যে কারণে ডিসি সারোয়ারকে শোকজ

সিলেটের জেলা প্রশাসক মো. সারোয়ার আলমকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছেন আদালত। গত ৮ ফেব্রুয়ারি সিলেটের আমলি আদালত নম্বর-২ এর সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সুদীপ্ত তালুকদার এ আদেশ দেন। আদালতের নোটিশে বলা হয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জেলা প্রশাসক মো. সারোয়ার আলম কারণ দর্শাতে ব্যর্থ হলে আইন অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এদিকে আজ বৃহস্পতিবার বিষয়টি গণমাধ্যমে প্রকাশ হলে এ নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা চলছে। অবশ্য মো. সারোয়ার আলম বলেছেন, আদালত শোকজ দিয়েছেন বলে শুনেছি। এ বিষয়ে আদালতে জবাব দেওয়া হবে। কী কারণে শোকজ নোটিশ পেলেন ডিসি সরোয়ার সে বিষয়ে আদালত সূত্রে জানা গেছে, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে সিলেটের গোলাপগঞ্জে তাজ উদ্দিন নামের এক ব্যক্তি নিহত হন। এ নিহতের জেরে পুলিশকে গুলির আদেশ প্রদানকারী নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের পরিচয়সংক্রান্ত তথ্য সরবরাহ না করায় মো. সারোয়ার আলমকে শোকজ নোটিশ দেওয়া হয়েছে। ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট দুপুরে গোলাপগঞ্জ উপজেলার ধারাবহর এলাকার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন চলছিল। এ সময় পুলিশের গুলিতে তাজ উদ্দিন নামের এক ব্যক্তি গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা হ

যে কারণে ডিসি সারোয়ারকে শোকজ

সিলেটের জেলা প্রশাসক মো. সারোয়ার আলমকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছেন আদালত। গত ৮ ফেব্রুয়ারি সিলেটের আমলি আদালত নম্বর-২ এর সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সুদীপ্ত তালুকদার এ আদেশ দেন।

আদালতের নোটিশে বলা হয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জেলা প্রশাসক মো. সারোয়ার আলম কারণ দর্শাতে ব্যর্থ হলে আইন অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এদিকে আজ বৃহস্পতিবার বিষয়টি গণমাধ্যমে প্রকাশ হলে এ নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা চলছে। অবশ্য মো. সারোয়ার আলম বলেছেন, আদালত শোকজ দিয়েছেন বলে শুনেছি। এ বিষয়ে আদালতে জবাব দেওয়া হবে।

কী কারণে শোকজ নোটিশ পেলেন ডিসি সরোয়ার সে বিষয়ে আদালত সূত্রে জানা গেছে, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে সিলেটের গোলাপগঞ্জে তাজ উদ্দিন নামের এক ব্যক্তি নিহত হন। এ নিহতের জেরে পুলিশকে গুলির আদেশ প্রদানকারী নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের পরিচয়সংক্রান্ত তথ্য সরবরাহ না করায় মো. সারোয়ার আলমকে শোকজ নোটিশ দেওয়া হয়েছে।

২০২৪ সালের ৪ আগস্ট দুপুরে গোলাপগঞ্জ উপজেলার ধারাবহর এলাকার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন চলছিল। এ সময় পুলিশের গুলিতে তাজ উদ্দিন নামের এক ব্যক্তি গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা হন। এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী রুলী বেগম গোলাপগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারীবাহিনীর গুলিতে তার স্বামী নিহত হয়েছেন বলে অভিযোগ আনা হয়। মামলা তদন্তের জন্য পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) সিলেটকে দায়িত্ব দেওয়া হয়।

পিবিআই-এর পরিদর্শক নূর মোহাম্মদ মামলার তদন্তের জন্য জেলা প্রশাসক ও বিজিবি শ্রীমঙ্গলের উপমহাপরিচালকের কাছে আবেদন করেছিলেন। 

গত বছরের ১৫ জুন আদালত জেলা প্রশাসক ও বিজিবির উপমহাপরিচালককে ১৫ দিনের মধ্যে তদন্তকারী কর্মকর্তার চাহিত তথ্য সরবরাহের আদেশ দেন। এ আদেশের পর বিজিবি তথ্য সরবরাহ করে। তবে জেলা প্রশাসকের দফতর থেকে তথ্য পাওয়া যায়নি। তথ্য না পাওয়ায় তদন্তকারী কর্মকর্তা আদালতে বিষয়টি জানান। তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তার অভিযোগ আমলে নিয়ে আদালত জেলা প্রশাসককে তলব করেন। আদালতের নির্দেশের পরও তদন্ত কর্মকর্তাকে সহযোগিতা না করাকে আদালত অবমাননার শামিল বলে অভিহিত করেন আদালত।

 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow