যাত্রী চাপে নাজেহাল চাঁদপুর লঞ্চঘাট, সতর্ক বিআইডব্লিউটিএ
পবিত্র ঈদুল ফিতরের ছুটি শেষে প্রথম কর্মদিবস আজ মঙ্গলবার। তাই প্রিয়জনদের সঙ্গে ঈদের ছুটি কাটিয়ে ঢাকায় ফিরতে শুরু করেছেন নাড়ির টানে বাড়ি যাওয়া মানুষজন। চাঁদপুর লঞ্চঘাটে স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে অনেকটাই বেড়েছে যাত্রীর সংখ্যা। আগামী কয়েকদিন যাত্রীচাপ আরও বাড়ার আশঙ্কায় সতর্ক বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)।
মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) দুপুরে সরেজমিনে লঞ্চঘাটে এ চিত্র দেখা যায়।
ঘাটসূত্র জানায়, মঙ্গলবার দুপুরের মধ্যে ঢাকার উদ্দেশে ৭টি ও নারায়ণগঞ্জগামী ৮টি লঞ্চ ছেড়ে গেছে। যাত্রীর চাপ সামলাতে স্পেশাল লঞ্চেরও ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
ঢাকাগামী এক যাত্রী বলেন, ঈদের ছুটি শেষ। তাই এখন কর্মস্থলে ফিরতে হচ্ছে। আর আরামদায়ক ও নিরাপদ যাত্রা হিসেবেই লঞ্চকে বেছে নিয়েছি। এবার পকেটমার বা মলম পার্টির কোনো বিষয় ছিল না। এছাড়া ভাড়াও বেশি নেওয়া হয়নি। তাই অনেকটা নিশ্চিন্তে যাত্রা করছি, এটাই ভালো লাগছে।
চাঁদপুর বিআইডব্লিউটিএ এর উপপরিচালক (ট্রাফিক) বাবু লাল বৈদ্য বলেন, মঙ্গলবার থেকে যাত্রীচাপ বেড়েছে। অনেকে স্বাধীনতা দিবসের ছুটি কাটিয়ে ফিরবে। এ কয়দিন যাত্রী আরও বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তাই নৌ-পুলিশ, কোস্টগার্ড
পবিত্র ঈদুল ফিতরের ছুটি শেষে প্রথম কর্মদিবস আজ মঙ্গলবার। তাই প্রিয়জনদের সঙ্গে ঈদের ছুটি কাটিয়ে ঢাকায় ফিরতে শুরু করেছেন নাড়ির টানে বাড়ি যাওয়া মানুষজন। চাঁদপুর লঞ্চঘাটে স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে অনেকটাই বেড়েছে যাত্রীর সংখ্যা। আগামী কয়েকদিন যাত্রীচাপ আরও বাড়ার আশঙ্কায় সতর্ক বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)।
মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) দুপুরে সরেজমিনে লঞ্চঘাটে এ চিত্র দেখা যায়।
ঘাটসূত্র জানায়, মঙ্গলবার দুপুরের মধ্যে ঢাকার উদ্দেশে ৭টি ও নারায়ণগঞ্জগামী ৮টি লঞ্চ ছেড়ে গেছে। যাত্রীর চাপ সামলাতে স্পেশাল লঞ্চেরও ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
ঢাকাগামী এক যাত্রী বলেন, ঈদের ছুটি শেষ। তাই এখন কর্মস্থলে ফিরতে হচ্ছে। আর আরামদায়ক ও নিরাপদ যাত্রা হিসেবেই লঞ্চকে বেছে নিয়েছি। এবার পকেটমার বা মলম পার্টির কোনো বিষয় ছিল না। এছাড়া ভাড়াও বেশি নেওয়া হয়নি। তাই অনেকটা নিশ্চিন্তে যাত্রা করছি, এটাই ভালো লাগছে।
চাঁদপুর বিআইডব্লিউটিএ এর উপপরিচালক (ট্রাফিক) বাবু লাল বৈদ্য বলেন, মঙ্গলবার থেকে যাত্রীচাপ বেড়েছে। অনেকে স্বাধীনতা দিবসের ছুটি কাটিয়ে ফিরবে। এ কয়দিন যাত্রী আরও বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তাই নৌ-পুলিশ, কোস্টগার্ড, ফায়ার সার্ভিসসহ সংশ্লিষ্টরা যাত্রী চাপ সামলাতে সতর্ক রয়েছেন।
তিনি বলেন, তাড়াহুড়ো করে লঞ্চে উঠা ও অতিরিক্ত যাত্রী বহন না করা- এসব বিষয়গুলো দারুণভাবে পর্যবেক্ষণ করছি। সবাই যাতে নিরাপদে গন্তব্যে লঞ্চযাত্রা করতে পারে সেদিকে সর্বোচ্চ নজরদারি রাখা হচ্ছে।