যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের জন্য ‘ভারী পরিণতি’র হুঁশিয়ারি ইরানের
তেহরান থেকে প্রতিবেদক মোহাম্মদ ভালের বরাতে জানা গেছে, ইরান যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে কঠোর প্রতিক্রিয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে এবং বলেছে, সামনে তাদের “ভারী মূল্য” দিতে হবে। কাতার ভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরার প্রদিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। ইরানি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, আজ দেশের বিভিন্ন এলাকায় ১০টি উন্নতমানের ড্রোন ভূপাতিত করা হয়েছে। এর ফলে এখন পর্যন্ত মোট ২২টি ড্রোন গুলি করে নামানোর দাবি করেছে তেহরান। কর্মকর্তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, ভূপাতিত ড্রোনগুলোর বেশিরভাগই ছিল Hermes drone, যা ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের বাহিনীর বলে অভিযোগ করা হয়েছে। ইরানি কর্তৃপক্ষ স্পষ্ট করে বলছে, এটি পূর্ণমাত্রার প্রতিরোধের মুহূর্ত। তারা সর্বোচ্চ শক্তি দিয়ে পাল্টা আঘাত হানার প্রস্তুতির কথা জানিয়ে বলেছে, এখনো তাদের সবচেয়ে শক্তিশালী সামরিক সক্ষমতা ব্যবহার করা হয়নি। এর মধ্যে রয়েছে উন্নত ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থাসহ বিভিন্ন কৌশলগত অস্ত্র। কর্মকর্তারা সতর্ক করে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে আগামী দিনগুলোতে “ভারী মূল্য” দিতে হবে। একই সঙ্গে তারা এ সংঘাতকে আগের যেকোনো মুখোমুখি অবস্থার চেয়ে ভিন্ন হিসেবে তুলে ধরছেন। ইরানের শীর্ষ ন
তেহরান থেকে প্রতিবেদক মোহাম্মদ ভালের বরাতে জানা গেছে, ইরান যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে কঠোর প্রতিক্রিয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে এবং বলেছে, সামনে তাদের “ভারী মূল্য” দিতে হবে। কাতার ভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরার প্রদিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
ইরানি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, আজ দেশের বিভিন্ন এলাকায় ১০টি উন্নতমানের ড্রোন ভূপাতিত করা হয়েছে। এর ফলে এখন পর্যন্ত মোট ২২টি ড্রোন গুলি করে নামানোর দাবি করেছে তেহরান। কর্মকর্তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, ভূপাতিত ড্রোনগুলোর বেশিরভাগই ছিল Hermes drone, যা ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের বাহিনীর বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
ইরানি কর্তৃপক্ষ স্পষ্ট করে বলছে, এটি পূর্ণমাত্রার প্রতিরোধের মুহূর্ত। তারা সর্বোচ্চ শক্তি দিয়ে পাল্টা আঘাত হানার প্রস্তুতির কথা জানিয়ে বলেছে, এখনো তাদের সবচেয়ে শক্তিশালী সামরিক সক্ষমতা ব্যবহার করা হয়নি। এর মধ্যে রয়েছে উন্নত ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থাসহ বিভিন্ন কৌশলগত অস্ত্র।
কর্মকর্তারা সতর্ক করে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে আগামী দিনগুলোতে “ভারী মূল্য” দিতে হবে। একই সঙ্গে তারা এ সংঘাতকে আগের যেকোনো মুখোমুখি অবস্থার চেয়ে ভিন্ন হিসেবে তুলে ধরছেন।
ইরানের শীর্ষ নেতৃত্ব এই পরিস্থিতিকে “অস্তিত্বের যুদ্ধ” হিসেবে বর্ণনা করছে। তাদের দাবি, এটি এমন এক লড়াই যেখানে কোনো পিছু হটা, আপস বা আত্মসমর্পণের প্রশ্ন নেই—বরং ইরানের আত্মরক্ষা, মর্যাদা ও স্বাধীনতা রক্ষাই হবে মূল লক্ষ্য।
What's Your Reaction?