যুক্তরাষ্ট্রের আকাশে রহস্যময় ড্রোন, ঝুঁকিতে মার্কিন ২ মন্ত্রী

ইরান যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ সেনা ঘাঁটির ওপর একাধিক অজ্ঞাত ড্রোন দেখা যাওয়ায় নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। মার্কিন গণমাধ্যম দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট-এর এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, ওয়াশিংটনের ফোর্ট ম্যাকনেয়ার ঘাঁটির আকাশে গত ১০ দিনের মধ্যে অন্তত এক রাতে একাধিক ড্রোন উড়তে দেখা যায়। বিষয়টি জানার পর নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে এবং কীভাবে এ পরিস্থিতির মোকাবিলা করা হবে তা নিয়ে হোয়াইট হাউসে জরুরি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। উল্লেখ্য, এই ঘাঁটিতেই যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এবং প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ বসবাস করেন। ফলে ঘটনাটি আরও গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। ফোর্ট ম্যাকনেয়ার ঘাঁটিটি ন্যাশনাল ডিফেন্স ইউনিভার্সিটি এবং পেন্টাগনের উচ্চপদস্থ সামরিক কর্মকর্তাদের আবাসস্থল হিসেবেও পরিচিত। এটি হোয়াইট হাউস ও ক্যাপিটল হিল থেকে মাত্র কয়েক কিলোমিটার দূরে অবস্থিত, তবে অন্যান্য ঘাঁটির মতো শক্ত নিরাপত্তা বেষ্টনী নেই বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। ড্রোনগুলোর উৎস এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে সম্ভাব্য হুমকির বিষয়টি মাথায় রেখে মার্কিন সামরিক বাহি

যুক্তরাষ্ট্রের আকাশে রহস্যময় ড্রোন, ঝুঁকিতে মার্কিন ২ মন্ত্রী

ইরান যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ সেনা ঘাঁটির ওপর একাধিক অজ্ঞাত ড্রোন দেখা যাওয়ায় নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। মার্কিন গণমাধ্যম দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট-এর এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ওয়াশিংটনের ফোর্ট ম্যাকনেয়ার ঘাঁটির আকাশে গত ১০ দিনের মধ্যে অন্তত এক রাতে একাধিক ড্রোন উড়তে দেখা যায়। বিষয়টি জানার পর নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে এবং কীভাবে এ পরিস্থিতির মোকাবিলা করা হবে তা নিয়ে হোয়াইট হাউসে জরুরি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।

উল্লেখ্য, এই ঘাঁটিতেই যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এবং প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ বসবাস করেন। ফলে ঘটনাটি আরও গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে।

ফোর্ট ম্যাকনেয়ার ঘাঁটিটি ন্যাশনাল ডিফেন্স ইউনিভার্সিটি এবং পেন্টাগনের উচ্চপদস্থ সামরিক কর্মকর্তাদের আবাসস্থল হিসেবেও পরিচিত। এটি হোয়াইট হাউস ও ক্যাপিটল হিল থেকে মাত্র কয়েক কিলোমিটার দূরে অবস্থিত, তবে অন্যান্য ঘাঁটির মতো শক্ত নিরাপত্তা বেষ্টনী নেই বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

ড্রোনগুলোর উৎস এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে সম্ভাব্য হুমকির বিষয়টি মাথায় রেখে মার্কিন সামরিক বাহিনী নজরদারি বাড়িয়েছে।

এদিকে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য করেনি। পেন্টাগনের মুখপাত্র শন পারনেল নিরাপত্তাজনিত কারণে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানাতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন।

প্রসঙ্গত, সাম্প্রতিক সময়ে যুক্তরাষ্ট্র বৈশ্বিক নিরাপত্তা সতর্কতা জারি করেছে এবং দেশটির কয়েকটি সামরিক ঘাঁটি সম্ভাব্য হুমকির কারণে লকডাউন করা হয়েছে। এর মধ্যে ম্যাকডিল এয়ার ফোর্স বেস—যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড পরিচালিত হয়—সেখানে টানা দু’বার নিরাপত্তা সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, ইরান যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে এই ধরনের ড্রোন তৎপরতা যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow