি মামলা করেন। ঘটনার পরপরই পুলিশ তদন্ত শুরু করে। তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহ, আলামত বিশ্লেষণ এবং অভিযান চালিয়ে চার আসামিকে গ্রেফতার করা হয়। দ্রুত তদন্ত শেষে ঘটনার মাত্র নয় দিনের মাথায়, গত ২৩ জুন চার আসামির বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করে পুলিশ।
মামলাটি গুরুত্বের সঙ্গে বিচারিক কার্যক্রম পরিচালনা শেষে বৃহস্পতিবার আদালত এ রায় ঘোষণা করেন। আদালতের রায়ে তিন আসামির মৃত্যুদণ্ড এবং জরিমানার পাশাপাশি অপ্রাপ্তবয়স্ক আসামির ক্ষেত্রে প্রচলিত আইনের বিধান অনুযায়ী পৃথক সাজা দেওয়া হয়।
রায় ঘোষণার পর নিহত শিশুর স্বজনরা সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, ‘এ রায়ের মাধ্যমে তারা ন্যায়বিচার পেয়েছেন। একই সঙ্গে তারা দ্রুত রায় কার্যকর হওয়ার কথা জানান। এতে সমাজে নারী ও শিশু নির্যাতনের মতো জঘন্য অপরাধ প্রবণতা কমবে বলে আশা প্রকাশ করেন।’
স্থানীয় বাসিন্দারাও আদালতের এ রায়কে স্বাগত জানিয়েছেন। তাদের মতে, এ ধরনের অপরাধের দ্রুত বিচার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ভবিষ্যতে সম্ভাব্য অপরাধীদের জন্য কঠোর বার্তা হিসেবে কাজ করবে এবং নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেও ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।
হোসাইন সুলভ/কেজে/এএসএম
What's Your Reaction?