রংপুরে কমেছে ডিম-সবজির দাম, বেড়েছে মুরগির
রংপুরে সপ্তাহের ব্যবধানে কমেছে পোলট্রি মুরগির ডিমের দাম। সেইসঙ্গে দাম কমেছে কিছু সবজিসহ কাঁচামরিচ ও আলুর। এছাড়া পেঁয়াজসহ চাল-ডাল ও মাছ-মাংসের দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। মঙ্গলবার (২৩ জুন) নগরীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, প্রতিকেজি ব্রয়লার মুরগি গত সপ্তাহের মতো ১৫০-১৬০ টাকা বিক্রি হলেও পাকিস্তানি সোনালি মুরগি ৩২০-৩৩০ টাকা থেকে বেড়ে ৩৩০-৩৪০ টাকা, পাকিস্তানি হাইব্রিড জাতের মুরগি ২৮০-৩০০ টাকা থেকে বেড়ে ৩১০-৩২০ টাকা, পাকিস্তানি লেয়ার গত সপ্তাহের মতোই ৩৩০-৩৪০ টাকা এবং দেশি মুরগি বিক্রি হচ্ছে ৫৮০-৬০০ টাকা। খুচরা বাজারে পোলট্রি মুরগির লাল ডিমের হালি ৩৮-৪০ টাকা থেকে কমে ৩৫-৩৬ টাকা বিক্রি হচ্ছে। বাজারে গরুর মাংস অপরিবর্তিত ৭২০-৭৫০ টাকা এবং খাসির মাংস ১০০০- থেকে ১১০০ টাকায় অপরিবর্তিত রয়েছে। ধাপ লালকুঠি বাজারের মুরগি বিক্রেতা মোজাম্মেল হোসেন বলেন, ব্রয়লার মুরগির দাম গত সপ্তাহের তুলনায় অপরিবর্তিত থাকলেও পাকিস্তানি সোনালী মুরগির দাম বেড়েছে। বাজারে আমদানি কমে যাওয়ায় দাম একটু বেড়েছে। ওই বাজারের ডিম বিক্রেতা সবুজ মিয়া বলেন, গত এক মাসের তুলনায় ডিমের দাম অনেকটাই নিম্নমুখী। পাইকারি বাজারে এক
রংপুরে সপ্তাহের ব্যবধানে কমেছে পোলট্রি মুরগির ডিমের দাম। সেইসঙ্গে দাম কমেছে কিছু সবজিসহ কাঁচামরিচ ও আলুর। এছাড়া পেঁয়াজসহ চাল-ডাল ও মাছ-মাংসের দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।
মঙ্গলবার (২৩ জুন) নগরীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, প্রতিকেজি ব্রয়লার মুরগি গত সপ্তাহের মতো ১৫০-১৬০ টাকা বিক্রি হলেও পাকিস্তানি সোনালি মুরগি ৩২০-৩৩০ টাকা থেকে বেড়ে ৩৩০-৩৪০ টাকা, পাকিস্তানি হাইব্রিড জাতের মুরগি ২৮০-৩০০ টাকা থেকে বেড়ে ৩১০-৩২০ টাকা, পাকিস্তানি লেয়ার গত সপ্তাহের মতোই ৩৩০-৩৪০ টাকা এবং দেশি মুরগি বিক্রি হচ্ছে ৫৮০-৬০০ টাকা।
খুচরা বাজারে পোলট্রি মুরগির লাল ডিমের হালি ৩৮-৪০ টাকা থেকে কমে ৩৫-৩৬ টাকা বিক্রি হচ্ছে।
বাজারে গরুর মাংস অপরিবর্তিত ৭২০-৭৫০ টাকা এবং খাসির মাংস ১০০০- থেকে ১১০০ টাকায় অপরিবর্তিত রয়েছে।
ধাপ লালকুঠি বাজারের মুরগি বিক্রেতা মোজাম্মেল হোসেন বলেন, ব্রয়লার মুরগির দাম গত সপ্তাহের তুলনায় অপরিবর্তিত থাকলেও পাকিস্তানি সোনালী মুরগির দাম বেড়েছে। বাজারে আমদানি কমে যাওয়ায় দাম একটু বেড়েছে।
ওই বাজারের ডিম বিক্রেতা সবুজ মিয়া বলেন, গত এক মাসের তুলনায় ডিমের দাম অনেকটাই নিম্নমুখী। পাইকারি বাজারে একশো ডিম কিনতে খরচ পড়ে ৮৫০ টাকা। সেই হিসাবে একহালি ডিমের দাম পাইকারি বাজারে পড়ছে ৮ টাকা ৫০ পয়সা। খুচরা বাজারে হালি প্রতি ১/২ টাকা লাভে বিক্রি করা হচ্ছে।
এদিকে, সবজি বাজার ঘুরে দেখা যায়, টমেটো গত সপ্তাহের মতোই ১২০-১৪০ টাকা, গাজর ২০০-২৪০ থেকে কমে ২০০-২২০ টাকা, কাঁকরোল ৫০-৬০ টাকা থেকে কমে ৪০-৫০ টাকা, ঝিংগা গত সপ্তাহের মতোই ৩৫-৪০ টাকা, চালকুমড়া প্রতিপিস (আকারভেদে) ২৫-৩০ টাকা, কাঁচকলার হালি ৩০-৩৫ টাকা থেকে কমে ২৫-৩০ টাকা, চিচিঙ্গা ৪০-৫০ টাকা থেকে কমে ৩৫-৪০ টাকা, সজনে ১৬০-১৮০ টাকা থেকে বেড়ে ১৮০-২০০ টাকা, শসা গত সপ্তাহের মতোই ৩০-৪০ টাকা, লেবুর হালি ১০-১৫ টাকা, চিকন বেগুন ৪০-৫০ টাকা, গোল বেগুন ৫০-৬০ টাকা, পটল ৩০-৪০ টাকা থেকে কমে ২৫-৩০ টাকা, ঢেঁড়শ গত সপ্তাহের মতোই ৩০-৪০ টাকা, পেঁপে ৩০-৪০ টাকা, বরবটি গত ৪০-৫০ টাকা, করলা ৪০-৫০ টাকা থেকে কমে ৩৫-৪০ টাকা, লাউ (আকারভেদে) ৩০-৪০ টাকা থেকে বেড়ে ৪০-৫০ টাকা, কচুরলতি গত সপ্তাহের মতোই ৪০-৫০ টাকা, কচুরমুখী ৫০-৬০ টাকা থেকে কমে ৪০-৫০ টাকা, প্রতিকেজি ধনেপাতা গত সপ্তাহের মতোই ১৩০-১৫০ টাকা, সব ধরনের শাকের আঁটি ১০ থেকে ২৫ টাকা, মিষ্টিকুমড়া গত সপ্তাহের মতোই ৩৫-৪০ টাকা, শুকনো মরিচ আগের মতোই ৩৫০-৪০০ টাকা, কার্ডিনাল আলু ১৮-২০ টাকা থেকে বেড়ে ২০-২৫ টাকা, সাদা আলু গত সপ্তাহের মতোই ৩০-৩৫ টাকা, বগুড়ার লাল পাকড়ি আলু ৩০-৩৫ টাকা, শিল আলু ৪৫-৫০ টাকা এবং ঝাউ আলু ৪৫-৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
খুচরা বাজারে প্রতিকেজি কাঁচামরিচ ৪০-৫০ টাকা থেকে বেড়ে ৫০-৬০ টাকা, পেঁয়াজ গত সপ্তাহের মতোই ৩৫-৪০ টাকা, দেশি আদা গত সপ্তাহের মতোই ১৬০-১৮০ টাকা, আমদানি করা আদা ১২০-১৪০ টাকা থেকে বেড়ে ১৪০-১৬০ টাকা, দেশি রসুন আগের মতো ১০০-১২০ টাকা এবং ভারতীয় রসুন ২০০-২২০ কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
মুলাটোল বাজারের সবজি বিক্রেতা আব্দুল গফুর বলেন, সপ্তাহের ব্যবধানে দুই-একটি সবজির দাম বাড়লেও অনেক সবজির দাম কমেছে। ২০ থেকে ৪০ টাকার মধ্যে অনেক সবজি মিলছে। এতে কিছুটা স্বস্তি দেখা দিয়েছে। দাম কমলে বিক্রি বাড়ে। ফলে ক্রেতা ও বিক্রেতা উভয়েই খুশি থাকে।
এদিকে, খুচরা বাজারে এক লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেল ২০৫-২১০ টাকা এবং খোলা সয়াবিন তেল ২০০-২২০ টাকা, মসুর ডাল (চিকন) গত সপ্তাহের মতোই ১৭০-১৮০ টাকা, মাঝারি ১০০-১১০ টাকা, মুগডাল ১৫০-১৬০ টাকা, বুটের ডাল ১১০-১২০ টাকা, খোলা চিনি ১০৫-১১০ টাকা, ছোলাবুট ৯০-১০০ টাকা, প্যাকেট আটা ৫৫-৬০ টাকা, খোলা আটা ৪০-৪৫ টাকা এবং ময়দা ৬৫-৭০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
চালের বাজার ঘুরে দেখা যায়, গত সপ্তাহের মতোই স্বর্ণা (মোটা) ৪৮-৫০ টাকা, স্বর্ণা (চিকন) ৫৫-৬০ টাকা, বিআর২৮- ৬৫-৭০ টাকা, বিআর২৯- ৬০-৬৫ টাকা, জিরাশাইল ৬০-৬৫ টাকা, মিনিকেট ৮৫-৯০ এবং নাজিরশাইল ৮৫-৯০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
মাছের বাজার ঘুরে দেখা যায়, আকারভেদে রুই মাছ ৩০০-৩৮০ টাকা, টেংরা ৪০০-৫৬০, পাবদা ৩৫০-৪০০ টাকা, মৃগেল ২২০-২৫০ টাকা, কারপু ২৫০-২৬০ টাকা, পাঙাস ১৫০-২৫০ টাকা, তেলাপিয়া ২০০-২৫০, কাতল ৩০০-৫০০ টাকা, বাটা ১৮০-২৪০ টাকা, শিং ৩০০-৪০০ টাকা, সিলভার কার্প ১৮০-২৬০ টাকা এবং গছিমাছ ৮০০-১২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
জিতু কবীর/এনএইচআর/এএসএম
What's Your Reaction?