যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবন্দরে তল্লাশির মুখেও কেন হাসছিলেন মেসি

বিমানবন্দরের নিরাপত্তা তল্লাশি সাধারণত বেশ গম্ভীর পরিবেশেই সম্পন্ন হয়। তবে যুক্তরাষ্ট্রের একটি বিমানবন্দরে আর্জেন্টিনা দলের খেলোয়াড়দের নিয়মিত নিরাপত্তা তল্লাশির সময় ঘটে যায় এক মজার ঘটনা। এক সতীর্থের ব্যাগ থেকে বার্বিকিউ লাইটার জব্দ করতেই হাসিতে ফেটে পড়েন লিওনেল মেসি। সেই মুহূর্তের ভিডিও ইতোমধ্যেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওতে দেখা যায়, মেসিসহ আর্জেন্টিনা দলের ফুটবলাররা বিমানবন্দরের নিয়মিত নিরাপত্তা তল্লাশির মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন। এ সময় মেসির সামনে দাঁড়িয়ে থাকা এক সতীর্থের ব্যাগে থাকা একটি বার্বিকিউ লাইটার নিরাপত্তারক্ষীরা জব্দ করেন। পুরো ঘটনাটি দেখে মেসি হেসে ওঠেন। কয়েক মুহূর্ত ধরে তিনি হাসি থামাতেই পারছিলেন না। মজার এই দৃশ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দ্রুত ভাইরাল হয়ে যায়। তবে ভিডিওটি যুক্তরাষ্ট্রের ঠিক কোন বিমানবন্দরে ধারণ করা হয়েছে, তা নিশ্চিতভাবে জানা যায়নি। আর্জেন্টিনার পরবর্তী ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে মায়ামিতে। অন্যদিকে, জর্ডানের বিপক্ষে জয় পাওয়ার পর ইনস্টাগ্রামে দলের উদযাপনের কয়েকটি ছবি শেয়ার করেন মেসি। সেখানে তিনি লেখেন, ‘আরও একটা ম্যাচ জিতে গ্রুপ পর্ব শেষ করলাম।

যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবন্দরে তল্লাশির মুখেও কেন হাসছিলেন মেসি

বিমানবন্দরের নিরাপত্তা তল্লাশি সাধারণত বেশ গম্ভীর পরিবেশেই সম্পন্ন হয়। তবে যুক্তরাষ্ট্রের একটি বিমানবন্দরে আর্জেন্টিনা দলের খেলোয়াড়দের নিয়মিত নিরাপত্তা তল্লাশির সময় ঘটে যায় এক মজার ঘটনা। এক সতীর্থের ব্যাগ থেকে বার্বিকিউ লাইটার জব্দ করতেই হাসিতে ফেটে পড়েন লিওনেল মেসি। সেই মুহূর্তের ভিডিও ইতোমধ্যেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে।

ভিডিওতে দেখা যায়, মেসিসহ আর্জেন্টিনা দলের ফুটবলাররা বিমানবন্দরের নিয়মিত নিরাপত্তা তল্লাশির মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন। এ সময় মেসির সামনে দাঁড়িয়ে থাকা এক সতীর্থের ব্যাগে থাকা একটি বার্বিকিউ লাইটার নিরাপত্তারক্ষীরা জব্দ করেন। পুরো ঘটনাটি দেখে মেসি হেসে ওঠেন। কয়েক মুহূর্ত ধরে তিনি হাসি থামাতেই পারছিলেন না। মজার এই দৃশ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দ্রুত ভাইরাল হয়ে যায়।

তবে ভিডিওটি যুক্তরাষ্ট্রের ঠিক কোন বিমানবন্দরে ধারণ করা হয়েছে, তা নিশ্চিতভাবে জানা যায়নি। আর্জেন্টিনার পরবর্তী ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে মায়ামিতে।

অন্যদিকে, জর্ডানের বিপক্ষে জয় পাওয়ার পর ইনস্টাগ্রামে দলের উদযাপনের কয়েকটি ছবি শেয়ার করেন মেসি। সেখানে তিনি লেখেন, ‘আরও একটা ম্যাচ জিতে গ্রুপ পর্ব শেষ করলাম। আমরা এখনো একটা দল হিসেবে খেলছি।’

মেসির এই বার্তা থেকেই স্পষ্ট, ব্যক্তিগত সাফল্যের চেয়ে দলগত পারফরম্যান্সকেই বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন তিনি। গ্রুপ পর্বে তিন ম্যাচেই সমন্বিত নৈপুণ্যের সুফল পেয়েছে আর্জেন্টিনা। সেই ধারাবাহিকতা নকআউট পর্বেও ধরে রেখে শিরোপা ধরে রাখার লক্ষ্য স্কালোনির শিষ্যদের।

জর্ডানের বিপক্ষে ম্যাচে শুরু থেকেই প্রথম একাদশের নয়জন ফুটবলারকে বিশ্রাম দেন কোচ লিওনেল স্কালোনি। বিশ্রামে ছিলেন মেসিও। আগেই নকআউট পর্ব নিশ্চিত হওয়ায় রিজার্ভ বেঞ্চের খেলোয়াড়দের সুযোগ করে দিতেই এমন সিদ্ধান্ত নেন আর্জেন্টিনা কোচ। আর সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে দলও দারুণ পারফরম্যান্স উপহার দেয়।

প্রথমার্ধে জিয়োভানি লো সেলসো ও লাউতারো মার্তিনেজের গোলে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় আর্জেন্টিনা। দ্বিতীয়ার্ধে একটি গোল শোধ করে জর্ডান। এরপর ৬০ মিনিটে বদলি হিসেবে মাঠে নেমে দুর্দান্ত এক ফ্রি-কিকে গোল করেন মেসি। চলতি বিশ্বকাপে টানা তিন ম্যাচেই গোল করেছেন তিনি। আসরে তার গোলসংখ্যা দাঁড়িয়েছে ছয়ে, যা তাকে সোনার বুটের লড়াইয়ে শীর্ষে রেখেছে। আর বিশ্বকাপে মেসির মোট গোলসংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১৯।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow