যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করলে কঠোর প্রতিক্রিয়ার হুঁশিয়ারি আইআরজিসির
ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) সতর্ক করে জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যদি ভবিষ্যতে কোনো যুদ্ধবিরতি বা সমঝোতা চুক্তি লঙ্ঘন করে, তাহলে ইরান আরও শক্তিশালী ও কঠোর প্রতিক্রিয়া জানাবে। রোববার (২৮ জুন) আইআরজিসির মুখপাত্র হোসেইন মোহেবি বলেন, ইরানের সশস্ত্র বাহিনী অতীতে যেকোনো শত্রুতামূলক পদক্ষেপের জবাব দিয়েছে এবং ভবিষ্যতেও তা অব্যাহত থাকবে। তিনি বলেন, ‘শত্রু যখনই কোনো চুক্তি বা যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করবে, তখন আগের চেয়ে আরও কঠোর জবাব পাবে। যুক্তরাষ্ট্র আবারও প্রমাণ করেছে যে তারা কোনো চুক্তি মেনে চলার ক্ষেত্রে নির্ভরযোগ্য নয়।’ মোহেবি আরও বলেন, ‘প্রত্যাশিতভাবেই শত্রু নির্ভরযোগ্য নয়।’ একইসঙ্গে তিনি সতর্ক করে বলেন, ইরান যখন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় যুক্ত, তখনো শত্রুপক্ষ অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির চেষ্টা করতে পারে। তবে তিনি জানান, ইরানের সশস্ত্র বাহিনী সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রয়েছে এবং যেকোনো আগ্রাসনের জবাব হবে ‘নির্ধারিত ও সিদ্ধান্তমূলক’। এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) ইরানের ভূখণ্ডে নতুন হামলার কথা জানায়। তাদের দাবি অনুযায়ী, পারস্য উপসাগরে একটি বাণিজ্যিক তেলবাহ
ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) সতর্ক করে জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যদি ভবিষ্যতে কোনো যুদ্ধবিরতি বা সমঝোতা চুক্তি লঙ্ঘন করে, তাহলে ইরান আরও শক্তিশালী ও কঠোর প্রতিক্রিয়া জানাবে।
রোববার (২৮ জুন) আইআরজিসির মুখপাত্র হোসেইন মোহেবি বলেন, ইরানের সশস্ত্র বাহিনী অতীতে যেকোনো শত্রুতামূলক পদক্ষেপের জবাব দিয়েছে এবং ভবিষ্যতেও তা অব্যাহত থাকবে।
তিনি বলেন, ‘শত্রু যখনই কোনো চুক্তি বা যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করবে, তখন আগের চেয়ে আরও কঠোর জবাব পাবে। যুক্তরাষ্ট্র আবারও প্রমাণ করেছে যে তারা কোনো চুক্তি মেনে চলার ক্ষেত্রে নির্ভরযোগ্য নয়।’
মোহেবি আরও বলেন, ‘প্রত্যাশিতভাবেই শত্রু নির্ভরযোগ্য নয়।’ একইসঙ্গে তিনি সতর্ক করে বলেন, ইরান যখন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় যুক্ত, তখনো শত্রুপক্ষ অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির চেষ্টা করতে পারে।
তবে তিনি জানান, ইরানের সশস্ত্র বাহিনী সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রয়েছে এবং যেকোনো আগ্রাসনের জবাব হবে ‘নির্ধারিত ও সিদ্ধান্তমূলক’।
এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) ইরানের ভূখণ্ডে নতুন হামলার কথা জানায়। তাদের দাবি অনুযায়ী, পারস্য উপসাগরে একটি বাণিজ্যিক তেলবাহী জাহাজ লক্ষ্য করে হামলার জবাবে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়।
অন্যদিকে আইআরজিসি নৌবাহিনী জানিয়েছে, শুক্রবার তারা হরমুজ প্রনালিতে প্রবেশকারী একটি জাহাজকে সতর্ক করতে গুলি ছোড়ে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, চলমান কূটনৈতিক প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে সম্প্রতি ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে, যার মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বন্দরগুলোর ওপর থেকে অবৈধ নৌ অবরোধ প্রত্যাহার করেছে।
What's Your Reaction?