যশোরের নওয়াপাড়ায় ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা

যশোরের অভয়নগরের নওয়াপাড়ায় পূর্ব বিরোধের জের ধরে আনিছুর রহমান (৫৫) নামে এক ব্যবসায়ীকে হত্যা করেছে দূর্বৃত্বরা। বুধবার (৬ মে) সন্ধ্যায় এ ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় এলাকায় চরম উত্তেজনা ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। নিহত আনিছুর সাতক্ষীরা জেলার কলারোয়া উপজেলার মৃত আব্দুল মজিদের ছেলে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে একজন প্রতিষ্ঠিত ব্যাবসায়ী হিসাবে পরিচিত ছিলেন। স্থানীয়রা জানায়, নওয়াপাড়া পীর বাড়ি এলাকার শাহ জুনায়েদের ছেলে শাহ মাহমুদ আনিছ প্লাজায় একটি বাসা ভাড়া নিতে চাইলে আনিছুর রহমান তাকে বাসা ভাড়া দিতে অস্বীকৃতি জানালে উভয়ের মধ্যে কয়েকদিন ধরে মনোমালিন্য চলছিল। ঘটনার দিন সন্ধ্যায় বিষয়টি নিয়ে আবারও কথা কাটাকাটি হলে শাহ মাহমুদ তার সাথে থাকা চাইনিজ কুড়াল দিয়ে আনিছুর রহমানের মাথা ও মুখে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে পালিয়ে যায়। হামলায় গুরুতর জখম আনিছুর রহমানকে রক্তাক্ত অবস্থায় স্থানীয়রা উদ্ধার করে অভয়নগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসকরা উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। খুলনায় অবস্থার আরও অবনতি হওয়ায় কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাকে ঢাকায় নেওয়ার পরামর্শ দেন। অ্যাম্বুল্যান্

যশোরের নওয়াপাড়ায় ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা

যশোরের অভয়নগরের নওয়াপাড়ায় পূর্ব বিরোধের জের ধরে আনিছুর রহমান (৫৫) নামে এক ব্যবসায়ীকে হত্যা করেছে দূর্বৃত্বরা। বুধবার (৬ মে) সন্ধ্যায় এ ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় এলাকায় চরম উত্তেজনা ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

নিহত আনিছুর সাতক্ষীরা জেলার কলারোয়া উপজেলার মৃত আব্দুল মজিদের ছেলে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে একজন প্রতিষ্ঠিত ব্যাবসায়ী হিসাবে পরিচিত ছিলেন।

স্থানীয়রা জানায়, নওয়াপাড়া পীর বাড়ি এলাকার শাহ জুনায়েদের ছেলে শাহ মাহমুদ আনিছ প্লাজায় একটি বাসা ভাড়া নিতে চাইলে আনিছুর রহমান তাকে বাসা ভাড়া দিতে অস্বীকৃতি জানালে উভয়ের মধ্যে কয়েকদিন ধরে মনোমালিন্য চলছিল। ঘটনার দিন সন্ধ্যায় বিষয়টি নিয়ে আবারও কথা কাটাকাটি হলে শাহ মাহমুদ তার সাথে থাকা চাইনিজ কুড়াল দিয়ে আনিছুর রহমানের মাথা ও মুখে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে পালিয়ে যায়। হামলায় গুরুতর জখম আনিছুর রহমানকে রক্তাক্ত অবস্থায় স্থানীয়রা উদ্ধার করে অভয়নগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।

সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসকরা উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। খুলনায় অবস্থার আরও অবনতি হওয়ায় কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাকে ঢাকায় নেওয়ার পরামর্শ দেন। অ্যাম্বুল্যান্সে ঢাকায় নেওয়ার পথে বৃহস্পতিবার (৭ মে) রাত আড়াইটার দিকে তার মৃত্যু হয়।

এই হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদ ও বিচার দাবিতে নওয়াপাড়া নৌবন্দরের সকল ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নওয়াপাড়া বাজার ব্যবসায়ী সমিতি।

এ বিষয়ে অভয়নগর থানার ওসি (তদন্ত) মো. জাহিদুল ইসলাম জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য যশোর জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত শাহ মাহমুদ পলাতক রয়েছে। তাকে গ্রেফতারে পুলিশের একাধিক দল অভিযান শুরু করেছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow