যাহের আলভীর জামিন ফের নামঞ্জুর

স্ত্রীর মৃত্যুর ঘটনায় দায়ের করা মামলায় ছোট পর্দার অভিনেতা নিয়ামত উল্লাহ ভূঁইয়া ওরফে যাহের আলভীর জামিন আবেদন আবারও নামঞ্জুর করেছেন আদালত। সোমবার (৬ জুলাই) ঢাকা মহানগর দায়রা জজ শাহজাহান কবির শুনানি শেষে তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী হারুন অর রশীদ। আদালতে আসামির পক্ষে জামিনের আবেদন উপস্থাপন করেন আইনজীবী শেখ রোবায়েত ইসলাম। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী হারুন অর রশীদ জামিনের বিরোধিতা করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন। আরও পড়ুন স্ত্রীর ‘আত্মহত্যা’ মামলায় আত্মসমর্পণ করলেন জাহের আলভী এর আগে ১৮ জুন আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেছিলেন যাহের আলভী। সেদিনও আদালত আবেদন নাকচ করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। পরবর্তীতে ২১ জুন তাকে ১০ দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করে তদন্ত সংস্থা। ২৪ জুন শুনানি শেষে আদালত দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। রিমান্ড শেষে ৩০ জুন তাকে পুনরায় কারাগারে পাঠানো হয়। এর আগে ৪ জুন একই মামলায় আলভীর মা নাসরিন সুলতানা আদালতে আত্মসমর্পণ করলে তিনি জামিন লাভ করেন। আরও পড়ুন দুই হাজার টাকা হাতে বি

যাহের আলভীর জামিন ফের নামঞ্জুর

স্ত্রীর মৃত্যুর ঘটনায় দায়ের করা মামলায় ছোট পর্দার অভিনেতা নিয়ামত উল্লাহ ভূঁইয়া ওরফে যাহের আলভীর জামিন আবেদন আবারও নামঞ্জুর করেছেন আদালত।

সোমবার (৬ জুলাই) ঢাকা মহানগর দায়রা জজ শাহজাহান কবির শুনানি শেষে তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী হারুন অর রশীদ।

আদালতে আসামির পক্ষে জামিনের আবেদন উপস্থাপন করেন আইনজীবী শেখ রোবায়েত ইসলাম। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী হারুন অর রশীদ জামিনের বিরোধিতা করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন।

এর আগে ১৮ জুন আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেছিলেন যাহের আলভী। সেদিনও আদালত আবেদন নাকচ করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

পরবর্তীতে ২১ জুন তাকে ১০ দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করে তদন্ত সংস্থা। ২৪ জুন শুনানি শেষে আদালত দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। রিমান্ড শেষে ৩০ জুন তাকে পুনরায় কারাগারে পাঠানো হয়।

এর আগে ৪ জুন একই মামলায় আলভীর মা নাসরিন সুলতানা আদালতে আত্মসমর্পণ করলে তিনি জামিন লাভ করেন।

মামলার নথি অনুযায়ী, ২৮ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর পল্লবী ডিওএইচএসের একটি বাসায় ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচানো অবস্থায় যাহের আলভীর স্ত্রী ইকরাকে উদ্ধার করেন পরিবারের সদস্যরা। পরে তাকে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। খবর পেয়ে পুলিশ হাসপাতালে গিয়ে সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে এবং ঘটনাস্থল থেকে বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করে।

ঘটনার দিন রাতেই ইকরার বাবা কবির হায়াত খান পল্লবী থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলায় তিনি অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিনের পারিবারিক কলহ ও বিভিন্ন ধরনের নির্যাতনের কারণে তার মেয়ে ইকরা আত্মহত্যা করতে বাধ্য হয়েছেন। মামলাটি বর্তমানে তদন্তাধীন।

এমডিএএ/এমআইএইচএস

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow