যারা পাঁচটা ছবিও করেনি তারাও দুই-তিনজন বডিগার্ড নিয়ে ঘোরে : বাপ্পারাজ
বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির আসন্ন নির্বাচন সামনে রেখে শিল্পীদের মধ্যে ঐক্য বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছেন চিত্রনায়ক বাপ্পারাজ। একইসঙ্গে চলচ্চিত্র অঙ্গনে ব্যক্তিগত দেহরক্ষী নিয়ে চলাফেরার প্রবণতা নিয়েও তিনি খোলামেলা মন্তব্য করেন। সম্প্রতি এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, শিল্পীদের নিরাপত্তা নিয়ে অতীতে তেমন কোনো প্রয়োজন ছিল না। তবে সাম্প্রতিকসময়ে কিছু নিরাপত্তা ব্যবস্থা দেখা গেলেও, অনেক সময় এটি ব্যক্তিগত শক্তিমত্তা প্রদর্শনের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি। বাপ্পারাজ বলেন, ‘আমাদের শিল্পীদের আসলে বডিগার্ড নিয়ে ঘোরার দরকার নেই। আমরা কখনোই বডিগার্ড নিয়ে চলি না। কিন্তু যারা পাঁচটা ছবিও করেনি, যাদের তেমন কোনো ক্রেজ নেই, তারাও দু-তিনজন বডিগার্ড নিয়ে ঘোরে।’ তিনি আরও বলেন, আসন্ন শিল্পী সমিতির নির্বাচনে তিনি সভাপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। নির্বাচন কেন্দ্র করে সুস্থ ও আনন্দমুখর পরিবেশ বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি। শিল্পীদের ঐক্যের আহ্বান জানিয়ে বাপ্পারাজ বলেন, ‘আমরা সবাই একটি পরিবারের মতো। কোনো বিভেদ চাই না। কেউ কারও বিরুদ্ধে কটু কথা বলবে না। এটাই আমাদে
বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির আসন্ন নির্বাচন সামনে রেখে শিল্পীদের মধ্যে ঐক্য বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছেন চিত্রনায়ক বাপ্পারাজ। একইসঙ্গে চলচ্চিত্র অঙ্গনে ব্যক্তিগত দেহরক্ষী নিয়ে চলাফেরার প্রবণতা নিয়েও তিনি খোলামেলা মন্তব্য করেন।
সম্প্রতি এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, শিল্পীদের নিরাপত্তা নিয়ে অতীতে তেমন কোনো প্রয়োজন ছিল না। তবে সাম্প্রতিকসময়ে কিছু নিরাপত্তা ব্যবস্থা দেখা গেলেও, অনেক সময় এটি ব্যক্তিগত শক্তিমত্তা প্রদর্শনের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
বাপ্পারাজ বলেন, ‘আমাদের শিল্পীদের আসলে বডিগার্ড নিয়ে ঘোরার দরকার নেই। আমরা কখনোই বডিগার্ড নিয়ে চলি না। কিন্তু যারা পাঁচটা ছবিও করেনি, যাদের তেমন কোনো ক্রেজ নেই, তারাও দু-তিনজন বডিগার্ড নিয়ে ঘোরে।’
তিনি আরও বলেন, আসন্ন শিল্পী সমিতির নির্বাচনে তিনি সভাপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। নির্বাচন কেন্দ্র করে সুস্থ ও আনন্দমুখর পরিবেশ বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
শিল্পীদের ঐক্যের আহ্বান জানিয়ে বাপ্পারাজ বলেন, ‘আমরা সবাই একটি পরিবারের মতো। কোনো বিভেদ চাই না। কেউ কারও বিরুদ্ধে কটু কথা বলবে না। এটাই আমাদের প্রত্যাশা।’
অতীতের বিতর্ক এড়িয়ে যাওয়ার অবস্থান জানিয়ে তিনি বলেন, যা হয়ে গেছে তা নিয়ে আর কথা বলতে চাই না। ভবিষ্যতে শিল্পী সমিতির কার্যক্রম আরও স্বচ্ছ ও বাস্তবমুখী করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি।
তিনি আরও জানান, নির্বাচনে জয়ী হলে প্রথমে সংগঠনের ভেতরের বাস্তব সমস্যাগুলো খতিয়ে দেখা হবে, এরপর প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
বাপ্পারাজ বলেন, অতীতে অনেক প্রতিশ্রুতি দেওয়া হলেও তার বাস্তবায়ন কম হয়েছে। তাই এখন তিনি আগাম কোনো প্রতিশ্রুতি না দিয়ে কাজের মাধ্যমে পরিবর্তন আনতে চান।
এলআইএ
What's Your Reaction?