যুদ্ধবিরতি বাড়লেও বিশ্ববাজারে ঊর্ধ্বমুখী তেলের দাম
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানোর ঘোষণা দিলেও আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম কমেনি, বরং বেড়েছে। একই সঙ্গে অস্থিরতা দেখা গেছে যুক্তরাষ্ট্রের শেয়ারবাজারেও। বুধবার (২২ এপ্রিল) যুদ্ধবিরতির সময়সীমা শেষ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তার কয়েক ঘণ্টা আগেই এর মেয়াদ বাড়ানোর ঘোষণা দেন ট্রাম্প, যাতে ইরান নতুন প্রস্তাব দেওয়ার সময় পায়। তবে এর আগেই বাজারে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে শুরু করে। মঙ্গলবার দিনের শুরুতে ঊর্ধ্বমুখী থাকলেও শেষ পর্যন্ত এসঅ্যান্ডপি ৫০০ সূচক ০ দশমিক ৬ শতাংশ কমে যায়। একইভাবে ডো জোনস ইন্ডাস্ট্রিয়াল অ্যাভারেজ সূচক ২৯৩ পয়েন্ট বা ০ দশমিক ৬ শতাংশ কমে লেনদেন শেষ করে, যদিও একসময় এটি প্রায় ৪০০ পয়েন্ট পর্যন্ত বেড়েছিল। এছাড়া প্রযুক্তিনির্ভর নাসদাক কম্পোজিট সূচকও ০ দশমিক ৬ শতাংশ কমেছে। আরও পড়ুন>>মে মাসেই ১৫০ ডলার ছাড়াতে পারে তেলের দাম, বিশ্বজুড়ে মন্দার শঙ্কাহরমুজ প্রণালিতেই ডুবতে পারে মার্কিন ডলারের ‘দাদাগিরি’এক ব্যারেল অপরিশোধিত তেলে কতটুকু পেট্রোল মেলে? বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্টের পাকিস্তান সফর স্থগিত হওয়া এবং ইরানের সঙ্গে আলোচনার অনিশ
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানোর ঘোষণা দিলেও আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম কমেনি, বরং বেড়েছে। একই সঙ্গে অস্থিরতা দেখা গেছে যুক্তরাষ্ট্রের শেয়ারবাজারেও।
বুধবার (২২ এপ্রিল) যুদ্ধবিরতির সময়সীমা শেষ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তার কয়েক ঘণ্টা আগেই এর মেয়াদ বাড়ানোর ঘোষণা দেন ট্রাম্প, যাতে ইরান নতুন প্রস্তাব দেওয়ার সময় পায়। তবে এর আগেই বাজারে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে শুরু করে।
মঙ্গলবার দিনের শুরুতে ঊর্ধ্বমুখী থাকলেও শেষ পর্যন্ত এসঅ্যান্ডপি ৫০০ সূচক ০ দশমিক ৬ শতাংশ কমে যায়। একইভাবে ডো জোনস ইন্ডাস্ট্রিয়াল অ্যাভারেজ সূচক ২৯৩ পয়েন্ট বা ০ দশমিক ৬ শতাংশ কমে লেনদেন শেষ করে, যদিও একসময় এটি প্রায় ৪০০ পয়েন্ট পর্যন্ত বেড়েছিল। এছাড়া প্রযুক্তিনির্ভর নাসদাক কম্পোজিট সূচকও ০ দশমিক ৬ শতাংশ কমেছে।
আরও পড়ুন>>
মে মাসেই ১৫০ ডলার ছাড়াতে পারে তেলের দাম, বিশ্বজুড়ে মন্দার শঙ্কা
হরমুজ প্রণালিতেই ডুবতে পারে মার্কিন ডলারের ‘দাদাগিরি’
এক ব্যারেল অপরিশোধিত তেলে কতটুকু পেট্রোল মেলে?
বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্টের পাকিস্তান সফর স্থগিত হওয়া এবং ইরানের সঙ্গে আলোচনার অনিশ্চয়তা বিনিয়োগকারীদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি করে, যার প্রভাব পড়ে বাজারে।
অন্যদিকে, আন্তর্জাতিক তেলের বাজারেও অস্থিরতা লক্ষ্য করা গেছে। ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম দিনের শুরুতে ৯৫ ডলারের নিচে থাকলেও পরে তা বেড়ে প্রায় ১০০ ডলারে পৌঁছায়। শেষ পর্যন্ত প্রতি ব্যারেল ব্রেন্ট ক্রুডের দাম দাঁড়ায় ৯৮ দশমিক ৪৮ ডলার, যা আগের দিনের তুলনায় ৩ দশমিক ১ শতাংশ বেশি।
যদিও যুদ্ধ শুরুর সময় ওয়াল স্ট্রিটে যে বড় ধরনের ওঠানামা দেখা গিয়েছিল, এবার তার তুলনায় পরিবর্তন কিছুটা কম ছিল। তারপরও বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, যুদ্ধবিরতি সত্ত্বেও অনিশ্চয়তা কাটেনি, আর সেটিই বাজার ও তেলের দামে প্রভাব ফেলছে।
সূত্র: এপি
কেএএ/
What's Your Reaction?