যুদ্ধবিরতি আরও দুই মাস বাড়ানোর সমঝোতায় পৌঁছেছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান

যুদ্ধবিরতির সময়সীমা আরও দুই মাস বাড়ানোর বিষয়ে একটি সমঝোতায় পৌঁছেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। তবে চুক্তিটি এখনো মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের চূড়ান্ত অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, যুদ্ধবিরতি বাড়াতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান একটি প্রাথমিক সমঝোতায় পৌঁছেছে। তবে এক মাসেরও বেশি সময় ধরে দফায় দফায় আলোচনা চললেও যুদ্ধ স্থায়ীভাবে শেষ করার চুক্তি এখনো অধরা রয়ে গেছে। বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের আলোচকরা এমন একটি চুক্তির কাঠামোয় একমত হয়েছেন, যার মাধ্যমে যুদ্ধবিরতি আরও ৬০ দিনের জন্য বাড়ানো হবে। এই চুক্তির আওতায় ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হবে। বিবিসিকে মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, চুক্তিটি এখনো প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বা ইরানের শীর্ষ নেতৃত্বের অনুমোদন পায়নি। তবে তেহরান থেকে ভিন্ন তথ্যও পাওয়া গেছে। ইরানের আধা-সরকারি সংবাদমাধ্যম তাসনিম নিউজ এজেন্সি আলোচনার ঘনিষ্ঠ একটি সূত্রের বরাতে জানিয়েছে, চুক্তিটি এখনো চূড়ান্ত বা নিশ্চিত হয়নি।

যুদ্ধবিরতি আরও দুই মাস বাড়ানোর সমঝোতায় পৌঁছেছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান

যুদ্ধবিরতির সময়সীমা আরও দুই মাস বাড়ানোর বিষয়ে একটি সমঝোতায় পৌঁছেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। তবে চুক্তিটি এখনো মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের চূড়ান্ত অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, যুদ্ধবিরতি বাড়াতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান একটি প্রাথমিক সমঝোতায় পৌঁছেছে। তবে এক মাসেরও বেশি সময় ধরে দফায় দফায় আলোচনা চললেও যুদ্ধ স্থায়ীভাবে শেষ করার চুক্তি এখনো অধরা রয়ে গেছে।

বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের আলোচকরা এমন একটি চুক্তির কাঠামোয় একমত হয়েছেন, যার মাধ্যমে যুদ্ধবিরতি আরও ৬০ দিনের জন্য বাড়ানো হবে। এই চুক্তির আওতায় ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হবে।

বিবিসিকে মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, চুক্তিটি এখনো প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বা ইরানের শীর্ষ নেতৃত্বের অনুমোদন পায়নি। তবে তেহরান থেকে ভিন্ন তথ্যও পাওয়া গেছে। ইরানের আধা-সরকারি সংবাদমাধ্যম তাসনিম নিউজ এজেন্সি আলোচনার ঘনিষ্ঠ একটি সূত্রের বরাতে জানিয়েছে, চুক্তিটি এখনো চূড়ান্ত বা নিশ্চিত হয়নি।

গত কয়েক দিনে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের অভিযোগে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান একে অপরকে দোষারোপ করেছে। ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) জানিয়েছে, দক্ষিণ ইরানে নতুন করে মার্কিন হামলার পর বৃহস্পতিবার (২৮ মে) তারা এই অঞ্চলে থাকা একটি মার্কিন ঘাঁটিকে লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে।

এর আগে, গত বুধবার (২৭ মে) ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম দুই দেশের মধ্যে সম্ভাব্য ১৪ দফার একটি সমঝোতা স্মারকের (এমওইউ) অনানুষ্ঠানিক খসড়ার কিছু অংশ প্রকাশ করে।

সেই প্রতিবেদনে বলা হয়, ওয়াশিংটন ইরানের বন্দরগুলোর ওপর আরোপিত নৌ অবরোধ তুলে নেবে, ইরানের আশপাশ থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহার করবে এবং হরমুজ প্রণালিতে বেসামরিক জাহাজ চলাচল পুনরায় স্বাভাবিক করা হবে। পাশাপাশি ওই প্রণালিতে জাহাজ চলাচলের ব্যবস্থাপনা ও রুট নিয়ন্ত্রণ করবে ইরান ও ওমান। তবে হোয়াইট হাউস ওই সমঝোতা স্মারকের খসড়াকে ‘সম্পূর্ণ মনগড়া’ বলে উড়িয়ে দিয়েছে।

গত সপ্তাহেই ট্রাম্প সাংবাদিকদের জানান, তিনি ইরানের ওপর নতুন করে হামলার নির্দেশ দেওয়ার দ্বারপ্রান্তে ছিলেন। তবে যুক্তরাষ্ট্রের মিত্রদের অনুরোধে শেষ পর্যন্ত তিনি সেই সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসেন।

বুধবারের মন্ত্রিসভার বৈঠকে ট্রাম্প বলেন, ইরানের সঙ্গে আলোচনা এগোচ্ছে। কিন্তু ইরানের প্রস্তাব এখনো সন্তোষজনক পর্যায়ে পৌঁছায়নি, কাজ আরও বাকি আছে। তবে যুদ্ধবিরতি বাড়ানোর এই চুক্তিতে ট্রাম্প চূড়ান্ত অনুমোদন দেবেন কি না, তা এখনো স্পষ্ট নয়।

সূত্র: বিবিসি

এমএমকে/

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow