যুক্তরাষ্ট্র থেকে নির্বাসিত অভিবাসীদের দেশে ফিরতে চাপের অভিযোগ

যুক্তরাষ্ট্র থেকে নির্বাসিত অভিবাসীদের দেশে ফিরতে চাপ প্রয়োগের অভিযোগ উঠেছে। কঙ্গোতে নির্বাসনে পাঠানো দক্ষিণ আমেরিকার অভিবাসীরা এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হওয়ার অভিযোগ করেছেন।  বুধবার (২২ এপ্রিল) আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।  সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র থেকে নির্বাসিত দক্ষিণ আমেরিকার ১৫ অভিবাসী ও আশ্রয়প্রার্থী জানিয়েছেন, কঙ্গোতে পৌঁছানোর পর তাদের সামনে নিজ দেশে ফিরে যাওয়া ছাড়া কার্যত আর কোনো গ্রহণযোগ্য বিকল্প রাখা হয়নি। অঞ্চলটিতে বর্তমানে তাদের নিরাপত্তা নিয়ে গুরুতর আশঙ্কা রয়েছে। কলাম্বিয়া, পেরু এবং  ইকুয়েডরের নারীরা বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেন, গত সপ্তাহে কঙ্গোতে পাঠানোর পর থেকে তাদের এমন অবস্থায় ফেলা হয়েছে যেখানে ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও নিজ দেশে ফিরে যেতে রাজি হতে বাধ্য করা হচ্ছে। পরিচয় গোপন রাখার শর্তে কলম্বিয়ান নারী রয়টার্সকে বলেন, আমরা অনুভব করছি যে, যে কোনো ঝুঁকি থাকুক না কেন, আমাদের দেশে ফিরে যেতে সম্মতি দিতে চাপ দেওয়া হচ্ছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত সপ্তাহে দলটিকে কঙ্গোতে পাঠানো হয়েছে। এটি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের সঙ্গে করা এক

যুক্তরাষ্ট্র থেকে নির্বাসিত অভিবাসীদের দেশে ফিরতে চাপের অভিযোগ
যুক্তরাষ্ট্র থেকে নির্বাসিত অভিবাসীদের দেশে ফিরতে চাপ প্রয়োগের অভিযোগ উঠেছে। কঙ্গোতে নির্বাসনে পাঠানো দক্ষিণ আমেরিকার অভিবাসীরা এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হওয়ার অভিযোগ করেছেন।  বুধবার (২২ এপ্রিল) আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।  সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র থেকে নির্বাসিত দক্ষিণ আমেরিকার ১৫ অভিবাসী ও আশ্রয়প্রার্থী জানিয়েছেন, কঙ্গোতে পৌঁছানোর পর তাদের সামনে নিজ দেশে ফিরে যাওয়া ছাড়া কার্যত আর কোনো গ্রহণযোগ্য বিকল্প রাখা হয়নি। অঞ্চলটিতে বর্তমানে তাদের নিরাপত্তা নিয়ে গুরুতর আশঙ্কা রয়েছে। কলাম্বিয়া, পেরু এবং  ইকুয়েডরের নারীরা বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেন, গত সপ্তাহে কঙ্গোতে পাঠানোর পর থেকে তাদের এমন অবস্থায় ফেলা হয়েছে যেখানে ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও নিজ দেশে ফিরে যেতে রাজি হতে বাধ্য করা হচ্ছে। পরিচয় গোপন রাখার শর্তে কলম্বিয়ান নারী রয়টার্সকে বলেন, আমরা অনুভব করছি যে, যে কোনো ঝুঁকি থাকুক না কেন, আমাদের দেশে ফিরে যেতে সম্মতি দিতে চাপ দেওয়া হচ্ছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত সপ্তাহে দলটিকে কঙ্গোতে পাঠানো হয়েছে। এটি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের সঙ্গে করা এক বিতর্কিত তৃতীয়-দেশ চুক্তির অংশ। কঙ্গোতে পাঠানো এই ১৫ জনের মধ্যে কয়েকজন জানান, তারা নিজ দেশে নির্যাতনের শিকার হয়ে যুক্তরাষ্ট্রে আশ্রয়ের আবেদন করেছিলেন।  এটি একটি বৈধ প্রক্রিয়া। ২৯ বছর বয়সী ওই নারী জানান, তিনি কলম্বিয়া ছেড়েছেন কারণ তাকে একটি সশস্ত্র গোষ্ঠী অপহরণ ও নির্যাতন করেছিল। এমনকি তিনি তার সাবেক স্বামীর কাছ থেকেও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। তাকে নিজ দেশে পাঠানো হলে নির্যাতনের শিকার হওয়ার সম্ভাবনা অত্যন্ত বেশি— ২০২৫ সালের মে মাসে এক মার্কিন অভিবাসন বিচারক রায় দেন।  অভিবাসন অধিকারকর্মীরা বলছেন, তৃতীয়-দেশে নির্বাসনের এই পদ্ধতি মূলত অভিবাসী ও আশ্রয়প্রার্থীদের ভয় দেখিয়ে নিজ দেশে ফিরে যেতে বাধ্য করার একটি কৌশল। এই ধরনের বহিষ্কারের ক্ষেত্রে মানুষকে এমন দেশে পাঠানো হয়, যার সঙ্গে তাদের কোনো পরিচয় বা সংযোগ নেই। এসব দেশের অনেকগুলোতেই মানবাধিকার পরিস্থিতি উদ্বেগজনক, কিংবা সেগুলো সংঘাতপূর্ণ অঞ্চল।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow