রংপুরে এক মাসে ৯১ মাদক মামলা, গ্রেফতার ৯২

রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (আরপিএমপি) বিভিন্ন থানায় গত মে মাসে মোট ১৪৬টি মামলা দায়ের হয়েছে। এর মধ্যে ৯১টিই মাদকসংক্রান্ত মামলা। এই এক মাসে চালানো মাদকবিরোধী অভিযানে আরপিএমপি পুলিশ প্রায় ৮ কেজি গাঁজা, ১ হাজার ২৪৯ পিস ইয়াবা ও ৩০ লিটার চোলাই মদসহ বিভিন্ন মাদকদ্রব্য জব্দ করেছে। বুধবার (১০ জুন) বিকেলে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার কার্যালয়ের মিলনায়তনে আয়োজিত মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভায় এ তথ্য জানানো হয়। সভায় জানানো হয়, ১৪৬টি মামলার মধ্যে মাদক মামলা ৯১টি, অস্ত্র আইনে ১টি, নারী ও শিশু নির্যাতন ৫টি, ধর্ষণ ২টি, চুরি ১২টি এবং অন্যান্য ৩৫টি মামলা রয়েছে। এছাড়াও মাদকবিরোধী অভিযানে এক মাসে ৯২ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মে মাসে প্রায় ৮ কেজি গাঁজা, ১ হাজার ২৪৯ পিস ইয়াবা, ৩০ লিটার চোলাই মদসহ বিভিন্ন মাদকদ্রব্য জব্দ করা হয়। পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ আব্দুল মাবুদ বলেন, রংপুরবাসীকে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ উপহার দিতে আরপিএমপির প্রতিটি ইউনিটে কর্মরত কর্মকর্তা ও সদস্যগণ তাদের নিজ নিজ জায়গা থেকে কাজ করে যাচ্ছেন। এসময় তিনি পুলিশ কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে বলেন, মানুষের মধ্যে পশুত্ব ও মনুষ্যত্ব এই দুই ধরনের প্রবৃত্তি বিদ্যম

রংপুরে এক মাসে ৯১ মাদক মামলা, গ্রেফতার ৯২

রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (আরপিএমপি) বিভিন্ন থানায় গত মে মাসে মোট ১৪৬টি মামলা দায়ের হয়েছে। এর মধ্যে ৯১টিই মাদকসংক্রান্ত মামলা। এই এক মাসে চালানো মাদকবিরোধী অভিযানে আরপিএমপি পুলিশ প্রায় ৮ কেজি গাঁজা, ১ হাজার ২৪৯ পিস ইয়াবা ও ৩০ লিটার চোলাই মদসহ বিভিন্ন মাদকদ্রব্য জব্দ করেছে।

বুধবার (১০ জুন) বিকেলে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার কার্যালয়ের মিলনায়তনে আয়োজিত মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভায় এ তথ্য জানানো হয়।

সভায় জানানো হয়, ১৪৬টি মামলার মধ্যে মাদক মামলা ৯১টি, অস্ত্র আইনে ১টি, নারী ও শিশু নির্যাতন ৫টি, ধর্ষণ ২টি, চুরি ১২টি এবং অন্যান্য ৩৫টি মামলা রয়েছে। এছাড়াও মাদকবিরোধী অভিযানে এক মাসে ৯২ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মে মাসে প্রায় ৮ কেজি গাঁজা, ১ হাজার ২৪৯ পিস ইয়াবা, ৩০ লিটার চোলাই মদসহ বিভিন্ন মাদকদ্রব্য জব্দ করা হয়।

পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ আব্দুল মাবুদ বলেন, রংপুরবাসীকে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ উপহার দিতে আরপিএমপির প্রতিটি ইউনিটে কর্মরত কর্মকর্তা ও সদস্যগণ তাদের নিজ নিজ জায়গা থেকে কাজ করে যাচ্ছেন।

এসময় তিনি পুলিশ কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে বলেন, মানুষের মধ্যে পশুত্ব ও মনুষ্যত্ব এই দুই ধরনের প্রবৃত্তি বিদ্যমান। একজন পুলিশ সদস্য হিসেবে পশুত্বপরায়ণতা পরিহার করে মানবিকতা, সহমর্মিতা ও মনুষ্যত্বের চর্চার মাধ্যমে জনগণের সেবা নিশ্চিত করতে হবে। জনগণের সঙ্গে আচরণে ধৈর্য, সহনশীলতা ও নৈতিকতার পরিচয় দিতে হবে।

সভায় পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ আব্দুল মাবুদের সভাপতিত্বে অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার নরেশ চাকমা, তোফায়েল আহমেদসহ উপ-পুলিশ কমিশনার ও বিভিন্ন থানার ওসিগণ উপস্থিত ছিলেন।

জিতু কবীর/কেএইচকে/জেআইএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow