যুবককে হত্যার পর মাটিচাপা, বেরিয়ে এলো রোমহর্ষক তথ্য

যশোরের শার্শা উপজেলায় পরকীয়ার অভিযোগে ইকরামুল কবির নামে এক যুবককে হত্যা করা হয়েছে। পরে মরদেহ গুম করতে গোয়ালঘরের মাটির নিচে পুঁতে রাখে অভিযুক্তরা। এক মাস পর সেই মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার (৯ মে) বিকেলে মাটি খুঁড়ে মরদেহ উদ্ধার ও অভিযুক্ত এক দম্পতিসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। নিহত ইকরামুল কবির (২৫) উপজেলার পুটখালি ইউনিয়নের দক্ষিণ বারোপোতা গ্রামের আব্দুল রশিদের ছেলে। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- শার্শা উপজেলার বসতপুর গ্রামের আরশাদ আলীর ছেলে আল ফরহাদ (২৬), তার স্ত্রী মুন্নি আক্তার (২৩) এবং নিহতের মামাতো বোন কাকলী আক্তার (২৩) ও ফজলুর রহমান (৬০)। স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, বসতপুর পূর্বপাড়া এলাকার আরশাদের ছেলে আল ফুয়াদের স্ত্রী মুন্নীর (২৩) সঙ্গে ইকরামুলের দীর্ঘদিনের পরকীয়া সম্পর্ক ছিল বলে অভিযোগ। এক মাস পাঁচদিন আগে ইকরামুল তার প্রেমিকা মুন্নীর কাছে পাওনা টাকা আনতে গিয়ে নিখোঁজ হন। এরপর থেকেই তার কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। নিহতের পরিবারের সদস্যরা দীর্ঘদিন ইকরামুলের খোঁজ না পেয়ে যশোর আদালতে মামলা করেন। মামলায় গ্রেপ্তার আসামিদের পাশাপাশি মুন্নি আক্তারের বাবা ফজলুর রহমানকেও আসামি

যুবককে হত্যার পর মাটিচাপা, বেরিয়ে এলো রোমহর্ষক তথ্য

যশোরের শার্শা উপজেলায় পরকীয়ার অভিযোগে ইকরামুল কবির নামে এক যুবককে হত্যা করা হয়েছে। পরে মরদেহ গুম করতে গোয়ালঘরের মাটির নিচে পুঁতে রাখে অভিযুক্তরা। এক মাস পর সেই মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

শনিবার (৯ মে) বিকেলে মাটি খুঁড়ে মরদেহ উদ্ধার ও অভিযুক্ত এক দম্পতিসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

নিহত ইকরামুল কবির (২৫) উপজেলার পুটখালি ইউনিয়নের দক্ষিণ বারোপোতা গ্রামের আব্দুল রশিদের ছেলে। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- শার্শা উপজেলার বসতপুর গ্রামের আরশাদ আলীর ছেলে আল ফরহাদ (২৬), তার স্ত্রী মুন্নি আক্তার (২৩) এবং নিহতের মামাতো বোন কাকলী আক্তার (২৩) ও ফজলুর রহমান (৬০)।

স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, বসতপুর পূর্বপাড়া এলাকার আরশাদের ছেলে আল ফুয়াদের স্ত্রী মুন্নীর (২৩) সঙ্গে ইকরামুলের দীর্ঘদিনের পরকীয়া সম্পর্ক ছিল বলে অভিযোগ। এক মাস পাঁচদিন আগে ইকরামুল তার প্রেমিকা মুন্নীর কাছে পাওনা টাকা আনতে গিয়ে নিখোঁজ হন। এরপর থেকেই তার কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না।

নিহতের পরিবারের সদস্যরা দীর্ঘদিন ইকরামুলের খোঁজ না পেয়ে যশোর আদালতে মামলা করেন। মামলায় গ্রেপ্তার আসামিদের পাশাপাশি মুন্নি আক্তারের বাবা ফজলুর রহমানকেও আসামি করা হয়। আদালতের নির্দেশে মামলাটি শার্শা থানায় নথিভুক্ত হওয়ার পর পুলিশ তদন্ত শুরু করে।

তদন্তের এক পর্যায়ে অভিযুক্ত স্বামী আল ফরহাদকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে শনিবার পুলিশ বসতপুর গ্রামে তাদের বাড়িতে অভিযান চালায়। সেখানে গোয়ালঘরের মেঝে খনন করে নিখোঁজ ইকরামুলের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ জানায়, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে পরকীয়া ও পাওনা টাকাকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট বিরোধের জেরে তাকে শ্বাসরোধ বা অন্য কোনো উপায়ে হত্যা করে মরদেহ মাটিচাপা দেওয়া হয়েছিল।

শার্শা থানার ওসি মারুফ হোসেন কালবেলাকে বলেন, গ্রেপ্তার আসামিদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বসতঘরের মেঝে খুঁড়ে মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় এক দম্পতিসহ চারজনকে আটক করা হয়েছে। এ হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ উদ্‌ঘাটন এবং আর কেউ জড়িত আছে কি না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow