যুদ্ধ বন্ধে সৌদি-ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ফোনালাপ
সৌদি আরব ও ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর মধ্যে ফোনালাপ হয়েছে। ফোনালাপে তারা তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় চলমান কূটনৈতিক প্রক্রিয়ার সর্বশেষ পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেছেন। সোমবার (১১ মে) আনাদোলু এজেন্সির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা আইআরএনএ জানিয়েছে, ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি এবং সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রিন্স ফয়সাল বিন ফারহানের মধ্যে ফোনালাপ হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টার মধ্যে এটি ছিল দ্বিতীয় ফোনালাপ। উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের বিরুদ্ধে হামলা চালানোর পর থেকেই আঞ্চলিক উত্তেজনা বেড়ে যায়। এর জবাবে তেহরান ইসরায়েলের পাশাপাশি উপসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের মিত্রদের লক্ষ্য করে পাল্টা পদক্ষেপ নেয় এবং হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেয়। এরপর পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় গত ৮ এপ্রিল যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়। তবে ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত আলোচনায় স্থায়ী কোনো সমঝোতা হয়নি। পরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নির্দিষ্ট সময়সীমা ছাড়াই যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ান। রোববার ইরান যুদ্ধ বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবের জবাব পাকিস্তানের মাধ্যমে পাঠ
সৌদি আরব ও ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর মধ্যে ফোনালাপ হয়েছে। ফোনালাপে তারা তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় চলমান কূটনৈতিক প্রক্রিয়ার সর্বশেষ পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেছেন।
সোমবার (১১ মে) আনাদোলু এজেন্সির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা আইআরএনএ জানিয়েছে, ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি এবং সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রিন্স ফয়সাল বিন ফারহানের মধ্যে ফোনালাপ হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টার মধ্যে এটি ছিল দ্বিতীয় ফোনালাপ।
উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের বিরুদ্ধে হামলা চালানোর পর থেকেই আঞ্চলিক উত্তেজনা বেড়ে যায়। এর জবাবে তেহরান ইসরায়েলের পাশাপাশি উপসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের মিত্রদের লক্ষ্য করে পাল্টা পদক্ষেপ নেয় এবং হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেয়।
এরপর পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় গত ৮ এপ্রিল যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়। তবে ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত আলোচনায় স্থায়ী কোনো সমঝোতা হয়নি। পরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নির্দিষ্ট সময়সীমা ছাড়াই যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ান।
রোববার ইরান যুদ্ধ বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবের জবাব পাকিস্তানের মাধ্যমে পাঠায়। তবে ট্রাম্প সেটিকে ‘পুরোপুরি অগ্রহণযোগ্য’ বলে প্রত্যাখ্যান করেন।
What's Your Reaction?