যমুনার ভাঙনে বিলীন স্কুলসহ ২০ বসতবাড়ি
যমুনার তীব্র ভাঙনে নিঃস্ব হয়ে যাচ্ছে সিরাজগঞ্জের চৌহালী উপজেলার নদীপারের মানুষ। শনিবার (২৫ জুলাই) উপজেলার খাসকাউলিয়া ইউনিয়নের পশ্চিম জোতপাড়া এলাকায় এক রাতের ভাঙনে নদীতে বিলীন হয়েছে অন্তত ২০টি বসতবাড়ি ও দুটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান৷ আর আবাদি জমি হারিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন অর্ধশতাধিক কৃষক। নদীতে পানি কমতে শুরু করলেও কমেনি যমুনার স্রোত। বরং ভাঙনের তীব্রতা বেড়ে যাওয়ায় নদীপারের মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। আর পানি কমতেই ভেসে উঠছে ক্ষয়-ক্ষতির চিত্র। সিরাজগঞ্জ পাউবো সূত্র জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় যমুনা নদীর হার্ড পয়েন্ট এলাকায় পানি বিপৎসীমার ৬৪ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হয়ে ৫ সেন্টিমিটার কমেছে। অপরদিকে কাজীপুর মেঘাই পয়েন্টে বিপৎসীমার ১০৭ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হয়ে ১০ সেন্টিমিটার কমেছে। আরও পড়ুন বরিশালে নদীগর্ভে বিলীন বাড়িসহ ২০ প্রতিষ্ঠান চৌহালীর জোতপাড়া এলাকা ঘুরে দেখা যায়, যমুনার তীরের বড় অংশ ধসে পড়ছে। অনেক বাড়ির আঙিনা ও স্থাপনা ইতোমধ্যে নদীগর্ভে চলে গেছে। কোথাও কোথাও ভাঙন বসতঘরের কয়েক হাত দূরে চলে এসেছে। ফলে অনেকে ঘরবাড়ি ভেঙে টিন, কাঠ ও অন্যান্য সামগ্রী নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিচ্
যমুনার তীব্র ভাঙনে নিঃস্ব হয়ে যাচ্ছে সিরাজগঞ্জের চৌহালী উপজেলার নদীপারের মানুষ। শনিবার (২৫ জুলাই) উপজেলার খাসকাউলিয়া ইউনিয়নের পশ্চিম জোতপাড়া এলাকায় এক রাতের ভাঙনে নদীতে বিলীন হয়েছে অন্তত ২০টি বসতবাড়ি ও দুটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান৷ আর আবাদি জমি হারিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন অর্ধশতাধিক কৃষক।
নদীতে পানি কমতে শুরু করলেও কমেনি যমুনার স্রোত। বরং ভাঙনের তীব্রতা বেড়ে যাওয়ায় নদীপারের মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। আর পানি কমতেই ভেসে উঠছে ক্ষয়-ক্ষতির চিত্র।
সিরাজগঞ্জ পাউবো সূত্র জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় যমুনা নদীর হার্ড পয়েন্ট এলাকায় পানি বিপৎসীমার ৬৪ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হয়ে ৫ সেন্টিমিটার কমেছে। অপরদিকে কাজীপুর মেঘাই পয়েন্টে বিপৎসীমার ১০৭ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হয়ে ১০ সেন্টিমিটার কমেছে।
চৌহালীর জোতপাড়া এলাকা ঘুরে দেখা যায়, যমুনার তীরের বড় অংশ ধসে পড়ছে। অনেক বাড়ির আঙিনা ও স্থাপনা ইতোমধ্যে নদীগর্ভে চলে গেছে। কোথাও কোথাও ভাঙন বসতঘরের কয়েক হাত দূরে চলে এসেছে। ফলে অনেকে ঘরবাড়ি ভেঙে টিন, কাঠ ও অন্যান্য সামগ্রী নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিচ্ছেন। কেউ কেউ গৃহস্থালির মালামাল নিয়ে আশ্রয়ের সন্ধান করছেন।
নদী ভাঙন পরিদর্শনে প্রশাসন/ ছবি: জাগো নিউজ
ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্তরা বলছেন, চোখের সামনে বসতভিটা নদীতে চলে গেল। সারাজীবনের সঞ্চয় একমুহূর্তে শেষ হয়ে গেছে। এখন পরিবার নিয়ে কোথায় থাকব জানি না। ভিটেমাটি হারিয়ে আমরা অসহায় হয়ে পড়েছি। দ্রুত সরকারি সহায়তা না পেলে পরিবার নিয়ে চরম দুর্ভোগে পড়তে হবে। যমুনা ঘরবাড়ি ও কৃষিজমি সবকিছু কেড়ে নিয়েছে। এখন তারা সন্তানদের ভবিষ্যৎ নিয়েও দুশ্চিন্তায় রয়েছেন।
স্থানীয় আপন সেখ বলেন, ভাঙনের পরিস্থিতি অত্যন্ত উদ্বেগজনক। শনিবার রাতেই পশ্চিম জোতপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, জনতা উচ্চ বিদ্যালয় ও ২০টি বসতবাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। বিষয়টি উপজেলা প্রশাসন ও পানি উন্নয়ন বোর্ডকে জানানো হয়েছিল। তারা দুপুরে পরিদর্শন করেছেন।
চৌহালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নূরুল আমিন বলেন, নদী ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পাউবোর কর্মকর্তাদের নিয়ে আজ পরিদর্শন করেছি। তাদের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর জন্য সরকারি সহায়তাও নিশ্চিত করা হবে।
এম এ মালেক/এসজেডএইচ/এএসএম
What's Your Reaction?

