যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনা ব্যর্থ, এখন কী করবে পাকিস্তান
পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে অনুষ্ঠিত গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পরও যুদ্ধবিরতি বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছে পাকিস্তান। রোববার পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার এক বিবৃতিতে বলেন, সম্প্রতি ঘোষিত দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি যেন উভয়পক্ষ মেনে চলে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, চলমান উত্তেজনার মধ্যেও এই যুদ্ধবিরতি ধরে রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি আরও জানান, পাকিস্তান ভবিষ্যতেও তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে সমঝোতা তৈরির জন্য কাজ করে যাবে। দুই দেশের মধ্যে মতপার্থক্য কমিয়ে আনা এবং সংলাপ চালিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে ইসলামাবাদ সক্রিয় ভূমিকা রাখবে। এর আগে একই দিনে যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স জানান, দীর্ঘ আলোচনা সত্ত্বেও কোনো চুক্তিতে পৌঁছানো সম্ভব হয়নি। তার মতে, ইরান পারমাণবিক অস্ত্র কর্মসূচি ত্যাগে সম্মত না হওয়ায় আলোচনা ভেঙে যায়। অন্যদিকে ইরানও জানায়, কিছু ক্ষেত্রে অগ্রগতি হলেও তিনটি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে মতবিরোধ রয়ে গেছে। এসব কারণেই চূড়ান্ত সমঝোতা সম্ভব হয়নি। বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান পরিস্থিতিতে যুদ্ধবিরতি বজায় রাখা না গেলে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা ব
পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে অনুষ্ঠিত গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পরও যুদ্ধবিরতি বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছে পাকিস্তান।
রোববার পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার এক বিবৃতিতে বলেন, সম্প্রতি ঘোষিত দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি যেন উভয়পক্ষ মেনে চলে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, চলমান উত্তেজনার মধ্যেও এই যুদ্ধবিরতি ধরে রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি আরও জানান, পাকিস্তান ভবিষ্যতেও তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে সমঝোতা তৈরির জন্য কাজ করে যাবে। দুই দেশের মধ্যে মতপার্থক্য কমিয়ে আনা এবং সংলাপ চালিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে ইসলামাবাদ সক্রিয় ভূমিকা রাখবে।
এর আগে একই দিনে যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স জানান, দীর্ঘ আলোচনা সত্ত্বেও কোনো চুক্তিতে পৌঁছানো সম্ভব হয়নি। তার মতে, ইরান পারমাণবিক অস্ত্র কর্মসূচি ত্যাগে সম্মত না হওয়ায় আলোচনা ভেঙে যায়।
অন্যদিকে ইরানও জানায়, কিছু ক্ষেত্রে অগ্রগতি হলেও তিনটি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে মতবিরোধ রয়ে গেছে। এসব কারণেই চূড়ান্ত সমঝোতা সম্ভব হয়নি।
বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান পরিস্থিতিতে যুদ্ধবিরতি বজায় রাখা না গেলে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা বাড়তে পারে। তাই পাকিস্তানের এই আহ্বানকে গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
আলোচনা ব্যর্থ হলেও পরিস্থিতি আরও খারাপের দিকে না যাওয়ার জন্য এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো এই অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি বজায় রাখা।
What's Your Reaction?