যৌতুকের জন্য স্ত্রীকে মারধর, ট্রাফিক সার্জেন্টের কারাদণ্ড
ফ্ল্যাট কেনার জন্য স্ত্রীর কাছে টাকা দাবি করে মারধরের অভিযোগে করা মামলায় ট্রাফিক পুলিশের এক সাময়িক বরখাস্ত সার্জেন্টকে এক বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানা অনাদায়ে তাকে আরও এক মাসের কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। সোমবার (২০ এপ্রিল) দুপুরে চট্টগ্রামের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক মোশতাক আহমেদ এ রায় দেন। দণ্ডপ্রাপ্ত মো. নাজিম উদ্দিন (৫০) পটিয়া থানার তেকাটা গ্রামের মৃত খায়ের আহম্মেদের ছেলে। আদালত সূত্র জানায়, ২০০৪ সালের ৯ জানুয়ারি নাজিম উদ্দিনের সঙ্গে আশরেফা জাহানের বিয়ে হয়। নাজিমের বাড়ি চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলায় এবং আশরেফার বাড়ি লালমনিরহাট। তাদের দুটি সন্তান রয়েছে। চট্টগ্রাম নগরের জামাল খান এলাকায় একটি ফ্ল্যাটে বসবাস করতেন তারা। মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, নতুন ফ্ল্যাট কেনার জন্য স্ত্রীর কাছে ১০ লাখ টাকা দাবি করেন নাজিম উদ্দিন। ওই টাকা দিতে না পারায় ২০২০ সালের মার্চ ও জুন মাসের বিভিন্ন সময়ে স্ত্রীকে মারধর করেন তিনি। সর্বশেষ ২০২০ সালের ১৪ জুন সন্ধ্যায় টাকা না দেওয়ায় আশরেফাকে মারধর ও গলা চেপে হত্যার চেষ্টা করা হয়। এসময় দুই সন
ফ্ল্যাট কেনার জন্য স্ত্রীর কাছে টাকা দাবি করে মারধরের অভিযোগে করা মামলায় ট্রাফিক পুলিশের এক সাময়িক বরখাস্ত সার্জেন্টকে এক বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
একই সঙ্গে তাকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানা অনাদায়ে তাকে আরও এক মাসের কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।
সোমবার (২০ এপ্রিল) দুপুরে চট্টগ্রামের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক মোশতাক আহমেদ এ রায় দেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত মো. নাজিম উদ্দিন (৫০) পটিয়া থানার তেকাটা গ্রামের মৃত খায়ের আহম্মেদের ছেলে।
আদালত সূত্র জানায়, ২০০৪ সালের ৯ জানুয়ারি নাজিম উদ্দিনের সঙ্গে আশরেফা জাহানের বিয়ে হয়। নাজিমের বাড়ি চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলায় এবং আশরেফার বাড়ি লালমনিরহাট। তাদের দুটি সন্তান রয়েছে। চট্টগ্রাম নগরের জামাল খান এলাকায় একটি ফ্ল্যাটে বসবাস করতেন তারা।
মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, নতুন ফ্ল্যাট কেনার জন্য স্ত্রীর কাছে ১০ লাখ টাকা দাবি করেন নাজিম উদ্দিন। ওই টাকা দিতে না পারায় ২০২০ সালের মার্চ ও জুন মাসের বিভিন্ন সময়ে স্ত্রীকে মারধর করেন তিনি।
সর্বশেষ ২০২০ সালের ১৪ জুন সন্ধ্যায় টাকা না দেওয়ায় আশরেফাকে মারধর ও গলা চেপে হত্যার চেষ্টা করা হয়। এসময় দুই সন্তান ও আশপাশের লোকজন এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করেন। পরে তিনি চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নেন। ঘটনার পর আদালতে মামলার আবেদন করা হলে আদালত নগরের কোতোয়ালি থানায় মামলা রেকর্ড করার আদেশ দেন।
পরে ২০২০ সালের ১৭ আগস্ট আশরেফা জাহান আদালতে মামলা করেন। তদন্ত শেষে পুলিশ অভিযোগপত্র জমা দেয়। মামলায় নয়জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত এ রায় দেন।
ট্রাইব্যুনালে নিয়োজিত সরকারি কৌঁসুলি আলমগীর মোহাম্মদ ইউনুস বলেন, রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। আপিল করার শর্তে আদালত তাকে জামিন দিয়েছেন।
মামলা চলাকালে নাজিম উদ্দিন ও আশরেফা জাহানের মধ্যে বিচ্ছেদ হয়েছে বলেও আদালত সূত্রে জানা গেছে।
এমআরএএইচ/ইএ
What's Your Reaction?