যমুনা সেতু সংস্কার-প্রশস্তকরণে ২৭৮ কোটি টাকার ব্যয় অনুমোদন

বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের আওতাধীন যমুনা সেতুর ডেক সংস্কার, প্রশস্তকরণ ও শক্তিশালীকরণের লক্ষ্যে প্রায় ২৭৮ কোটি টাকা ব্যয় করার অনুমোদন দিয়েছে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি। সেই সঙ্গে যমুনা নদীতীর সংরক্ষণে প্রায় ২৩৯ কোটি টাকা ব্যয়ের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এই অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের আওতাধীন যমুনা সেতু সংস্কার ও ডেক-সড়ক প্রশস্তকরণের লক্ষ্যে ‘যমুনা সেতুর ডেক সংস্কার, প্রশস্তকরণ ও শক্তিশালীকরণ এবং ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে পরিত্যক্ত রেল লেনের উপযোগী ব্যবহারের জন্য সংশ্লিষ্ট কাজ’ সংক্রান্ত প্রকল্পের আওতায় সেতুর ডেক সংস্কারসহ পরিত্যক্ত রেল লেনকে কার্যকরভাবে ব্যবহারের উদ্যোগ নেওয়া হবে। প্রকল্পটি বাস্তবায়নে ব্যয় ধরা হয়েছে ২৭৮ কোটি ২৬ লাখ ৪১ হাজার ৪৬৩ টাকা, যা বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের নিজস্ব তহবিল থেকে ব্যয় করা হবে। এ প্রকল্পের কাজের জন্য সুপারিশকৃত দরদাতা হিসেবে চীনের চায়না কমিউনিকেশনস কনস্ট্রাকশন কোম্পানি লিমিটেড এবং চায়না র

যমুনা সেতু সংস্কার-প্রশস্তকরণে ২৭৮ কোটি টাকার ব্যয় অনুমোদন

বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের আওতাধীন যমুনা সেতুর ডেক সংস্কার, প্রশস্তকরণ ও শক্তিশালীকরণের লক্ষ্যে প্রায় ২৭৮ কোটি টাকা ব্যয় করার অনুমোদন দিয়েছে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি। সেই সঙ্গে যমুনা নদীতীর সংরক্ষণে প্রায় ২৩৯ কোটি টাকা ব্যয়ের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এই অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের আওতাধীন যমুনা সেতু সংস্কার ও ডেক-সড়ক প্রশস্তকরণের লক্ষ্যে ‘যমুনা সেতুর ডেক সংস্কার, প্রশস্তকরণ ও শক্তিশালীকরণ এবং ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে পরিত্যক্ত রেল লেনের উপযোগী ব্যবহারের জন্য সংশ্লিষ্ট কাজ’ সংক্রান্ত প্রকল্পের আওতায় সেতুর ডেক সংস্কারসহ পরিত্যক্ত রেল লেনকে কার্যকরভাবে ব্যবহারের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

প্রকল্পটি বাস্তবায়নে ব্যয় ধরা হয়েছে ২৭৮ কোটি ২৬ লাখ ৪১ হাজার ৪৬৩ টাকা, যা বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের নিজস্ব তহবিল থেকে ব্যয় করা হবে।

এ প্রকল্পের কাজের জন্য সুপারিশকৃত দরদাতা হিসেবে চীনের চায়না কমিউনিকেশনস কনস্ট্রাকশন কোম্পানি লিমিটেড এবং চায়না রোড অ্যান্ড ব্রিজ করপোরেশনের যৌথ উদ্যোগ নির্বাচিত হয়েছে।

এদিকে বৈঠকে আরেক প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে যমুনা নদীর তীর সংরক্ষণ ও নদী শাসন কার্যক্রম জোরদারে ২৩৯ কোটি ৮৬ লাখ ৩৫ হাজার ৭৭৭ টাকা ব্যয়ের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। বিশ্বব্যাংক ও সরকারের যৌথ অর্থায়নে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড বাস্তবায়নাধীন ‘যমুনা নদী টেকসই ব্যবস্থাপনা প্রকল্প-১: নদীতীর সংরক্ষণ ও নদী শাসন (কম্পোনেন্ট-১)’ এর আওতায় এ কাজটি বাস্তবায়িত হবে।

প্রকল্পের অধীনে গাইবান্ধার ফুলছড়ি এলাকায় যমুনা নদীর ডান তীরে পারমিয়েবল ও টপ-ব্লকড পারমিয়েবল গ্রোয়েন নির্মাণ এবং নদীতীর সংরক্ষণ কাজ করা হবে। এতে একাধিক সারিতে মোট পাঁচটি গ্রোয়েন নির্মাণের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট নদীতীর সুরক্ষা কার্যক্রম অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

প্রকল্পের কাজের জন্য সুপারিশকৃত দরদাতা হিসেবে এম. এম. বিল্ডার্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ার্স লিমিটেডকে নির্বাচন করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির কার্যালয় ঢাকার গুলশান এলাকায় অবস্থিত।

এমএএস/এমএমকে

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow