যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করল তাইওয়ান

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নতুন দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে তাইওয়ান। এই চুক্তির ফলে দুই দেশের মধ্যে পণ্য বাণিজ্য আরও সহজ হবে বলে আশা করা হচ্ছে। চুক্তি অনুযায়ী, তাইওয়ান যুক্তরাষ্ট্রের পণ্যের ওপর থেকে প্রায় সব শুল্ক তুলে নেবে বা কমাবে। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্র তাইওয়ান থেকে আমদানি করা পণ্যের ওপর শুল্ক ২০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১৫ শতাংশে নামিয়ে আনবে। যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধির দপ্তর জানায়, ২০২৫-২৯ সালের মধ্যে তাইওয়ান বড় অঙ্কের মার্কিন পণ্য কিনবে। এর মধ্যে রয়েছে তরল প্রাকৃতিক গ্যাস ও অপরিশোধিত তেল, বেসামরিক উড়োজাহাজ ও ইঞ্জিন, বিদ্যুৎ গ্রিড সরঞ্জাম, জেনারেটর এবং ইস্পাত শিল্পের যন্ত্রপাতি। দুই দেশের মধ্যে প্রাথমিক বাণিজ্য চুক্তি হয়েছিল চলতি বছরের জানুয়ারিতে। পরে এতে আরও বিস্তারিত শর্ত যোগ করে চূড়ান্ত করা হয়েছে। এর ফলে এশিয়ায় রপ্তানিতে জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে প্রতিযোগিতায় শক্ত অবস্থান নিতে পারবে তাইওয়ান। তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট লাই চিং তে বলেছেন, এ চুক্তি দেশের অর্থনীতি ও শিল্প খাতের জন্য বড় পরিবর্তনের সুযোগ তৈরি করবে। তিনি জানান, চুক্তির আওতায় যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি হওয়া দুই হাজারে

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করল তাইওয়ান
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নতুন দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে তাইওয়ান। এই চুক্তির ফলে দুই দেশের মধ্যে পণ্য বাণিজ্য আরও সহজ হবে বলে আশা করা হচ্ছে। চুক্তি অনুযায়ী, তাইওয়ান যুক্তরাষ্ট্রের পণ্যের ওপর থেকে প্রায় সব শুল্ক তুলে নেবে বা কমাবে। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্র তাইওয়ান থেকে আমদানি করা পণ্যের ওপর শুল্ক ২০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১৫ শতাংশে নামিয়ে আনবে। যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধির দপ্তর জানায়, ২০২৫-২৯ সালের মধ্যে তাইওয়ান বড় অঙ্কের মার্কিন পণ্য কিনবে। এর মধ্যে রয়েছে তরল প্রাকৃতিক গ্যাস ও অপরিশোধিত তেল, বেসামরিক উড়োজাহাজ ও ইঞ্জিন, বিদ্যুৎ গ্রিড সরঞ্জাম, জেনারেটর এবং ইস্পাত শিল্পের যন্ত্রপাতি। দুই দেশের মধ্যে প্রাথমিক বাণিজ্য চুক্তি হয়েছিল চলতি বছরের জানুয়ারিতে। পরে এতে আরও বিস্তারিত শর্ত যোগ করে চূড়ান্ত করা হয়েছে। এর ফলে এশিয়ায় রপ্তানিতে জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে প্রতিযোগিতায় শক্ত অবস্থান নিতে পারবে তাইওয়ান। তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট লাই চিং তে বলেছেন, এ চুক্তি দেশের অর্থনীতি ও শিল্প খাতের জন্য বড় পরিবর্তনের সুযোগ তৈরি করবে। তিনি জানান, চুক্তির আওতায় যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি হওয়া দুই হাজারের বেশি পণ্য শুল্কমুক্ত সুবিধা পাবে। তবে চুক্তিটি কার্যকর হতে হলে তাইওয়ানের পার্লামেন্টের অনুমোদন প্রয়োজন। সেখানে বিরোধীদল সংখ্যাগরিষ্ঠ হওয়ায় অনুমোদন নিয়ে কিছু অনিশ্চয়তা রয়েছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow