যুক্তরাষ্ট্রের কবজায় ইরানি জাহাজ, চীনের কড়া প্রতিক্রিয়া
ইরানের জাহাজ জব্দের নিন্দা জানিয়েছে চীন। দেশটি যুক্তরাষ্ট্রের এ ধরনের আচরণকে ‘জোরপূর্বক আটক’ হিসেবে আখ্যা দিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে এবং সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে দায়িত্বশীলভাবে যুদ্ধবিরতি চুক্তি মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছে। সোমবার (২০ এপ্রিল) বার্তাসংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র জিও জিয়াকুন বলেন, হরমুজ প্রণালির পরিস্থিতি সংবেদনশীল এবং জটিল। সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোকে উত্তেজনা আরও না বাড়িয়ে প্রণালি দিয়ে স্বাভাবিক নৌযান চলাচল পুনরায় চালু করার জন্য প্রয়োজনীয় পরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে। তিনি বলেন, ‘আমরা আশা করি সংশ্লিষ্ট সব পক্ষ দায়িত্বশীল আচরণ করবে, যুদ্ধবিরতি চুক্তি মেনে চলবে এবং উত্তেজনা বৃদ্ধি বা দ্বন্দ্ব আরও তীব্র করা থেকে বিরত থাকবে। হরমুজ প্রণালি একটি আন্তর্জাতিক নৌপথ। এর নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করা আঞ্চলিক দেশগুলো ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের অভিন্ন স্বার্থের বিষয়। এর আগে যুক্তরাষ্ট্র জানায়, তারা একটি ইরানি পণ্যবাহী জাহাজে গুলি চালিয়ে সেটি জব্দ করেছে। জাহাজটি ইরানের বন্দর অবরোধ এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছিল। ইরানের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, জাহাজ
ইরানের জাহাজ জব্দের নিন্দা জানিয়েছে চীন। দেশটি যুক্তরাষ্ট্রের এ ধরনের আচরণকে ‘জোরপূর্বক আটক’ হিসেবে আখ্যা দিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে এবং সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে দায়িত্বশীলভাবে যুদ্ধবিরতি চুক্তি মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছে।
সোমবার (২০ এপ্রিল) বার্তাসংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র জিও জিয়াকুন বলেন, হরমুজ প্রণালির পরিস্থিতি সংবেদনশীল এবং জটিল। সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোকে উত্তেজনা আরও না বাড়িয়ে প্রণালি দিয়ে স্বাভাবিক নৌযান চলাচল পুনরায় চালু করার জন্য প্রয়োজনীয় পরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে।
তিনি বলেন, ‘আমরা আশা করি সংশ্লিষ্ট সব পক্ষ দায়িত্বশীল আচরণ করবে, যুদ্ধবিরতি চুক্তি মেনে চলবে এবং উত্তেজনা বৃদ্ধি বা দ্বন্দ্ব আরও তীব্র করা থেকে বিরত থাকবে। হরমুজ প্রণালি একটি আন্তর্জাতিক নৌপথ। এর নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করা আঞ্চলিক দেশগুলো ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের অভিন্ন স্বার্থের বিষয়।
এর আগে যুক্তরাষ্ট্র জানায়, তারা একটি ইরানি পণ্যবাহী জাহাজে গুলি চালিয়ে সেটি জব্দ করেছে। জাহাজটি ইরানের বন্দর অবরোধ এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছিল। ইরানের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, জাহাজটি চীন থেকে আসছিল এবং তারা এটিকে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর ‘সশস্ত্র জলদস্যুতা’ হিসেবে অভিহিত করে প্রতিশোধ নেওয়ার অঙ্গীকার করেছে।
এদিকে নিজেদের কার্গো জাহাজ জব্দের পাল্টা জবাব হিসেবে এবার মার্কিন নৌবাহিনীর একটি যুদ্ধজাহাজে ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরান। সোমবার (২০ এপ্রিল) ইরানের আধা-সরকারি সংবাদসংস্থা তাসনিম নিউজ এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
তবে ড্রোন হামলায় জাহাজটির কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে কি না, বা হয়ে থাকলে কতটুকু ক্ষতি হয়েছে, সে বিষয়ে এখনও কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
এর আগে, আরব সাগরে একটি ইরানি পতাকাবাহী কার্গো জাহাজ জব্দ করে যুক্তরাষ্ট্রের বাহিনী। রোববার রাতে মার্কিন সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে।
সেন্টকম জানায়, তাদের বাহিনী হরমুজে নৌ অবরোধ কার্যকর করার অংশ হিসেবে ওই জাহাজটিকে থামতে একাধিকবার সতর্ক করে। ছয় ঘণ্টা ধরে বারবার সতর্কবার্তা দেওয়ার পরও জাহাজটি নির্দেশনা না মানায় মার্কিন বাহিনী গুলি চালায়।
বিবৃতিতে বলা হয়, মার্কিন নৌবাহিনীর ডেস্ট্রয়ার জাহাজটির ইঞ্জিন রুম খালি করতে নির্দেশ দেয়। এরপর জাহাজটির চলাচল অক্ষম করতে ৫ ইঞ্চি এমকে ৪৫ গান থেকে গুলি ছোড়া হয়, যা জাহাজের ইঞ্জিন রুমে আঘাত করে।
পরে মেরিন সেনারা জাহাজটিতে উঠে সেটির নিয়ন্ত্রণ নেয়। বর্তমানে জাহাজটি মার্কিন হেফাজতে রয়েছে বলে জানানো হয়েছে।
What's Your Reaction?