যে কীর্তি গড়ে মাশরাফি-শাহাদাতকে স্মরণ করালেন তাসকিন

ঢাকা টেস্টে আজ তৃতীয় দিনের শুরুতেই বাংলাদেশকে ব্রেকথ্রু এনে দিয়েছেন তাসকিন আহমেদ। সেঞ্চুরিয়নি আজান আওয়াইসের উইকেটটি নিয়ে এক মাইলফলকও স্পর্শ করেন বাংলাদেশের এই তারকা পেসার। মিরপুর টেস্টের তৃতীয় দিন সকালে আজানকে ফিরিয়ে শতরানের জুটি ভাঙেন তাসকিন। অভিষেকে ১০৩ রান করা ব্যাটসম্যান টেস্টে তার ৫০তম শিকার। টেস্ট ক্রিকেটে সত্যিকার অর্থে এটি তেমন বড় কোন মাইফলক না হলেও বাংলাদেশের বাস্তবতায় এটিও একটি অর্জন। তাসকিনের আগে এই দেশের মাত্র দুই জন পেসার পেয়েছেন এই স্বাদ। গত ১৭ বছরে এই তালিকায় নাম ওঠেনি কারও। বাংলাদেশের প্রথম পেসার হিসেবে এই অর্জনের দেখা পেয়েছিলেন মাশরাফি বিন মুর্তজা। ২০০৬ সালে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ফতুল্লা টেস্টে ৫০ উইকেট পূর্ণ হয়েছিল তার। ২০০৯ সালের জানুয়ারিতে মাশরাফির সঙ্গী হন শাহাদাত হোসেন। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে চট্টগ্রাম টেস্টে পূর্ণ হয় তার উইকেটের ফিফটি। এরপর দীর্ঘ পথ পেরিয়ে অবশেষে আরেকজন পেসার এই স্বাদ পেলেন। তিনজনের মধ্যে দ্রুততম তাসকিনই। ১৮তম টেস্টে ৫০ উইকেট হলো তার। মাশরাফির লেগেছিল ১৯ টেস্ট, শাহাদাতের ২১ টেস্ট। ৭৮ উইকেট নিয়ে ক্যারিয়ার শেষ করা মাশরাফি এত বছর পরও টেস্টে দেশের স

যে কীর্তি গড়ে মাশরাফি-শাহাদাতকে স্মরণ করালেন তাসকিন

ঢাকা টেস্টে আজ তৃতীয় দিনের শুরুতেই বাংলাদেশকে ব্রেকথ্রু এনে দিয়েছেন তাসকিন আহমেদ। সেঞ্চুরিয়নি আজান আওয়াইসের উইকেটটি নিয়ে এক মাইলফলকও স্পর্শ করেন বাংলাদেশের এই তারকা পেসার।

মিরপুর টেস্টের তৃতীয় দিন সকালে আজানকে ফিরিয়ে শতরানের জুটি ভাঙেন তাসকিন। অভিষেকে ১০৩ রান করা ব্যাটসম্যান টেস্টে তার ৫০তম শিকার।

টেস্ট ক্রিকেটে সত্যিকার অর্থে এটি তেমন বড় কোন মাইফলক না হলেও বাংলাদেশের বাস্তবতায় এটিও একটি অর্জন। তাসকিনের আগে এই দেশের মাত্র দুই জন পেসার পেয়েছেন এই স্বাদ। গত ১৭ বছরে এই তালিকায় নাম ওঠেনি কারও।

বাংলাদেশের প্রথম পেসার হিসেবে এই অর্জনের দেখা পেয়েছিলেন মাশরাফি বিন মুর্তজা। ২০০৬ সালে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ফতুল্লা টেস্টে ৫০ উইকেট পূর্ণ হয়েছিল তার।

২০০৯ সালের জানুয়ারিতে মাশরাফির সঙ্গী হন শাহাদাত হোসেন। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে চট্টগ্রাম টেস্টে পূর্ণ হয় তার উইকেটের ফিফটি।

এরপর দীর্ঘ পথ পেরিয়ে অবশেষে আরেকজন পেসার এই স্বাদ পেলেন। তিনজনের মধ্যে দ্রুততম তাসকিনই। ১৮তম টেস্টে ৫০ উইকেট হলো তার। মাশরাফির লেগেছিল ১৯ টেস্ট, শাহাদাতের ২১ টেস্ট।

৭৮ উইকেট নিয়ে ক্যারিয়ার শেষ করা মাশরাফি এত বছর পরও টেস্টে দেশের সফলতম পেসার। শাহাদাতের উইকেট ৭২টি। তাদেরকে তাড়া করছেন এখন তাসকিন।

তাসকিনের টেস্ট অভিষেক সেই ২০১৭ সালে। তবে চোট-জর্জর ক্যারিয়ারে টানা খুব বেশি ম্যাচ তিনি খেলতে পারেননি। প্রথমবার ইনিংসে ৫ উইকেটের স্বাদ পান ষোড়শ টেস্টে। ২০২৪ সালের নভেম্বরে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে অ্যান্টিগায় ৬ উইকেট নেন ৬৪ রানে। ওই সিরিজে ১১ উইকেট নিয়ে ম্যান অব দা সিরিজ হন তিনি। এরপরই টেস্ট থেকে বিরতিতে যেতে হয় তাকে চোট ও ওয়ার্কলোড ম্যানেজমেন্ট মিলিয়ে।

দেড় বছর পর ফিরে পূর্ণ করলেন তিনি ৫০ উইকেট। আজানকে ফেরানোর একটু পর পাকিস্তানি অধিনায়ক শান মাসুদকেও বিদায় করেন ৩১ বছর বয়সী পেসার।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow