যেসব কারণে আপনার ভোট বাতিল হতে পারে, সতর্ক হোন

ভোট দেওয়া এমন কি আর কঠিন কাজ, একটা সিল দিলেই তো কাজ শেষ – এমনটাই কি ভাবছেন আপনিও? তবে বিষয়টি এতোটা সরল না, ছোট্ট কিছু ভুলের জন্য আপনার মূল্যবান ভোটটি গণনার সময় বাতিল হয়ে যেতে পারে। তাই ভুলগুলো নিয়ে আগেই সতর্ক হওয়া দরকার। চলুন জেনে নেওয়া যাক- ১. সঠিক স্থানে সিল দিনব্যালট পেপারের একপাশে থাকবে প্রার্থী ও একপাশে মার্কা। সিল দিতে হবে মার্কার ওপরে। তবে সিল যদি নির্ধারিত স্থানের বাইরে চলে যায়, তাহলে ভোট গণনার সময় বিভ্রান্তি তৈরি হতে পারে। এর ফলে আপনার ভোটটি গণনার সময় বাতিল হয়ে যেতে পারে। ২. ব্যালট ভাঁজ করার সঠিক উপায়সিল দেওয়ার পরে ব্যালট পেপারটি ভাঁজ করার পালা। এসময় প্রথমে কাগজটি একবার লম্বালম্বি ভাঁজ দেবেন, তারপর ওপর দিকে। তা না করলে, ব্যালট ভাঁজ করার সময় সিলের কালি ওপর পাশের মার্কায় লেগে যেতে পারে। এক্ষেত্রেও আপনার ভোটটি বাতিল হতে পারে, কারণ তখন একাধিক প্রার্থীর মার্কার ওপর সিলের দাগ দেখা যাবে। ৩. একাধিক সিল মানেই ভোট বাতিলমনে করেন, আপনার এলাকার আসনের একাধিক প্রার্থীকে আপনার পছন্দ। ভোটকেন্দ্রে সেই বিভ্রান্তি থেকেই আপনি দু’জনের মার্কাতেই সিল দিয়ে দিলেন। ব্যস! আপনার ভোটটি একেবারেই পানিতে গেল।

যেসব কারণে আপনার ভোট বাতিল হতে পারে, সতর্ক হোন

ভোট দেওয়া এমন কি আর কঠিন কাজ, একটা সিল দিলেই তো কাজ শেষ – এমনটাই কি ভাবছেন আপনিও?

তবে বিষয়টি এতোটা সরল না, ছোট্ট কিছু ভুলের জন্য আপনার মূল্যবান ভোটটি গণনার সময় বাতিল হয়ে যেতে পারে। তাই ভুলগুলো নিয়ে আগেই সতর্ক হওয়া দরকার। চলুন জেনে নেওয়া যাক-

১. সঠিক স্থানে সিল দিন
ব্যালট পেপারের একপাশে থাকবে প্রার্থী ও একপাশে মার্কা। সিল দিতে হবে মার্কার ওপরে। তবে সিল যদি নির্ধারিত স্থানের বাইরে চলে যায়, তাহলে ভোট গণনার সময় বিভ্রান্তি তৈরি হতে পারে। এর ফলে আপনার ভোটটি গণনার সময় বাতিল হয়ে যেতে পারে।

২. ব্যালট ভাঁজ করার সঠিক উপায়
সিল দেওয়ার পরে ব্যালট পেপারটি ভাঁজ করার পালা। এসময় প্রথমে কাগজটি একবার লম্বালম্বি ভাঁজ দেবেন, তারপর ওপর দিকে। তা না করলে, ব্যালট ভাঁজ করার সময় সিলের কালি ওপর পাশের মার্কায় লেগে যেতে পারে। এক্ষেত্রেও আপনার ভোটটি বাতিল হতে পারে, কারণ তখন একাধিক প্রার্থীর মার্কার ওপর সিলের দাগ দেখা যাবে।

৩. একাধিক সিল মানেই ভোট বাতিল
মনে করেন, আপনার এলাকার আসনের একাধিক প্রার্থীকে আপনার পছন্দ। ভোটকেন্দ্রে সেই বিভ্রান্তি থেকেই আপনি দু’জনের মার্কাতেই সিল দিয়ে দিলেন। ব্যস! আপনার ভোটটি একেবারেই পানিতে গেল। তাই গোপন কক্ষে ব্যালট হাতে যাওয়ার আগেই মনস্থির করে নিন কাকে আপনি আপনার প্রতিনিধি হিসেবে দেখতে চান।

৪. ভোটারকে চেনার উপায় ব্যালটে থাকা
কোনো ভোটার যদি কলম বা পেনসিল দিয়ে ব্যালট পেপারে কোনো চিহ্ন দেন, টিক দেন বা সই করেন তাহলে সেই ব্যালটটি আর গ্রহণযোগ্য থাকে না। শুধুমাত্র ভোটকেন্দ্র থেকে দেওয়া নির্বাচন কমিশন কর্তৃক অনুমোদিত সিলের কালি মার্কার ওপর নির্দিষ্ট স্থানের মধ্যে থাকলেই আপনার ভোটটির উদ্দেশ্য পূরণ হবে।

৫. ব্যালট পেপারের ক্ষতি
ইচ্ছাকৃত বা অনিচ্ছাকৃতভাবে যদি আপনার ব্যালট পেপারটি ছিঁড়ে যায়, তাহলেও বাতিল হবে আপনার ভোট।

৬. ব্যালটে লেখালেখি
অনেকে না জানার কারণে, ক্ষোভ বা রাগ থেকে অথবা মজা করে অনেক সময় ব্যালটে কিছু লিখে ফেলেন। যেমন- কোনো দাবি, স্লোগান, অভিযোগ বা বার্তা। এমন কারণেও ব্যালটি বাতিল বলে ধরে নেওয়া হবে।

৭. ব্যক্তির পরিচিতি
ব্যালটে যদি ভোটারকে চেনার কোনো উপায়, তার পরিচিতি বা কোনো সাংকেতিক চিহ্ন থাকে – তাহলেও ভোট বাতিল হয়।

গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে ভোট দিয়ে নিজের প্রতিনিধি নির্বাচন করা আপনার অধিকার। আর সেই অধিকার সঠিকভাবে আদায় করতে চাইলে এই নিয়মগুলো জানা খুব জরুরি।

এএমপি/এএসএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow